২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২ কোটি টাকা হাতিয়েও বহাল তবিয়তে অগ্রণী মাল্টিপারপাস

  • দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন লগ্নিকারীরা

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ আমানতকারী ও সদস্যদের ২ কোটি টাকা আত্মসাত করা যশোরের অগ্রণী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেডের প্রতারক চক্র এখনও আটক হয়নি। লাখে ১ হাজার ৮শ’ টাকা লাভ দেয়ার নামে এ অঞ্চলের দুই শতাধিক মানুষকে পথে বসানো প্রতারক চক্রটি বহাল তবিয়তে রয়েছে। আশায় বুক বেঁধে এখনও দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন লগ্নিকারীরা।

আড়াই বছর আগে যশোরের বস্তাপট্টি থেকে রাতের আঁধারে তারা অফিস গুটিয়ে গা-ঢাকা দেয়। শতাধিক আমনতকারী ও মোটা অংকের লগ্নিকারীরা ইব্রাহিম গংয়ের আটক দাবি করেছেন। তিন বছর আগে রাজারহাট এলাকার শফিউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহীম হোসেন, চাঁচড়া এলাকার মুজিবর রহমান, উপশহরের নাজমুল হোসেন সুমনসহ কয়েকজনের একটি প্রতারক চক্র অগ্রণী মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান খোলে যশোরের বস্তাপট্টিতে। জেলা সমবায় অফিসারের কাছে প্রতারণামূলক একটি কমিটি তৈরি করে কাগজ জমা দেয়। তাদের ম্যানেজ করে অনুমোদন নিয়ে অগ্রণী মাল্টিপারপাসের সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে লোক নিয়োগের নামে সাতজনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর পাঁচজন পিয়ন নিয়োগের নামে মাথাপিছু হাতিয়ে নেয় ৫০ হাজার টাকা করে। এছাড়া কিছু মাঠকর্মী নিয়োগের নামে হাতিয়ে নেয় আরও ১০ লক্ষাধিক টাকা। এরপর ওই সব মাঠকর্মী ও অফিসার নামধারী স্টাফদের মাঠে ছেড়ে সংগ্রহ করে আমানতকারী ও সদস্য। ওই সময় প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। হঠাৎ ছয় মাসের মাথায় লাপাত্তা হয়ে যায় অগ্রণী মাল্টিপারপাস। প্রতারণার শিকার লগ্নিকারীরা এখন পথে পথে ঘুরছে। এ ব্যাপারে ওই সময় কয়েক দফা পুলিশ প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন লগ্নিকারীরা।

ট্রেড লাইসেন্স ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে খুলনা নগর ভবন ঘেরাও

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্রুপ ও ব্যবসায়ীরা বুধবার বেলা ১১টায় নগর ভবন ঘেরাও করেছে। খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) এলাকায় সকল শ্রেণীর ট্রেড লাইসেন্স ফি অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধির প্রতিবাদে এ কর্মসূচী পালন করা হয়। এ সময় বর্ধিত ট্রেড লাইসেন্স ফি বাতিলের দাবিতে মেয়র বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

কর্মসূচী চলাকালে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব ও খুলনা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মালিক গ্রুপের সাবেক মহাসচিব ওয়াহিদুজ্জামান খান পল্টু, ব্যবসায়ী নেতা এসএম আকবর হোসেন, মোঃ আব্দুল গফ্ফার, মোঃ আসাদুজ্জামান, কাজী গোলাম ফারুক, নুরুল ইসলাম খান কালু, মোঃ হাফিজুল ইসলাম চন্দন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কেসিসি এলাকায় ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স নবায়ন করতে আগে যেখানে এক হাজার টাকা পরিশোধ করতে হতো বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ৬ হাজার ৯০০ টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। অথচ ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর সিটি কর্পোশেন ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন আগের ট্রেড লাইসেন্স ফি বহাল রেখেছে।