২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সম্পাদক সমীপে

  • এই উদ্বিগ্নরা কারা

বাংলাদেশের মানুষের অভিজ্ঞতায় ১৯৭১ সাল রয়েছে। বিচার ও ন্যায়-অন্যায়ের প্রহসন তখন তারা দেখেছেন। বিগত চার দশকে তারা দেখেছেন এমন অসংখ্য খুন-খারাবি, যেগুলোর প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন জানিয়েছে এক শ্রেণীর নেতৃত্ব, সামরিক জান্তার তত্ত্বাবধানে। দেখেছেন ওসব খুন-খারাবির নায়করা দ-িত হওয়ার পরিবর্তে পুরস্কৃত হয়। লুটেরাদের করা হয়েছে ক্ষমতাবান। সেসব ক্রিমিনাল এখন ওয়াজ-নসিহত করে বেড়াচ্ছেন সুশীল তকমা ধারণ করে। প্রমাণিত এবং দেশবাসী কর্তৃক চিহ্নিত সর্বশ্রেণীর ক্রিমিনালকে সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত এবং অপরাধ দমন করার কাজ এক সঙ্গে হাতে নিয়ে দেখা গেছে প্রথমোক্ত কাজে সাময়িক সাফল্যলাভ করেছে। কিন্তু দ্বিতীয় কাজে অনিবার্য ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হয়েছে। উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ এসব অপরাধ ও অপরাধী নিয়ে সামান্যতমও উদ্বিগ্ন নয়। ১৩ জনের সমন্বয়ে গড়া এই উদ্বিগ্নরা দেশের সংবিধান, সরকারব্যবস্থা বদলে ফেলতে চান। কিন্তু কেন? সে প্রশ্নের জবাব মেলে না।

আহমদ ইয়াকুব জামিল

শান্তিনগর, ঢাকা

ফরিদাবাদে সুইপার কলোনি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পুরান ঢাকার ফরিদাবাদের বাহাদুরপুর লেনে কমিউনিটি সেন্টারটিকে সুইপার কলোনি বা তাদের বাসস্থান হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। সবাই বলছে, নবনির্বাচিত মেয়র কাজটি ঠিক করেননি। এলাকাবাসী ইতিমধ্যে এর প্রতিবাদ শুরু করেছে এবং সুন্দর পরিবেশের এই ফরিদাবাদ এলাকায় সুইপার কলোনি স্থাপন করা হলে এলাকায় মধ্যপান ও মাদকের আখড়া গড়ে উঠবে। নোংরা হয়ে পড়বে এলাকার পরিবেশ। সুইপারদের গালাগালি, গান-বাজনা ও ঢাকঢোলের যন্ত্রণা, জুয়া খেলার মতো আরও অনেক অসামাজিক দৌরাত্ম্যে ফরিদাবাদ ও এর আশপাশের এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠবে বলে স্থানীয়রা শঙ্কা প্রকাশ করছেন।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় অবিলম্বে ফরিদাবাদের বাহাদুরপুর লেনের কমিউনিটি সেন্টারকে সুইপার কলোনি বা তাদের বাসস্থান হিসেবে গড়ে তোলার পরিবর্তে জনস্বার্থে কমিউনিটি হাসপাতাল তৈরি করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাই।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী

ফরিদাবাদ, ঢাকা

উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায়

প্রতিবন্ধকতা দূর হোক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এমফিল ও পিএইচডি গবেষণার ক্ষেত্রে প্রতিবছর ফেলোশিপ প্রদান করে থাকে। উক্ত ফেলোশিপে গবেষকগণ উৎসাহিত হয়ে থাকেন। তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন এবং দেশের উন্নয়নে নতুন পথপ্রদর্শন করছেন। তাদের গবেষণার ফল বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূতি উজ্জ্বল করছে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ১২-০৫-২০১৩ইং তারিখের ৩৯.০১২.০২২.০১.০০.০০১.২০১০ নং স্মারকের পরিবর্তিত নীতিমালায় গবেষকদের অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে। চাকরিজীবী প্রার্থীদের ফেলোশিপের আবেদনের বয়স সর্বোচ্চ ৪৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নতুন কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এমফিল বা পিএইচডি কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব যুক্তিসঙ্গত নীতিমালা আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাচকম-লী যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থীকেই পিএইচডি কিংবা এমফিল কোর্সে ভর্তির অনুমতি প্রদান করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের নতুন করে শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্তারোপ শুধু অপ্রয়োজনীয়ই নয়, গণস্বার্থবিরোধীও। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বয়স কোন বাধা হতে পারে না। ১০৪ বছর বয়সেও পিএইচডি ডিগ্রী অর্জনের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে আছে। অনেক জ্ঞানতাপস ৯০ বছর বয়সের পরও বিজ্ঞান সাধনার জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। উচ্চশিক্ষার গবেষণার ফল পৃথিবীর প্রযুক্তি ভা-ারে নতুন অবদান সংযুক্ত করে এবং দেশের সমস্যা সমাধানে ও অগ্রগতিতে দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এসব সম্ভাবনার দ্বার কেন সীমিত করা হবে? বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ফেলোশিপের আবেদন উন্মুক্ত করা হোক। দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে ফেলোশিপ প্রদান করা হোক।

মো. রফিকুল ইসলাম

সারদা ঘোষ (বাই লেন) সদর, ময়মনসিংহ