২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর কর হ্রাসের দাবি ডিসিসিআই’র

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ক্ষেত্রবিশেষে ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধি পেয়েছে পাঁচ গুণ। ২০১৪ সালে যে ট্রেড লাইসেন্স ফি ছিল ৫০০ টাকা, বর্তমানে তা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭ হাজার টাকা। বেড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত করের হারও। ফলে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবসার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছেন বলে মনে করে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

রবিবার বিকেলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অডিটরিয়ামে ব্যবসায় খরচ বৃদ্ধি সংক্রান্ত এক সেমিনারে এসব কথা জানিয়ে ট্রেড লাইসেন্স ফি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর আরোপিত কর হ্রাসের আহ্বান জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, ব্যবসায় খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নতুন উদ্যোক্তাদের ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। কেবল খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমেই হিডেন কস্ট কমিয়ে আনা যেতে পারে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ নজিবুর রহমান বলেন, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। সরকার ব্যবসায়ীদের নানা ধরনের প্রণোদনা দিচ্ছে। তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, বন্ডে যে অপব্যবহার হচ্ছে তা বন্ধ করতে পারলে প্রতিবছর দুটি পদ্মা সেতুর অর্থ যোগান দেয়া সম্ভব। কেবল আপনারাই বন্ডের অপব্যবহার রোধ করতে পারেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুলাহ আল মামুন বলেন, জিএসপি সুবিধা পেতে সব ধরনের শর্ত পূরণ করেছে সরকার। তারপরও সে সুবিধা দেয়া হয়নি।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, দেশের অর্থনীতি ক্রমেই বৃদ্ধি পেলেও ব্যবসা-বাণিজ্যে ব্যয় কমছে না। বর্তমানে ট্রের্ড লাইসেন্সের ফি অনুযায়ী একজন নতুন ব্যবসায়ী ব্যবসা করতে চাইলে তাকে সরকারের বিভিন্ন অফিসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হবে।

মূল প্রবন্ধে ডিসিসিআই সহ-সভাপতি শোয়েব চৌধুরী বলেন, ইন্ডেটিং এবং কমিশন এজেন্টের লাইসেন্স ফি ১০০০ টাকা থেকে ৪০০ শতাংশ বাড়িয়ে ৫০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়াও ক্লিয়ারিং ও ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট, ট্রাভেলিং এজেন্ট, রিক্রুটিং এজেন্টের ফি ১৫০০ টাকা হতে ২৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৫০০০ টাকা করা হয়েছে। রফতানি লাইসেন্স ৫০০ টাকা থেকে ৫০০ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৩০০০ টাকা করা হয়েছে।

সেমিনারে ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদের সভাপতিত্বে প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, আইএফসি ব্যাংকের এসএমই বিভাগের টিআইএম রওশান জাদিদ, ডিসিসিআই সাবেক সভাপতি এম এ মোমেন।