১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্যারাগন লেদারের সার্টিফিকেট মামলায় আরও দুইজনের সাক্ষ্য গ্রহণ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ শেয়ারের সার্টিফিকেট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে প্যারাগন লেদার এ্যান্ড ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজের বিরুদ্ধে দায়ের মামলায় আরও দুই জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। রবিবার আদালতে সাক্ষ্য দেন জামিউল ইসলাম ও আজিজুর রহমান। তবে মামলার পরবর্তী শুনানির ব্যাপারে আদালত কোন দিন ধার্য করেনি। রবিবার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

মামলাটিতে এই পর্যন্ত ৬ জন ব্যক্তি সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা হলেনÑ মাহমুদুল হাসান, শুভ্র কান্তি চৌধুরী, মিজানুর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, জামিউল ইসলাম ও আজিজুর রহমান।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আইনজীবী মাসুদ রানা খান সাংবাদিকদের জানান, রবিবারে ১৬/১৫নং মামলাটির আরও দুই জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এ নিয়ে এই পর্যন্ত ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য দিন ধার্য করবেন বলে জানান তিনি।

মামলাটির শুনানির সময়ে আদালতে দুই জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেনÑ মামলায় ১৯নং আসামি মাহবুবুর রহমান ও ২০নং আসামি মোয়াজ্জেম হোসেন। আসামিদের আইনজীবী ছিলেন এ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ।

প্রসঙ্গত, প্যারাগন লেদারের শেয়ার জালিয়াতি নিয়ে কোম্পানিসহ আরও ২০ জনকে আসামি করে ২০০২ সালে মামলা করে বিএসইসি। আসামিরা হলেনÑ এম এ সালাম, আবুল কালাম আজাদ, নূর মোহাম্মদ, আব্দুস সালাম, এস এস জুনায়েদ বাগদাদী, মোঃ কুতুবউদ্দিন, মোঃ আরব মিয়া, আলী আহম্মেদ, মোঃ নূরুল আফসার, মোঃ কলিমউদ্দিন, মোঃ জালাল উদ্দিন, হেমন্ত বাইন, এবিএম মোরশেদুল হক, মোঃ সাইফুল্লা মিজান, শামসুল হাদী, মোঃ বশির আলম, মাহবুবুর, মাহবুবুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন ও প্যরাগন লেদার এ্যান্ড রুট ওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

জানা যায়, কোম্পানিটির শেয়ার জালিয়াতির অভিযোগের ভিত্তিতে বিএসইসি তদন্ত কমিটি গঠন করে। ২০০১ সালের ৩১ মে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

আরও জানা যায়, আসামিরা কোম্পানির শেয়ার জাল করার ব্যাপারে বড় ভূমিকা রাখে। এই জাল শেয়ার সার্টিফিকেট কিছু ব্যক্তি ও কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা ঋণের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়। আর ওইসব জাল শেয়ার সার্টিফিকেট ব্যাংকের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে আসে।

এই মাত্রা পাওয়া