১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রাম প্রবর্তক সংঘের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ দেশের অন্যতম বৃহৎ সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের প্রবর্তক সংঘের অগ্রগতি রুখে দিতে স্বার্থান্বেষী একটি মহল একদিকে যেমন অপপ্রচার চালাচ্ছে, অপরদিকে নানা ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এর কর্মকা-কে আদালতের কাঠগড়ায় পর্যন্ত তুলেছে; যা মানবতার সেবায় নিয়োজিত এ প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যতকে অনিশ্চিত অবস্থায় নিপতিত করেছে। চট্টগ্রামভিত্তিক এ বৃহৎ সমাজসেবী প্রতিষ্ঠানটির দেশজুড়ে কয়েকটি শাখাও রয়েছে। এ সংঘের পরিচালনায় নিয়োজিতদের সূত্রে জানানো হয়েছে, ফরাসী শাসিত চন্দননগরে সংঘ গুরু শ্রীমতি লাল রায়ের নেতৃত্বে স্বাদেশিকতার আহ্বান ও সমাজ কর্মের মহানব্রতে উজ্জীবিত হয়ে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্রবর্তক সংঘ। একই সময়ে চট্টগ্রামের ত্যাগী সমাজকর্মী বঙ্কিম চন্দ্র সেন ও হেমচন্দ্র রক্ষিতের নেতৃত্বে গড়ে উঠে এ সংঘ। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্পের করাল গ্রাস, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী প্রতিক্রিয়া, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঊষালগ্নে এ সংঘের সকল কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। এসব ঘটনায় প্রবর্তক সংঘকে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সংঘের প্রতিষ্ঠিত প্রেস, ব্যাংক, কুটির শিল্প, কৃষি প্রকল্প, গোসালা, ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার, বিদ্যাপীঠ, অনাথদের জন্য নির্মিত আবাসিত ভবন, আরোগ্য নিকেতন, অতিথিশালা, আবাসন প্রকল্পসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত হয়ে যায়। অবশিষ্ট স্থাপনাসমূহ গত প্রায় ৬০ বছর ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসকল স্থাপনার মধ্যে কিছু স্থায়ী এবং কিছু রয়েছে আয়বর্ধক প্রকল্প। প্রবর্তক সংঘের সভাপতি এ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র লাল ও সম্পাদক তিনকড়ি চক্রবর্তী যুগপৎভাবে বিপর্যকর কোনরূপ প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।