২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অনুশীলনে যোগ দিলেন সাকিব

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ কথা ছিল মাসব্যাপী ‘এলিট প্লেয়ার্স কন্ডিশনিং ক্যাম্প’ হবে। কিন্তু শুধু ফিটনেস ধরে রাখা বা ফিটনেস ফিরে পাওয়ার অনুশীলনই নয়, হচ্ছে ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলনও। ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়েন দেখছেন ফিটনেস দিকটা আর ক্রিকেটাররা নিজেরাই করে চলেছেন ব্যাটিং-বোলিং অনুশীলন। বোলাররা যেমন ব্যাটিং প্র্যাকটিস করছেন, তেমনি ব্যাটসম্যানরাও ব্যাটিং প্র্যাকটিস করে চলেছেন। বিশেষ করে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা। ঠিক তেমনি বোলাররা বোলিং অনুশীলনও করছেন। বৃহস্পতিবারও নেটে যেমন দীর্ঘক্ষণ ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন মুশফিকুর রহীম, মুমিনুল হক ও ইমরুল কায়েস। ছুটি শেষে অনুশীলনে সাকিবও যোগ দিয়েছেন।

ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা তাসকিন আহমেদ, আল আমিন হোসেন, স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন ও সোহাগ গাজী বল করে গেছেন। আর মুশফিক, মুমিনুল তাদের বলগুলো সামলেছেন। ব্যাটিং প্র্যাকটিসটা ভালভাবেই সেরে নিচ্ছেন। আর একাডেমি মাঠের নেটে বোলারদের ছুড়ে মারা বলগুলো সামলেছেন ইমরুল। বাকিরা রানিং করেন। বিসিবির জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান ফারুক আহমেদ এ অনুশীলন ক্যাম্প নিয়ে বলেছেন, ‘এটা আমাদের টেস্ট টিম না। জাতীয় দলে যেসব খেলোয়াড় আছে তাদের নিয়েই প্রস্তুতিমূলক একটা ক্যাম্প করা হয়েছে। সামনে আমাদের লম্বা একটা গ্যাপ রয়েছে, এই সময়ের মধ্যে আমরা ক্যাম্প করে খেলোয়াড়দের প্রস্তুত করছি। আমরা চেষ্টা করছি এই সময়ের মধ্যে এটা সমাধান করতে। এ জন্যই মূলত আমাদের এই ক্যাম্পটার আয়োজন। এছাড়া আপনি জানেন যে আমাদের যে এইচপি আছে, সেখানেও অনেক খেলায়াড় আছে।’

ফারুক আরও জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে আমাদের সিরিজ শুরু হবে। তারপর চট্টগ্রামে টেস্ট আছে। সেটা মাথায় রেখেই আমাদের এই ক্যাম্পটা করা। আগামী মাসের ছয়/সাত তারিখের মধ্যে প্রধান কোচ ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরবেন। তারপর আমরা কোচের সঙ্গে আলোচনা করে যাদের টেস্ট দলের জন্য পারফেক্ট মনে হবে, তাদের নিয়ে একটা দল গঠন করব।’

‘এ’ টিমটা কি এই ক্যাম্প থেকেই গঠন করা হবে? ফারুক জানালেন, ‘এখান থেকে না। হাইপারফর্মেন্স একটা ইউনিট আছে। যেখানে অনেক খেলোয়াড় আছে, তারা অনেকদিন ধরেই প্রস্তুত হচ্ছে। সব মিলিয়ে আমরা ভাল একটা ‘এ’ টিম করার চেষ্টা করব। দক্ষিণ আফ্রিকা এবং জিম্বাবুইয়ের সঙ্গে চারদিনের এবং একদিনের এই দুইটা ফর্মেটেই খেলা হবে। এই জিনিসগুলো মাথায় রেখেই আমরা চেষ্টা করব বেস্ট পসিবল একটা ‘এ’ টিম গঠন করতে। বাংলাদেশ জাতীয় দল এখন চমৎকার খেলছে। আগে একটা সময় ছিল আমাদের জাতীয় দল থেকে প্রচুর খেলোয়াড় নিয়ে ‘এ’ টিম বানাতে হতো। এখন আমাদের অনেক খেলোয়াড় আছে। পরিপূর্ণ ‘এ’ দল করার জন্য। সত্যিকারের ‘এ’ দল তৈরির জন্য আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। জাতীয় দলের ব্যাকআপ দেয়ার জন্য সত্যিকারের একটা ‘এ’ দল গঠন করব।’

অস্ট্রেলিয়া সিরিজের আগে হবে জাতীয় লীগ। সেই লীগে খেলা বাধ্যতামূলক কি না? প্রধান নির্বাচক জানালেন, ‘আসলে বাধ্যতামূলক বলতে কিছু নেই। আমাদের যে জাতীয় লীগটা আছে এটা মূলত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখেই করা হয়েছে। যাতে এই লংগার ভার্সন ক্রিকেট খেলে খেলোয়াড়রা নিজেদের প্রস্তুত করতে পারে। প্রত্যেক খেলোয়াড়ই জানে প্রস্তুতির জন্য ম্যাচ প্রাকটিস কতটা জরুরী। আপনি যতই প্র্যাকটিস বা ফিটনেস করেন না কেন, ম্যাচ প্রাকটিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেটা মাথায় রেখেই আমরা চিন্তা করছি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে হোম সিরিজের আগে লংগার ভার্সনের দুইটা ম্যাচ খেলার জন্য। এখানে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের খেলার সম্ভবনা রয়েছে।’