২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোরবানি বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবি পবার

স্টাফ রিপোর্টার॥ কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতি হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে দেশের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা গেলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)।

তাই সঠিক পন্থায় কোরবানি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার, ইসলামিক ফাউন্ডেশন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদফতরকে সঠিকভাবে নিজ দায়িত্ব পালনের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার পবার কার্যালয়ে আয়োজিত ‘কোরবানি ব্যবস্থাপনা ও মক্কা মডেল’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় সংগঠনটি এ দাবি জানায়।

গোলটেবিল আলোচনা মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. লেলিন চৌধুরী।

এ বছর সারাদেশে ৭০ লাখ গরু কোরবানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে ঈদের সময় যত্রতত্র কোরবানি করা হচ্ছে এবং বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এর ফলে আমাদের জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

কোরবানির বিষয়ে যথাযথ সচেতনতা সৃষ্টিতে পবিত্র মক্কা নগরীর কোরবানি ব্যবস্থাপনা আমাদের আদর্শ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

পবার চেয়ারম্যন আবু নাসের বলেন, ‘রাজধানীতে আগে কোরবানির বর্জ্য অনেক দিন ধরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকতো। কিন্তু এখন অন্তত এগুলোকে সংগ্রহ করে একটা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা হয়। কিন্তু এই বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা করতে পারলে উৎকৃষ্ট সার প্রস্তুত করা যেত, এখন যা পরিবেশ দূষণ করছে। পশু জবাইয়ের পর ব্লিচিং ছিটানোসহ বর্জ্য জলাশয়ে মিশে যাওয়ার ফলে কোরবানির পর পানির দূষণ অনেক বেড়ে যায়।’

পবার নির্বাহী সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবহান বলেন, ‘এবার রাজধানীতে কোরবানির জন্য ৩৯৩টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন একটু উদ্যোগী হলে যত্রতত্র পশু কোরবানি বন্ধসহ বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব।’

এ সময় আরও বক্তব্য দেন- পবার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আসলাম খান, সম্পাদক আবুল হাসনাত প্রমুখ।