২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজ থেকে পলি অপসারণ শুরু করবে পদ্মা সেতুর ড্রেজার

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ পাঁচদিন ধরে নাব্য সঙ্কটে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি ফেরি চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। এদিকে এই নৌরুট খুলে দিতে আপতত ২/৩ লাখ ঘনমিটার পলি অপসারণ করতে হবে। পদ্মা সেতুর দুটি বড় আকারের ড্রেজার এই পলি অপসারণে আজ বুধবার থেকে কাজ শুরু করবে। এক সপ্তাহের মধ্যে পদ্মার তলদেশের এই পলিমাটি অপসারণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার দিনভর যৌথ জরিপ শেষে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। পদ্মা সেতুর নদী শাসনের চায়না ঠিকাদার সিনো হাইড্রো কোম্পানির প্রতিনিধি ছাড়াও চাইনিজ বিশেষজ্ঞ সার্ভেয়ার মি এন্টোনি, বিআইডব্লিউটিএর তত্ত্বাধাবয়ক প্রকৌশলী আইয়ব আলী, বিআইডব্লিউটির উপ-পরিচালক (হাইড্রো গ্রাফি) আব্দুর রউফ, সহকারী পরিচালক মুস্তাফিক, সহকারী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন ও সিজিইআইএসের বিশেষজ্ঞ কামাল হোসেন এবং পদ্মা সেতুর কর্মকর্তাসহ ১২ জনের একটি দল এই জরিপ চালায়। বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ড্রেজিং) মোঃ সুলতান উদ্দিন আহমেদ খান এই তথ্য দিয়ে জানান, পুরো নৌরুটে ২২ লাখ ঘন ফুট পলিমাটি অপসারণ করতে হবে। তবে যেখানে মূল সমস্যা সেই লৌহজং টার্নিংয়ে প্রায় ২/৩ লাখ ঘনফুট মাটি আপতত অপসারণ করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এতে ৫/৭ দিনের মধ্যেই নাব্যতা সঙ্কট সমাধান হবে।

এদিকে, দেশের প্রধান এই ফেরি সার্ভিসে বহু পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব। মঙ্গলবার সকালে দু’প্রান্তে এখনও সাড়ে ৪শ’ যান আটকা ছিল। এই রুটে নতুন করে আসা গাড়ির সংখ্যাও কম। এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক শেখর চন্দ্র রায় জানান, ফেরি ‘কুসুমকলি’ ও ‘ক্যামেলিয়া’ নামের দুটি কে-টাইপ ফেরি জোয়ারের সময় কোন রকমে টিপ দিচ্ছে। মঙ্গলবার সারাদিনে ফেরি দুটি মাত্র ৩টি ট্রিপ দিয়েছে। যেখানে আগে দেশের এই গুরুত্বপূর্ণ রুটে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ টি টিপ হতো। বাকি ১৬টি ফেরিই অলস বসে আছে।