২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উপমন্ত্রীর পর এবার প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগ

  • হকির অচলাবস্থা নিরসনে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ‘এর আগে অনেকেই হকির চলমান সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু তাতে কোন কাজ হয়নি। এবার আমি চেষ্টা করে দেখতে চাই পারি কি না। আমার জীবনে যে কাজেই হাত দিয়েছি, সে কাজেই সফল হয়েছি। আশা করি হকির সমস্যা সমাধান করে এ কাজেও সফল হব।’ কথাগুলো যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদারের। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) বার্ষিক ক্রীড়া উৎসবের উদ্বোধন করার সময় তিনি এ কথাগুলো বলেন।

এর আগে দেশের হকিতে সৃষ্ট সঙ্কটের সুরাহা করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়। এবার উপমন্ত্রীর পর চেষ্টার মিছিলে যোগ হলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার।

হকি ফেডারেশনের নির্বাচনের পরই বেঁকে বসে পাঁচ ক্লাব। এই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে তারা হকি খেলা থেকে বিরত থাকে। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলো সফলভাবে শেষ করতে পারলেও ঘরোয়া লীগে ছিলেন ব্যর্থ। গত বছর ওই পাঁচ ক্লাবকে বাদ দিয়ে বাকি ৭ দলকে নিয়েই করেন প্রিমিয়ার লীগ। কিন্তু এ বছর ঊষা ক্লাব সব দলকে নিয়েই প্রিমিয়ার লীগ খেলার আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং তাতে আবাহনী সায় দিলে শুরু হয় নতুন সঙ্কট। এ সমস্যা সমাধানের লক্ষে গত ১৩ মে ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসে ফেডারেশন ও বিদ্রোহী ক্লাবের কর্মকর্তারা। কোন রকম সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, লোকমান হোসেন ভূঁইয়া, কায়সার সিনহা ও দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলদের নিয়ে পরবর্তীতে সভায় বসার ঘোষণা দিয়ে শেষ হয় ওই বৈঠক।

৩ জুন মোহমেডান সাফ জানিয়ে দেয়, হকি না খেললে মোহামেডানের কিছু যায় আসে না। ২৪ জুলাই ঊষাকে মানাতে জরুরী সভার সিদ্ধান্ত নেয় ফেডারেশন। ২৮ জুলাই সেই সভায় হকির স্বার্থে নিজেদের লোকেরাই পদত্যাগ চান খাজার! ৬ আগস্ট হকির নতুন সভাপতি বিমান বাহিনী প্রধানের প্রজ্ঞাপন আনুষ্ঠানিকভাবে খাজার হাতে তুলে দেন আরিফ খান জয়।

সেই সময়ে হকি সঙ্কট সমাধানের লক্ষ্যে আব্দুর রশীদ সিকদারকে দায়িত্ব দেয়া হয় বিদ্রোহী ক্লাবগুলোর মান ভাঙ্গাতে। ১০ আগস্ট স্থানীয় একটি হোটেলে আলোচনায় বসেন বিদ্রোহী ক্লাবের কর্মকর্তারা। সেখানে খাজাকে পদত্যাগ করার আহ্বান জানানো হয়। খাজার নেতৃত্বাধীন কমিটির একাংশ হকির ‘বৃহত্তর স্বার্থে’ খাজাকে পদত্যাগ করার অনুরোধ জানায়। কিন্তু ১৯ আগস্ট এসব কিছুকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন খাজা।