১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুষ্টিয়ায় দুই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার খোঁজ ৫ দিনেও মেলেনি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া, ২৫ আগস্ট ॥ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অন্তর্ধান রহস্য পাঁচ দিনেও উদ্ঘাটিত হয়নি। সন্ধানও মেলেনি দলটির সভাপতি আক্তারুজ্জামান লাবু ও সাধারণ সম্পাদক কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহসভাপতি শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজের। গত ২০ আগস্ট গভীর রাতে গাজীপুরের একটি রিসোর্ট থেকে তাদের উঠিয়ে নিয়ে যায় র‌্যাব। সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করে পরদিন সকাল ও বিকেলে পৃথকভাবে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন সবুজ ও লাবুর পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে সবুজের মা শাহিদা খাতুন ও স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস জিনিয়া অভিযোগ করে বলেন, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট থেকে ওই রিসোর্টের মালিক মনিরুজ্জামান মনিরসহ তিনজনকে র‌্যাব তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই সবুজ ও লাবুর আর কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। অবশ্য রিসোর্ট মালিক মনিরকে পরে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে সাংবাদিকদের কাছে র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ওই দুই নেতাকে আটকের কথা বরাবরই অস্বীকার করা হয়েছে। র‌্যাব দাবি করেছে, তারা লাবু ও সবুজ নামের কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করেনি। এদিকে সবুজের প্রাণ রক্ষায় তৎপর হয়ে ওঠে তার পরিবার। তারা কুষ্টিয়ায় সংবাদ সম্মেলন করেই ছুটে যান ঢাকায়। সেখানে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ ও তাদের প্রাণভিক্ষায় ধর্ণা দিয়েও ব্যর্থ হন তারা। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ওই দুই নেতার কোন সন্ধান মেলেনি। ঢাকা থেকে ফিরে গত ২৩ আগস্ট বিকেলে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে পুনরায় সংবাদ সম্মেলন করে সবুজের পরিবার। এ সময় সবুজ ও লাবুকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা। ড্রিম স্কয়ার রিসোর্টের ম্যানেজার শিমুল সাংবাদিকদের জানান, ২০ আগস্ট ভোরে র‌্যাব সদস্যরা ওই রিসোর্টের প্রধান ফটকের গ্রিল কেটে সেখানকার নৈশপ্রহরীদের বেঁধে ফেলে। পরে তিন নৈশপ্রহরীকে সঙ্গে নিয়ে র‌্যাবের একটি টিম নিজ বাড়ি থেকে রিসোর্টের মালিক মনিরুজ্জামান মনিরকে আটক করে এবং মনিরকে সঙ্গে নিয়েই রিসোর্টে অভিযান চালায়। এ সময় তারা কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আখতারুজ্জামান লাবু এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ সাজ্জাদ হোসেন সবুজকে তুলে নিয়ে যায়।

লক্ষ্মীপুরে ভোলা-বরিশাল ফেরি চলাচল বন্ধ, ভোগান্তি

নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর, ২৫ আগস্ট ॥ লক্ষ্মীপুরে ভোলা-বরিশাল ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রী ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ফলে এ রুটে চলাচলকারী শত শত যানবাহন লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীহাট ফেরিঘাটে আটকা পড়েছে। চার দিন পূর্বে মেঘনার প্রচ- জোয়ারের তোড়ে ভোলার ইলিশা ঘাটটি ভেঙ্গে যাওয়ায় লক্ষ্মীপুর মজুচৌধুরীহাট থেকে রাতেই ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

প্রতিদিন এ রুটে দক্ষিণাঞ্চল থেকে হাজার হাজার যাত্রী ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ২৩টি জেলায় যাতায়াত করছে। ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সদর উপজেলার মজুচৌধুরী ফেরিঘাটে যাত্রী ও মালবাহী শত শত যানবাহন আটকা পড়ে। এতে নারী পুরুষ ও শিশুসহ যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। মাত্র দু’দিন পূর্বে পনেরো দিন বন্ধ থাকার পর ফেরি চলাচলের পর পুনরায় বন্ধ হয়ে গেল। ভোলা-বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলে নারী, পুরুষ শিশুসহ সাধারণ যাত্রীরা প্রয়োজনের তাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেঘনার মোহনা পাড়ি দিচ্ছে, ইঞ্জিনচালিত ছোট ছোট ডিঙ্গি নৌকা ও ট্রলারে। সরকারীভাবে এ রুটে অনুমোদনবিহীন মেঘনা মোহনায় ডেঞ্জার জোন হিসেবে মার্চ মাস থেকে নবেম্বর মাস পর্যন্ত এমনিতেই নৌচলাচল নিষিদ্ধ রয়েছে।