২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মসজিদ মাদ্রাসার আড়ালে কক্সবাজারের গহীন জঙ্গলে জঙ্গী আস্তানা

মসজিদ মাদ্রাসার আড়ালে কক্সবাজারের গহীন জঙ্গলে জঙ্গী আস্তানা
  • রাতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ গোপন বৈঠক

এইচএম এরশাদ, কক্সবাজার থেকে ॥ আন্তর্জাতিক জঙ্গীগোষ্ঠীর অর্থায়নে নির্মিত উখিয়ার মধুরছরা পাহাড়ে অর্ধ শতাধিক রহস্যময় স্থাপনা জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের উদ্যোগে গুঁড়িয়ে দেয়ার পর এবার আরএসও জঙ্গী গ্রুপ কক্সবাজার সদরের ছনখোলা পাহাড়ে জঙ্গী আস্তানা নির্মাণ করে চলেছে বলে জানা গেছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে কতিপয় জোট নেতার মদদে শক্তি সঞ্চার করা আরাকান বিদ্রোহী গ্রুপ রোহিঙ্গা জঙ্গীদের সংগঠন আরএসও ক্যাডারদের এ পর্যন্ত নিষ্ক্রিয় করা যায়নি। ফলে মৌলবাদী গোষ্ঠীর সহযোগিতায় জাতীয় সনদধারী ওইসব রোহিঙ্গা জঙ্গীরা কক্সবাজার জেলার পাহাড়ী অঞ্চলে নতুন নতুন রহস্যময় স্থাপনা নির্মাণ করে চলেছে। জঙ্গীদের এসব আস্তানা গড়ার পিছনে বিএনপি ও জামায়াতীদের আড়ালে আবডালে থেকে সহযোগিতা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এদের পরামর্শে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে পুঁজি করে বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায় রোহিঙ্গা জঙ্গী আরএসও ক্যাডাররা সরকারের অনুমতি না নিয়ে একের পর এক গড়ে তুলছে মসজিদ-মাদ্রাসার নামে জঙ্গীপনার ঘাঁটি। জঙ্গীমুক্ত দেশ গড়তে সরকার যেখানে বদ্ধপরিকর, বর্তমানে জঙ্গীবাদ দমনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে, সেক্ষেত্রে দলীয় কতিপয় নেতা টাকার লোভে কট্টরপন্থী মৌলবাদী সমর্থিত আরএসও ক্যাডারদের রোহিঙ্গা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজে সহযোগিতা দিয়ে চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কক্সবাজারে আওয়ামী লীগের একশ্রেণীর ধান্ধাবাজ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে আবু ছালেহ নামে এক জঙ্গী গোপনে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে বলে সূত্রে জানা গেছে। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে এক যুবকের অভয় পেয়ে পিএমখালীতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে আরাকান বিদ্রোহী গ্রুপ আরএসও। জেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ ইতোপূর্বে উখিয়ায় বিদেশী অর্থায়নে নির্মিত রহস্যময় স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেয়ার পর পিএমখালী পাহাড়ী এলাকায় নতুন করে ফের রোহিঙ্গা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে দেখে জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। স্থাপনাগুলো নির্মাণে ব্যয়ভার বহন করছে জামায়াতের অন্যতম সহযোগী খ্যাত ভয়ঙ্কর জঙ্গী আবু ছালেহ ও মোঃ ইব্রাহিম নামে দুই মিয়ানমার নাগরিক। ইতোপূর্বে উখিয়ায় গুঁড়িয়ে দেয়া রহস্যময় স্থাপনার সঙ্গে সদরের পিএসখালির ছনখোলা পাহাড়ে গড়ে উঠা স্থাপনাগুলো একসূত্রে গাঁথা। মসজিদ, এতিম খানা ও সুরম্য অট্টালিকা নির্মাণের পিছনে রহস্য কি? মোটেও জানে না স্থানীয় জনগণ।

