১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন ভুলে ভরা

  • সংশোধন করতে গিয়ে দুর্ভোগ

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভা ও ১৮টি ইউনিয়নের তথ্য সেবাকেন্দ্র থেকে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ছেন শত শত মানুষ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ভাগ্যক্রমে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র কপালে জুটলেও অধিকাংশ ভুলে ভরা। এ ভুলের দায় কেউ নিচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা ভুল সংশোধন করতে গিয়ে দুর্ভোগের শিকার হলেও সমাধানের পথ কেউ দেখিয়ে দিতে পারছে না।

জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক নতুন ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তিতে বয়স প্রমাণের জন্য জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র বাধ্যতামূলক রয়েছে। ফলে ভোটার হওয়ার জন্য ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র সংগ্রহে পৌরসভা ও স্ব স্ব ইউনিয়নে ভিড় জমাচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুত বিভ্রাট ও অনলাইন সার্ভারের সমস্যার কারণে সারাদিনে ১০-২০টি জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র সরবরাহ করা হলেও বেশিরভাগই মানুষই ফিরে যাচ্ছেন খালি হাতে। এছাড়া সারাদিনেই যে কয়টি জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে, তাতেও ভুলে ভরা। জন্ম তারিখ, নারীর ক্ষেত্রে পুরুষ, পুরুষের ক্ষেত্রে নারী, নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা, পিতার চাইতে পুত্রের বয়স বেশি, আবার (জন্ম নিবন্ধন) নম্বরে ১৭টি ডিজিট থাকার কথা থাকলেও কোন কোন ক্ষেত্রে ১৩, ১৪ ও ১৫টি কোড রয়েছে। এ সব জটিল ভুল সংশোধনের জন্য ভুক্তভোগীরা স্ব স্ব ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ও তথ্য সেবাকেন্দ্রের শরণাপন্ন হয়েও সন্তোষজনক জবাব পাচ্ছে না। তারা বলছে, এ সব সংশোধনের এখতিয়ার তাদের নেই। আবার অনেকে প্রকল্প পরিচালক জন্ম নিবন্ধন বরাবরে সংশোধনী ফরম পূরণ করে ইউপি সচিব, চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশ নিয়ে ই-মেইলে ও ডাকযোগে পাঠাচ্ছে। কিন্তু এ সব সংশোধনী কতদিনে সম্পন্ন হবে তার কোন নিশ্চয়তা কেউ দিচ্ছে না। ফলে চকরিয়ার হাজার হাজার ভোটার হওয়ার যোগ্য যুবক-যুবতী ভোটার হতে পারছে না।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র দাবি করেছেন, জন্ম নিবন্ধন ফরম পূরণের সময় অদক্ষ তথ্য সংগ্রহকারীদের অস্পষ্ট লেখা ও কম্পিউটারে সংযোজন করার সময় ভুলের কারণে সাধারণ মানুষ জনদুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। অপরদিকে পিএসসি, জেএসসি, জেডিসি, এসএসসি, দাখিল, এইচএসসি ও আলিমে পড়ুয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থী জন্ম নিবন্ধনে ভুলের কারণে চরম বেকায়দায় পড়ছে।