২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

মাকড়সা থেকে ভায়াগ্রা!

বিষাক্ত মাকড়সা ‘লাভ বাইট’ খেলে মৃত্যুই নিশ্চিত ঠিকানা। কিন্তু, সেই বিষধর মাকড়সা লাভ বাইটেই ‘অমৃতকুম্ভ’-এর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা! যার জন্য হা-পিত্যেশ করেন দুনিয়ার অনেক পুরুষ। হ্যাঁ, বলছি যৌনবর্ধক ওষুধ ভায়াগ্রার কথাই। আর ‘ভায়াগ্রা’র প্রাকৃতিক ‘ধাত্রীঘর’ ব্রাজিলিয়ান এই মাকড়সা!

মিনাসের ফেডারাল ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলেছেন, বিষাক্ত মাকড়সার বিষ থেকে সংগৃহীত ভায়াগ্রায় টানা চার ঘণ্টা ইরেকশন থাকবে। তবে, কেউ যেচে লাভ বাইট মাকড়সার কামড় খেলে, মৃত্যু যে অবধারিত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মরতে লাগবে মাত্র দু-ঘণ্টা। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা ব্রাজিলিয়ান এই মাকড়সার বিষ থেকে বিশেষ এক যৌগ বের করতে সক্ষম হন। নাম চহঞী২-৬। ইঁদুরের শরীরে তা পরীক্ষা করে, বিস্মিত হন গবেষকরা। একেবারে ভায়াগ্রা এফেক্ট। যদিও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করেন। ইরেকশনে সহায়ক হলেও, তাঁরা দেখেন হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের এটি ক্ষতি করে। পরবর্তী পর্যায়ে সেই চহঞী২-৬-কে আরও পরিশুদ্ধ করে, তাঁরা তৈরি করেন চহচচ-১৯। যার কোন সাইড এফেক্টও নেই।

পাত্রপক্ষের দাবি নগ্ন সেলফি!

দামী কোন যৌতুক নয়, দাবি কেবল একটা নগ্ন সেলফির। হবু বর জিতেন্দ্র রামকৃষ্ণ এমনটাই দাবি করেছিলেন পাত্রীপক্ষের কাছে। শেষমেশ অবশ্য না সেলফি, না কানাকড়ি, পুলিশের হাতকড়া ওঠে পাত্র সমেত গোটা পরিবারের হাতে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রে। ৩৩ বছর বয়সী জিতেন্দ্র বিয়ের কথা চূড়ান্ত হওয়ার পর থেকেই পাত্রীর কাছে একটি নগ্ন সেলফির দাবি করে। পাত্রী কিছুতেই হবু বরের এ প্রস্তাবে রাজি না হলে অন্য পথ দেখেন জিতেন্দ্র। বার বার জিতেন্দ্র জানাতে থাকে, তার দাবি পূরণ হলেই কেবল সে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে রাজি। পাত্রপক্ষের এমন ব্যবহারে পাত্রীপক্ষ বিয়ে ভেঙ্গে দেন। এতে সন্তুষ্ট নয় পাত্রীপক্ষ। নগ্ন সেলফি চাওয়ার অভিযোগে পাত্র ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন পাত্রীপক্ষ। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে জিতেন্দ্রসহ তার পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতারও করে পুলিশ।

পেঁয়াজি রসিকতায় নাকাল আড়তদার!

বাজারে পেঁয়াজের দামে আগুন। দামের আঁচে তিষ্টানো দায়। পেঁয়াজের ঝাঁজে বাজারে নাকাল গৃহকর্তা ও গৃহে গৃহিণী। এমন পরিস্থিতিতে পেঁয়াজ নিয়ে রসিকতা যে কত ঝাঁজালো তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন কলকাতার আড়তদার অনীক বর্মণ।

মাস দেড়েক আগে সংবাদপত্রে নিজের দেয়া এক বিজ্ঞাপনেই দুর্বিষহ আড়তদারের জীবন। ওই বিজ্ঞাপনে দেখা যায়, বিজ্ঞাপনদাতা জানাচ্ছেন, তিনি পেঁয়াজের আড়তদার। ছেলের জন্য পাত্রী চাই। তাঁর মোবাইল নম্বরও সেখানে ছিল।

পরিচিতি ও ফোন নম্বরসহ বিজ্ঞাপনটির বয়ান সামান্য পাল্টে কেউ সেটি সোশ্যাল মিডিয়ায় চালান করে দেয়। এরপরই শুরু হয় এই পেঁয়াজকেন্দ্রিক রঙ্গ-রসিকতার দাবানল। আগে থেকেই সোনার আংটির মাথায় পেঁয়াজ বসানো কিংবা স্বামী আহ্লাদ করে স্ত্রীর গলায় পেঁয়াজের হার পরাচ্ছেনÑ সোশ্যাল মিডিয়ার ভাণ্ডারে এমন চিত্র ভিডিও-র ছড়াছড়ি ছিলই।

সম্প্রতি দুষ্টু সামাজিক যোগাযোগ সাইট ব্যবহারকারীরা অনীকের ওই বিজ্ঞাপন বিকৃত করে ‘মেয়ে’কে ছেলে আর ‘পাত্র’কে পাত্রী করে আপলোড করে দেয় ফেসবুক, হোয়াটসএ্যাপে। সেই থেকে আড়তদার অনীকের ফোনে কলের পর কল। ‘অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছি মশাই। একে তো পেঁয়াজ নিয়ে ব্যবসার ঝামেলা। তার উপরে সকাল থেকে শুধু ফোন আর ফোন! কোন কাজ করতে পারছি না।’ স্থানীয় সংবাদমাধ্যকে আক্ষেপের সঙ্গে জানান অনীক বর্মণ।