২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শ্রদ্ধা ভালবাসায় সিক্ত কাজী জাফর, মরদেহ গুলশানের বাসভবনে

স্টাফ রিপোর্টার ॥ হাজারো মানুষের শ্রদ্ধা ভালবাসায় সিক্ত হলেন জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ কাজী জাফর আহমেদ। শুক্রবার ছুটির দিনে টঙ্গী, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা, বায়তুল মোকাররম মসজিদসহ চারদফা জানাজা শেষে তাঁর লাশ রাখা হয়েছে গুলশানের নিজ বাসভবনে। পৃথক-পৃথক জানাজায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহকর্মী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। কেউ কেউ পথ চলার সাথীকে হারিয়ে নীরবে চোখের জল ফেলেছেন। আজ শনিবার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বর্ষিয়ান এই রাজনীতিকের লাশ দাফন করা হতে পারে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধা কাজী জাফরের লাশ জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে জাতীয় কবরস্থানে দাফনের জন্য সরকারের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করার কথা জানা গেছে।

প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত সহকারী গোলাম মোস্তফা জানান, শনিবার বেলা ১১টায় কুমিল্লা টাউন হল মাঠে, জোহরের পর চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠে এবং আসরের পর চিওড়া কলেজ মাঠে জানাজা হবে। ছোট মেয়ে কাজী রুনা অস্ট্রেলিয়া থেকে ফেরার পর দাফনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। শুক্রবার মধ্যরাতে কাজী রুনার ফেরার কথা। চিওড়ায় গ্রামের বাড়িতে বাবা-মায়ের কবরের পাশে কাজী জাফরকে দাফন করা হতে পারে বলে এর আগে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। পারিবারিক সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে তার লাশ দাফনের জন্য সরকারের অনুমতির অপেক্ষা করা হবে। না পেলে চৌদ্দগ্রামে দাফন করা হবে।

সকাল ৮টায় টঙ্গীর এজতেমা মাঠে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই টঙ্গী এলাকার শত শত মানুষ এজতেমা মাঠের উত্তর পাশের ছাপড়া মসজিদে জড়ো হতে থাকেন। সকাল পৌনে আটটার দিকে এ্যাম্বুলেন্সে করে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক নেতা কাজী জাফরের মরদেহ সেখানে পৌঁছায়। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সকাল সাড়ে আটটার দিকে শেষ হয় এ জানাজা।

এরপর জাতীয় সংসদ চত্বরের দক্ষিণ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজার আয়োজন করা হয়। এতে সাবেক রাষ্ট্রপ্রতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি বা ক্ষমতাসীন দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের দেখা যায়নি।