সচেতন মহল জানান, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বিতাড়িত এসব সন্ত্রাসী রোহিঙ্গা এক সময় এদেশের জন্য বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে, তা একটু করেও ভেবে দেখছে না ওইসব নেতা। ক্ষমতাসীন দলের পরিচয়ে মুষ্ঠিমেয় কয়েকজন লোভী ব্যক্তির কারণে প্রশাসনের লোকজনও রহস্যময় স্থাপনাগুলো উচ্ছেদে এগিয়ে আসছে না। পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে নিপীড়িত রোহিঙ্গা মুসলমানদের মানবিক সাহায্যের দোহাই তুলে কক্সবাজারের পাহাড়ে পাহাড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে একাধিক স্থাপনা। মসজিদ-মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে ওইসব রহস্যঘেরা স্থাপনায় গোপনে জঙ্গী তৎপরতা, কমফু-কারাতে ও অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। কতিপয় ধান্ধাবাজ নেতা জঙ্গীদের মদদ যোগালেও ওইসব জঙ্গী এত বেশি ভয়ঙ্কর, খুন খারাবিসহ এমন কোন বেআইনী কাজ নেই- যা সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা করতে পারে না। ক্ষমতাসীন দলের একশ্রেণীর স্থানীয় নেতাকে টাকার লোভে ফেলে আন্তর্জাতিক জঙ্গী গ্রুপের সহকর্মীরা রাজনৈতিক শেল্টার নিয়ে তাদের জঙ্গী নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলাব্যাপী। কক্সবাজার শহরের লিংকরোড থেকে শুরু করে জেলার বিভিন্ন পাহাড়ী জনপদে জঙ্গী নেটওয়ার্ক বিস্তৃতি লাভ করছে উদ্বেগজনভাবে। সরকারী বনভূমি দখল করে একের পর এক পাহাড়ী জনপদে বসতি গেড়েছে রোহিঙ্গা জঙ্গীরা। সরকারী সম্পদ বন পাহাড়ে রোহিঙ্গাদের অবস্থানকে পুঁজি করে আরএসও জঙ্গীরা তৈরি করে চলছে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে রহস্যময় জঙ্গী স্থাপনা। এমন একটি জঙ্গী আস্তানার সন্ধান মিলেছে সদর উপজেলার পিএমখালীর ছনখোলা গ্রামের গহীন জঙ্গলে। এখানে আবু সালেহ নামে এক জঙ্গী হযরত আবু বক্কর (রাঃ)’র নামে পাহাড় কেটে তৈরি করছে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা। ওখানে পাহাড়ের চূড়ায় জঙ্গী আবু ছালেহ নির্মাণ করেছে সুরম্য অট্টালিকা। রামুর বৌদ্ধবিহারে ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনার পর জঙ্গী আবু ছালেহকে গ্রেফতার করেছিল কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ। কিন্তু বেশিদিন জেলে সময় খাটাতে হয়নি ভয়ঙ্কর এ রোহিঙ্গা জঙ্গীকে। পাকিস্তান ও সৌদি আরবে অবস্থানকারী আন্তর্জাতিক জঙ্গীদের কাছ থেকে অঢেল টাকা এনে তার অনুসারিরা ব্যাপক তদবির চালিয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, আরএসও প্রথম সারির এ নেতা ভয়ঙ্কর জঙ্গী আবু ছালেহ আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে এবং পুলিশী রিপোর্টের গাফিলতির কারণে জেলহাজত থেকে বের হয়ে গেছে। নেপথ্যে অর্থের বিনিময়ে সহযোগিতা করেছে আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতা। পরবর্তীতে ধর্মকে পুঁজি করে স্থানীয় কিছু ধর্মান্ধ ব্যক্তিদের বশে এনে ক্ষমতাসীন দলের নেতা পরিচয়ে ওই যুবকের আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়ে