২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোয়ালিশন নিয়ে জটিলতা এড়াতে আগাম নির্বাচন দেবেন এরদোগান

তুরস্কে কয়েক সপ্তাহ ধরে যে রাজনৈতিক অচলাবস্থা চলছে আগাম নির্বাচন সেটি নিরসনের একটি উপায় হতে পারে বলে দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোগান সোমবার মন্তব্য করেছেন। জুনে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে কোন দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় এবং ক্ষমতাসীন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর এই অচলাবস্থা শুরু হয়। খবর এএফপির।

তুর্কী পার্লামেন্টের স্পীকার ইসমেত ইলমাজের সঙ্গে বৈঠকের সোমবার প্রেসিডেন্টের দফতর থেকে একটি বিবৃতি ইস্যু করা হয়। এতে আগাম নির্বাচনের কোন তারিখের কথা উল্লেখ করা হয়নি। তবে এরদোগান সম্প্রতি বলেছিলেন, তিনি আশা করছেন ১ নবেম্বর এই নির্বাচন হতে পারে। এ বছর ৭ জুন অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ৫৫০ আসনবিশিষ্ট পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়। ২০০২ সাল থেকে দলটির পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। এর ফলে একেপিকে এখন কোয়ালিশন শরিক খুঁজতে হচ্ছে। কিন্তু বিরোধী দলগুলো থেকে শরিক খুঁজতে গিয়ে একেপিকে এখন বেগ পেতে হচ্ছে। সমালোচকরা বলছেন, এরদোগান এখন সবদিক থেকেই কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছেন। বিবৃতি বলা হয়, সংবিধান অনুসারে প্রেসিডেন্ট নতুন করে পার্লামেন্ট নির্বাচন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তুরস্কের সংবিধান নির্বাচন পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন হলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের জন্য ৪৫ দিন সময় বেঁধে দেয়া আছে। এ সময়ের মধ্যে কোয়ালিশন সরকার গঠিত না হলে প্রেসিডেন্ট নতুন নির্বাচন দিতে পারেন। এরদোগান চাইছেন, একেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পুনরুদ্ধার করে এককভাবে দেশ পরিচালনা করুক। এছাড়া তার আরেকটি লক্ষ্য হলো প্রেসিডেন্ট হিসাবে পূর্ণ নির্বাহী ক্ষমতা অর্জন করা। এজন্য পার্লামেন্টে তিন-পঞ্চমাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন। বেশ কিছুদিন ধরে এরদোগান ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন যে, তিনি কোয়ালিশন সরকারের পক্ষপাতী নন।