২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শাসন-সমঝোতায় হতে পারে মিলনান্তক পরিণতি

বর্তমান যুগের অধিকাংশ প্রেমের বেলায় ঘটে আপত্তিকর ঘটনা কিংবা আবেগের ভালবাসা থেকে গোপনে বিয়ে, কয়েকদিন পরেই বিচ্ছেদ। আর এ জন্য সমাজ প্রেমিক-প্রেমিকাকেই দায়ী করে। সম্প্রতি বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ঘটে যাওয়া প্রেমিকা সাধনা ম-লের জীবনের প্রেমের কাহিনী উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা যায়। গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের হাতীবাড়ি এলাকার দিনমজুরের কন্যা সাধনা রানী ম-লের সঙ্গে প্রতিবেশী যুবক অসীম হালদারের মাত্র তিন মাসের প্রেমের সম্পর্ক। সুযোগ বুঝে প্রেমিক অসীম বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয় মন্দিরে নিয়ে হিন্দু ধর্মের রীতি অনুযায়ী সাধনার সিঁথিতে সিঁদুর ও হাতে শাঁখা পরিয়ে দেয়। এরপর থেকেই শুরু হয় তাদের দৈহিক মেলামেশা। রাতের আঁধারে প্রেমিক অসীমকে সরল মনে বিশ্বাস করে এভাবে চলতে থাকে আরও তিন মাস।এক পর্যায়ে সাধনা আনুষ্ঠানিকভাবে বাড়িতে তুলে নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে অসীম তা অস্বীকার করে। উপায়ান্তর না পেয়ে স্থানীয় প্রভাবশালীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সাধনা প্রতিকার পায়নি। এ নিয়ে দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর থানা পুলিশ অসীম হালদারকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্বীকার করলেও সাধনাকে বিয়ে করতে অপরাগতা প্রকাশ করে। একপর্যায়ে ধর্ষণ মামলা দায়েরের পর পুলিশ আটক অসীমকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়। দীর্ঘ দু’বছর কারাভোগের পর জামিনে বেরিয়ে আসে অসীম। আর এ দীর্ঘসময়ের প্রায় মাসেই কারাগারে দেখা করে সাধনা তার সিঁথির সিঁদুরের মর্যাদা রক্ষার অনুরোধ করেছে। একসময় অসীম তার ভুল বুঝতে পেরে আনুষ্ঠানিকভাবে সাধনাকে বিয়ে করতে রাজি হয়। গত ১২ আগস্ট গোধূলি লগ্নে ধুমধামের সঙ্গে সাধনা-অসীমের আনুষ্ঠানিক বিয়ে সম্পন্ন হয়।

Ñখোকন আহম্মেদ হীরা

বরিশাল থেকে