২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

হামলা-সংঘর্ষ ভাংচুর লুট ॥ নিহত এক আহত ২২

  • নড়াইল, বরিশাল, বাউফল, দৌলতপুর

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ বরিশালে তিন পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে ঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া নড়াইলে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং পটুয়াখালীর বাউফল ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সংঘর্ষে ২২ জন আহত হয়েছে। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের।

নড়াইল ॥ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কুমড়ি গ্রামে রবিবার বিকেলে দু’পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে সৈয়দ ইলিয়াস আলী (৬০) নামে একজন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ দুইজনকে আটক করেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, কুমড়ি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সাবেক চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান পলাশ ও বনি শেখের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিলো। এর জের ধরে কুমড়ি পশ্চিমপাড়ায় দুইপক্ষের সংঘর্ঘ বাঁধে। সংঘর্ঘে লতিফুর রহমান পলাশ নিজেই বনি শেখের ওপর গুলি চালায় । এ সময় গুলিতে বনি শেখ গ্রুপের সমর্থক সৈয়দ ইলিয়াস আলী নিহত হন।

বরিশাল ॥ নগরীর বেলতলা এলাকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতার সহায়তায় খাস জমিতে বার্ষিক ইজারায় অর্ধশত বছর ধরে বাস করা তিনটি পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। জানা গেছে, নগরীর ৬নং ওয়ার্ড বেলতলা বাজারের পাশে বার্ষিক ভিত্তিতে ইজারা (ডিসিআর) নিয়ে ২৩ শতক খাস জমিতে অর্ধশতাধিক বছর ধরে বাস করে আসছেন মতিউর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম ও মাওলনা খলিলুর রহমান। ওয়ারিশ সূত্রে ওই জমির মালিকানা দাবি করে দীর্ঘদিন থেকে দখলের চেষ্টা করেন নগরীর কালিবাড়ী রোডের জনৈক প্রভাবশালী মুনসুর আলী ফকির।

বাউফল, পটুয়াখালী ॥ বাউফলে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে রবিবার দুপুরে কালাইয়া গ্রামে ব্যাপারি বাড়ি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে শাহানুর বেগমকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে।

দৌলতপুর, কুষ্টিয়া ॥ দৌলতপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার রিফায়েতপুর ইউনিয়নের ভেড়ামারা ঈদগাহপাড়া গ্রামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মামলা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে ভেড়ামারা গ্রামের ছাদিয়ার রহমান ও বিদ্যুৎ হোসেনের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০-২৫ জন দেশীয় ধারাল অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।

নির্বাচিত সংবাদ