২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খুলনায় আ. লীগ নেতা হত্যা ॥ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

অনলাইন ডেস্ক ॥ খুলনায় জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল হালিম গাজী হত্যা মামলায় ২৪ জনের নামে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ। আসামিরা হলেন-গাজী ইমরান হোসেন ওরফে মনিরুল (৩৪), মোল্লা জুলকার নাঈম ওরফে মারজান আহমেদ ওরফে মুন্না (২৮), ইসতিয়াক হোসেন ওরফে ইস্তি (২২), শাকিল হোসেন ওরফে রানা (২৭), জাহিদ হাওলাদার (২৫), তাইজুল ইসলাম ওরফে রাজু (২৭), মারুফ হোসেন শেখ (৩৬), সেলিম মল্লিক (৩২), শহীদুল ইসলাম ওরফে শাহীন (৪৫), শাওনুল ইসলাম ওরফে শাওন (২২), রবিউল ইসলাম ওরফে বাবু (২৪), গাজী এনামুল হাসান ওরফে মাসুম (৩২), নুরুল ইসলাম গাজী ওরফে নুরু গাজী (৪৭), শাহীন শেখ (২৪), গাজী ইমরান হোসেন (২৫), গাজী জাহিদুল ইসলাম (৪৮), মানিক মোল্লা (৩৮), আনিছুর রহম্না (৪৮), মুরাদ শেখ ওরফে গালকাটা মুরাদ (৩২), মাসুদ সরদার (৩০), মাসুদ (৩০), দিদার মোল্লা (৪৮), তরিকুল ইসলাম (২৭) ও হুমায়ুন কবীর (৩০)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক শেখ শাহজাহান মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সালমা আক্তারের আদালতে এই অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।

দিঘলিয়া আদালতের জেনারেল রেকর্ড অফিসার (জিআরও) উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নিহত হালিম গাজী খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও দিঘলিয়ার সেনহাটী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ছিলেন।

অভিযোগপত্রের বরাত দিয়ে জিআরও জানান, ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদে কাজ শেষ করে বেলা ৩টার দিকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম গাজী। পথে গোয়ালপাড়া মোড় এলাকায় সন্ত্রাসীরা উপর্যপুরি গুলি করে এবং আগ্নেয়াস্ত্রের বাট দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। গুলিবিদ্ধ হালিমকে প্রথমে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরের দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ৩১ অক্টোবর আব্দুল হালিম গাজীর স্ত্রী ফারহানা হালিম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে দিঘলিয়া থানায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। পরে তা হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয় বলে জানান এসআই রফিকুল।

২০১২ সালের ১৩ মার্চ দিঘলিয়া থানা থেকে সিআইডিতে মামলাটি তদন্তের জন্য স্থানান্তরিত হয়।