২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফ্যাশনেবল হ্যাট এ্যান্ড ক্যাপ তৌফিক অপু

বৃষ্টি ঝরা দিন পেরিয়ে প্রকৃতিতে বইছে শরতের হাওয়া। বৃষ্টির প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও এখনও ঝুপ ঝাপ করে নেমে পড়ছে বৃষ্টি। আবার পরোক্ষণেই রোদ এসে ভেজা পথ ঘাট শুকিয়ে নিচ্ছে। এমন আলো আধারের খেলা চলছে এখন। তবে রোদের প্রখরতাই যেন এখন বেশি অনুভূত হচ্ছে। যার ফলে বিরাজ করছে ভ্যাপসা গরম। পথ ঘাটের ধুলোর ছটা যেন জানান দিচ্ছে শুষ্ক আবহাওয়া সমাগত। আর এ আবহাওয়া মোকাবেলার প্রস্তুতি চলছে এখন থেকেই। মানুষ এখন ফ্যাশন সচেতন। চুল থেকে শুরু করে পায়ের নখ পর্যন্ত এখন ফ্যাশনের আওতায়। পোশাক এবং শরীরের যত্ম-আত্মির ব্যাপারে মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন। তাই বলে কাজ কর্ম বাদ দিয়ে এসবের পেছনে ছুটতে তাও কিন্তু নয়। যে রাধে সে চুলও বাধে অনেকটা এমন পরিস্থিতিতেই মানুষ তার দিন কাটাচ্ছে। সবদিকে সমান নজর সমান তালেই চলতে হচ্ছে। তা না হলে গ্লোবালাইজেশনের এ যুগে যে পিছিয়ে পরতে হবে। আর এ কারনেই শুস্ক মৌসুম শুরু হবার আগেই যেন চলছে তার প্রস্তুতি।

কাজের তাগিদে প্রতিনিয়ত পথ চলতে হয়। আর দৈনন্দিন এ পথ চলায় ধুরো-বালি যেন অনেকটাই বাধ সাধে। দিন শেষে চেহার কিংবা চুলের দিকে তাকালে যেন তা টের পাওয়া যায়। বিশেষ করে চুলের সমস্য টা দারুণ ভাবে ভোগায়। আর এ ধুলো থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই ক্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। ক্যাম্পাস কিংবা কর্মক্ষেত্র যেখানে যাওয়ার জন্য আজকাল অনেকেই ক্যাপ ব্যবহার করছে। সে তাগিদ থেকে ক্যাপের ভেরিয়েশনও দিন দিন নজড় কাড়ছে। ইদানিং ক্যাপের সঙ্গে অবশ্য কিছু হ্যাটও যোগ হয়েছে যা বেশ ফ্যাশনেবল এবং যুগোপোযুগী। হ্যাট বলতে আগে যে বিশালকার রাউন্ড শেপের ক্যাপ কে বোঝানো হতো, সে ধারনা অতীত হয়েছে আগেই। এখন সহজে বহনযোগ্য নানা প্যাটার্ণের হ্যাট ফ্যাশন হাউসগুলোতে শোভা পাচ্ছে। বিশেষ করে বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, রাপা প্লাজা, সিটি হার্ট, পলওয়েল এবং সীমান্তু স্কয়ারে মিলবে ফ্যাশনেবল ক্যাপ এবং হ্যাট। দামও হাতের নাগালে একেকটি ক্যাপ ২০০ টাকা থেকে ১৪৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাবে। এবং হ্যাটগুলো মিলবে ৩৫০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে। বিভিন্ন শেপ এবং ডিজাইনের ক্যাপ কিংবা হ্যাটগুলো যে কোন বয়সের সঙ্গে মাননসই। আর এ কারনেই শুষ্ক মৌসুমের আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সবার নজর এখন ক্যাপ এবং হ্যাটের দিকে।

ছবি : বুলবুৃল আহমেদ

মডেল : নিহারীকা, সেলিম, রুবেল, রাসেল ও আদর

কোরিওগ্রাফি : সুজন হাবিব