রোহিঙ্গা জঙ্গী আবু ছালেহ ও তার অনুসারি সহযোগীরা শক্তি সঞ্চয় করে পিএমখালী পাহাড়ে জঙ্গী কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দেখা গেছে, তার ওই আস্তানার প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ থাকে সব সময়। স্থানীয় মুরুব্বিরা জানান, মসজিদ ব্যতীত ওইসব রহস্যময় স্থাপনার বাউন্ডারির মধ্যে সাধারণ ব্যক্তিদের কেউ আসা-যাওয়া করতে পারে না। তবে পাহাড়ের চূড়ায় নির্মিত সুরম্য অট্টালিকায় প্রায় সময় কিছু অপরিচিত লোকজনকে আসা-যাওয়া করা এবং গভীর রাত পর্যন্ত জাগরণ থেকে ওই বাড়িতে হাঁকডাক করতে শোনা যায়। বিদেশী অচেনা লোকজনের সঙ্গে প্রায় সময় ইব্রাহিম আতিক নামে এক রোহিঙ্গা নেতা আসতেন ওই আস্তানায়। তিনি ঢাকায় অফিস খুলে আন্তর্জাতিক জঙ্গী গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ ও সফরের দিন তারিখ ঠিক করে কৌশলে ছনখোলায় স্থাপিত রহস্য ঘেরা জঙ্গী আস্তানায় নিয়ে আসে বলে জানা গেছে।

কে এই ইব্রাহিম আতিক ॥ মিয়ানমারের বুচিদং থানার তাম্যিংচং এলাকার বাসিন্দা আতিকুর রহমানের পুত্র মোঃ ইব্রাহিম। ১৯৯৪ সালে অন্য রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসে এদেশে। টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পের তালিকাভুক্ত শরণার্থী এই ইব্রাহিম। পরবর্তীতে হ্নীলা মুচনি ক্যাম্পে স্থানান্তর করা হয় এ রোহিঙ্গাকে। সেখান থেকে জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে হাত করে পালিয়ে যায় চট্টগ্রামে। ওই সময় নিজেকে এদেশের বাসিন্দা দাবি ও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বনসহ জামায়াত-বিএনপির কতিপয় নেতার সঙ্গে সখ্য গড়ে তুলেন তিনি। নিজের নামের সঙ্গে যুক্ত করা হয় তার পিতার নাম। মোঃ ইব্রাহিম থেকে লিপিবদ্ধ করা হয় ‘ইব্রাহিম আতিক’। সাধারণ রোহিঙ্গারা অভিযোগ করে বলেন, চিহ্নিত দুই জঙ্গী মৌলভী আবু ছালেহ ও ইব্রাহিম আতিকের জন্য আমাদের দুর্নাম হচ্ছে বিভিন্ন দফতরে। তারা আমাদের সেবার নামে বিদেশী অঢেল অর্থ এনে লুটেপুটে খাচ্ছে। কোরবানির ঈদ আসলে টোকেন নিয়ে মাংসের জন্য যেতে হয় জামায়াত নেতাদের কাছে। গেল কোরবানির ঈদে জঙ্গী আবু ছালেহ জেলা জামায়াতের রোকন শহিদুল আলম বাহাদুরকে সদর উপজেলা এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিলি বণ্টনের জন্য ৩০টি গরু দিয়েছে বলে জানা গেছে। ছনখোলার বাসিন্দাদের বশে রাখতে পাড়ায় পাড়ায় জবাই করে বণ্টন করা হয়েছে গরু মাংস। তবে জেলা জামায়াতের রোকন শহিদুল আলম বাহাদুর এ অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন।

আবু ছালেহ মিয়ানমার নাগরিক ॥ মৌলভী আবু ছালেহ মিয়ানমারের বুচিদং থানার উলাফ্যে এলাকার মীর আহমদের পুত্র। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসে এদেশে। আরাকান বিদ্রোহী গ্রুপ আরএসওর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে ত্যাগ করে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প। জোট সরকার ক্ষমতাসীন থাকার সময় প্রায় ৩ বছর ডুলাহাজারা বড় ছনখোলা পাহাড়ে আরএসওর ঘাঁটিতে ট্রেনিং নেন। পরবর্তীতে শহরের পাহাড়তলী এলাকায় বসতি গেড়ে বিএনপির এক নেতার সহযোগিতায় নিজের নাম লিপিবদ্ধ করে ভোটার তালিকায়। আরএসও ক্যাডারদের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে ওয়ামিতে। পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে একাধিকবার সফর করে আন্তর্জাতিক জঙ্গী সংস্থার সঙ্গে আঁতাত করে রোহিঙ্গাদের জামায়াতপন্থী বানাতে ছনখোলা গড়ে তুলছে একাধিক স্থাপনা।

