২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায় জিয়া জড়িত ছিলেন॥ আমু

জবি সংবাদদাতা॥ শিল্পমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু বলেছেন, ১৫ আগষ্ট বঙ্গবন্ধুসহ তার পরিবারকে হত্যার ঘটনায় জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন। সেটা বার বার প্রমান করছেন খালেদা জিয়া। জিয়উর রহমান ক্ষমতায় এসে রাজনীতির যে ধারা প্রবর্তন করেছিলেন, সে ধারা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এবং দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিনত করতে স্বচেষ্ট রয়েছেন। ১৫ আগষ্ট তার (খালেদা জিয়ার) জন্মদিন নয়। ওই দিন পূর্ব পাকিস্তানের পুর্নজন্ম হয়েছিলো। বৃহস্পতিবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নীলদলের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খন্দকার মোসতাক ও জিয়াউর রহমান চিহ্নিত রাজাকারদের নিয়ে এ দেশে পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র কায়েম করেছিলেন। সাড়ে ১৩ হাজার যুদ্ধপরাধী কারাবন্দীকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এবং জাতীয় বেঈমানদের নিয়ে মন্ত্রীসভা গঠন করেছিলেন। আর খালেদা জিয়া সেই সকল জাতীয় বেঈমান জামায়াত নেতাদের মন্ত্রীত্ব দিয়ে জিয়াউর রহমানের পথেই হাঁটছেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বঙ্গবন্ধর রক্ত সঠিক ভাবে প্রবাহিত হচ্ছে। ২১ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার পরিকল্পনা করেও স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি ব্যর্থ হয়েছেন। সেই ষড়যন্ত্র এখনও চলছে। তাই আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদেরকে সতর্ক ভাবেই এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এখন ভারতের চেয়ে এগিয়ে। এদেশে এখন দুর্ভিক্ষ নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভারত এবং মিয়ানমার থেকে সমুদ্রসীমা বের করে বাংলাদেশের মানচিত্র পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতিচারন করে তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (সাবেক জগন্নাথ কলেজ) থেকে ছাত্ররা মিছিল নিয়ে না গেলে আন্দোলন জোরদার হতো না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই ছিল আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা স্বাধীনতার বিরোধী ছিলো। এদেরকেই খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা শমসের মুবিন চৌধুরী এবং খন্দকার মোসতাক পাসপোর্ট ও ভিসা দিয়ে লিবিয়া পাঠিয়েছিলেন। নীলদলের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক ড. এ কে এম লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ট্রেজারার অধ্যাপক মো. সেলিম ভূঁইয়া, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ড. মনিরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন, সাবেক সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুদ্দিন, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলামসহ প্রমুখ।