১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নগরপিতাদের কাছে ডে-কেয়ার সেন্টার চাইলেন গর্ভনর

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ রাজধানীর সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়রদের (নগর পিতা) কাছে ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর ড. আতিউর রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর উদ্যোগে স্থাপিত শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের ‘খেলাঘর’ উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। গর্ভনর বলেন, আমাদের নগর পিতা যদি নারী হতেন তাহলে আরও অনেক আগেই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র চালু করা হতো। যেহেতু আমাদের দুইজন মেয়রই পুরুষ। তাই আমি আশা করবো নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডে-কেয়ার সেন্টার চালু করার ব্যবস্থা করবেন। তিনি বলেন, নাগরিক জীবনে একক পরিবারের অনেক শিক্ষিত মা সন্তানের কথা ভেবে চাকরী করতে পারছেন না। সন্তান পালনের জন্যই চাকুরী করার ইচ্ছার বিকাশ

ঘটে না। ডে-কেয়ার সেন্টারের অভাবে চাকুরী ছেড়ে দিচ্ছেন অনেক মা। আতিউর রহমান বলেন, দেশের উন্নয়নে পুরুষের সমান নারীর অংশ গ্রহন নিশ্চিত হয় না অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশ গ্রহন নিশ্চিত না হওয়ার কারণে। কারণ একজন মা তার সন্তানকে নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চয়তা না পেলে বাইরে যেতে চায় না। সোনালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক সরদার নুরুল আমিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমান, সোনালীম জনতা, অগ্রনী, রূপালী ও বেসিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। রাজধানীর দিলকুশায় আল আমিন সেন্টারে এই কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। এতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তাদের ৬মাস থেকে ৮বছর বয়সী ৬৫জন শিশু সন্তানকে রাখা যাবে। চাহিদা বাড়লে পরিসর আরও বাড়ানো হবে।

ডে কেয়ার সেন্টারে মাতৃ স্নেহে লালন-পালন, সুষম খাবার, ইপিআই টিকা, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা, খেলাধুলা, বিনোদন, শিষ্টাচার, পরিবেশ-স্বাস্থ্য সর্ম্পকিত জ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ঐতিহ্য সর্ম্পকে ধারণা দেওয়া হবে। শিশুদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিচালনা ব্যয়ের ৭০শতাংশ প্রদান করবে ব্যাংকগুলো। বাকি ৩০শতাংশ দিতে হবে অভিবাবকদের।