২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অর্ধযুগ পর ইংল্যান্ডে খেলবে পাকিস্তান

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ দীর্ঘ ছয় বছর পর ইংল্যান্ড সফর করতে যাচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। বিষয়টা বেশি করে আলোচনায় আসার কারণ ২০১০ সালের সেই স্পট-ফিক্সিং কলঙ্কের পর দেশটিতে আর পা রাখার সুযোগ হয়নি পাকিদের। একটা সময় আমিরাতের পাশাপাশি পাকিস্তান-ভারত সিরিজ আয়োজনে আগ্রহী ছিল কুলিন ইংলিশরা। কিন্তু আলোচিত ওই ফিক্সিং-কা-ে ভেঙ্গে পড়ে আস্থা। অবশেষে অর্ধযুগে জোড়া লাগতে যাচ্ছে সেই সম্পর্ক। আগামী বছর পাকিস্তানকে আতিথ্য দিতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের সূচী ঘোষণা করেছে ইংল্যন্ড এ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। চার টেস্ট, পাঁচ ওয়ানডে ও একটি টি২০ ম্যাচের দিপক্ষীয় লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে দুই দল।

২০১৬ সালের ২৯ জুন ইংল্যাল্ডের মাটিতে পা রাখবে পাকিস্তান। ১৪ জুলাই লর্ডসে শুরু চার ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ঐতিহাসিক এই ভেন্যুতেই পাঁচ বছর আগে স্পট-ফিক্সিং কলঙ্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন সে সময়ের পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান বাট এবং সতীর্থ দুই পেসার মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২২ জুলাই দ্বিতীয়, এজবাস্টনে ৩ আগস্ট তৃতীয় এবং ওভালে ১১ আগস্ট শুরু হবে চতুর্থ ও শেষ টেস্ট। অবশ্য পাকিস্তানের আগেই শ্রীলঙ্কাকে আতিথ্য দেবে ইংলিশরা। ৪ মে ইংল্যান্ডে পৌঁছবে লঙ্কানরা। ১৯ মে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট হেডিংলিতে। চেস্টার-লি-স্ট্রিট ও লর্ডসে বাকি দুই টেস্ট যথাক্রমে ২৭ মে ও ৯ জুন। পাঁচ ওয়ানডে ২১, ২৪, ২৬, ২৯ জুন ও ২ জুলাই। একমাত্র টি২০ ৫ জুলাই। তার আগে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ১৬ ও ১৮ জুলাই দুটি ওয়ানডে খেলবে এ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের দল। কোন দলের ইংল্যান্ড সফরে আইরিশদের সঙ্গে খেলাটা যেন এখন অঘোষিত রীতিতে পরিণত হয়েছে।

আয়ারল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে আজ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ইংল্যান্ড সফরে এ্যাশেজ ট্রফি খুইয়ে হতাশ অস্ট্রেলিয়া নিজেদের ওয়ানডে শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছে আজই। বেলফাস্টে এক ম্যাচের একদিবসীয় লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড। সোমবার আইরিশদের সঙ্গে একমাত্র টি২০ খেলবে অসিরা। এরপরই আসল লড়াই। সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া প্রথম ওয়ানডে ৩ সেপ্টেম্বর। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের বাকি চার ওয়ানডে যথাক্রমে- ৫, ৮, ১১ ও ১৩ সেপ্টেম্বর। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া এবার এক টেস্ট বাকি থাকতেই এ্যাশেজ সিরিজ খোয়ায়। যদিও শেষ টেস্ট জিতে সফরকারীরা ব্যবধান কমিয়ে (২-৩) আনে। ওয়ানডে সিরিজটা তাই স্টিভেন স্মিথদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।