১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী, ২৬ আগস্ট ॥ পটুয়াখালীর কমলাপুরের ক্রোকমহল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করেছে। গত ৪ মাস আগে জোর পূর্বক ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করায় মেয়েটি অন্ত:সত্ত্বা হয়ে পড়ে। বুধবার বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার ওই শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণের ফলে সে অন্ত:স্বত্তা হয়ে পড়ে। গত মঙ্গলবার গর্ভপাত ঘটানোর জন্য আনোয়ার ওই ছাত্রীকে নিয়ে পটুয়াখালী শহরে যায়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে মেয়ের বাবাসহ এলাকার গণ্যমান্য লোকজন তাদের পটুয়াখালী শহর থেকে ধরে নিয়ে আসে। বিষয়টি জানানো হয় সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে। এ ঘটনার তদন্তে বুধবার দুজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এলাকায় আসেন। স্থানীয় লোকজন তাদের কাছে আনোয়ার কর্তৃক শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগ দেন। পরে সদর থানা পুলিশ ধর্ষক আনোয়ার ও ওই ছাত্রী এবং ছাত্রীর বাবাকে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আলাউদ্দিন মৃধা বলেন, ‘সবাই যেহেতু বলছে ঘটনা না ঘটলে এমনটি হতো না। এখন মেডিক্যাল পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ পাওয়া গেলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।’ স্থানীয় ইউপি সদস্য মোতালেব মৃধা বলেন, সব সত্য। এখন বিচার হওয়া উচিত। স্কুলে উপস্থিত দুজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এসেছি বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানতে। আমরা এখান থেকে যা জানাব তা উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পর তারা পরর্বতী ব্যবস্থা নেবেন।’

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার পুলিশ জানায় ‘অভিযুক্ত শিক্ষক, নির্যাতিত ছাত্রী ও তার অভিভাবকদের থানায় নিয়ে আসা হয়েছে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থ নেয়া হচ্ছে।

অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ওরফে আনোয়ার মৃধা বলেন, ‘আমি ষড়যন্ত্রের শিকার। স্কুল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই ষড়যন্ত্র। ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণ হবে সেসব ষড়যন্ত্র।