সূত্র জানায়, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার এবং রোহিঙ্গাদের সেবা দানের কথা বলা হলেও সেখানে কমফু-কারাতেসহ রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়া হয়ে থাকে বলে অভিযোগ উঠেছে। আ’লীগের ওয়ার্ড কমিটির নেতার পরিচয়ে ওই যুবকের কাছে নাজেহাল হওয়ার ভয়ে স্থানীয়দের কেউ এ ব্যাপারে মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, কক্সবাজার সদর পিএমখালী ছনখোলা গ্রামটি পাহাড়ী জনপদ। এলাকাটি অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবেও পরিচিত। কালের পরিক্রমায় ওখানে রহস্যময় দালান গড়ছে রোহিঙ্গা জঙ্গীরা। স্থানীয়রা জানায়, ওই আস্তানায় মৌলানা আবু সালেহ ও তার বিদেশী সহযোগীরা গোপন বৈঠকে বসে প্রায় সময়। দেখা গেছে, এলাকার রাস্তার ধারে পাহাড় কেটে নির্মাণ করা হয়েছে মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানার নামে বহু স্থাপনা। এসব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে নির্মাণ করা হয়েছে চারদিকে পাকা দেয়ালে ঘেরা সুন্দর একটি বাড়ি। সামনে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন একটি পাকা গেট। এটি তালাবদ্ধ থাকে সব সময়। বিদেশী মেহমান এবং চিহ্নিত আরএসও জঙ্গীগোষ্ঠীর প্রথম সারির নেতা ব্যতীত কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে নিষেধ রয়েছে। সংবাদকর্মীদের বেলায় কড়াকড়ি আরোপ এবং ছবি তোলার কাজে জঙ্গীদের সহযোগী ওই যুবকের অনুমতির প্রয়োজন হয় বলে জানা গেছে। ছবি সংগ্রহ করে ফেরার পথে ইতোপূর্বে একাধিক সংবাদকর্মীকে তাদের ক্যামরার ছবি মুছে ফেলে এবং চরম নাজেহাল করার অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক জঙ্গীগোষ্ঠীর সঙ্গে আরএসওর প্রথম সারির নেতা রোহিঙ্গা আবু ছালেহ প্রকাশ ছালেহ আহমদের রয়েছে গভীর সম্পর্ক। কট্টরপন্থী মৌলবাদী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা ও ঘন ঘন বিদেশ সফর করে আন্তর্জাতিক জঙ্গীগোষ্ঠীর আর্থিক সহায়তায় পিএমখালীর পাহাড়ী জনপদে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বাহনায় রহস্যময় স্থাপনা নির্মাণ করে রোহিঙ্গা ছেলে মেয়েদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দেয়ার সুযোগ করে নিয়েছে। বিপুল টাকা খরচ করে বিদেশী মেহমানদের জন্য জঙ্গলের ভিতরে এত সুন্দর বাড়ি নির্মাণ করার রহস্য কি? হঠাৎ করে এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করার প্রয়োজনীয়তা কি? এদেশে নির্মাণকৃত এসব অট্টালিকার সুযোগ সুবিধা রোহিঙ্গারা কেন পাচ্ছে? এসব প্রশ্নের উত্তর জানা নেই স্থানীয় লোকজনের। তারা জানায়, ওয়ার্ড আ’লীগের ওই যুবক আবু ছালেহকে জমি দিয়ে ঐসব ঘর নির্মাণ কাজে সহায়তা করছে।