০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

ঝলক

রোবটের বিয়ে!

ঘটা করে মানুষের বিয়ে হরহামেশাই দেয়া যায়। কিন্তু তাই বলে রোবটের বিয়ে! তাও আবার জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে। ঘটনাটি আজব শোনালেও গুজব নয়। সম্প্রতি জাপানে এই অবিশ্বাস্য ঘটনাটি ঘটে। এটিই বিশ্বের প্রথম রোবটের বিয়ে। এ বিয়েতে বর ফ্রোইস এবং কনে ইউকিরিন। বিয়ে অনুষ্ঠানে কেক কাটার পাশাপাশি রোবট ব্যান্ডদলের গান-বাজনাও সবার দৃষ্টি কেড়েছে। ফ্রোইস নামের রোবটটি মায়াওয়া ডেংকি কোম্পানির তৈরি। বর হিসেবে বিয়েতে ফ্রোইস টাই পরে উপস্থিত হয়েছিল। আর মানবাকৃতির কনে ইউকিরিনের পরনে ছিল সাদা রংয়ের বিয়ের পোশাক। ফ্রোইসকে দেখে রোবট মনে হলেও ইউকিরিনের আদল কিন্তু অনেকটাই সত্যিকার মানবীর মতো। এই মানবাকৃতির রোবটটির নির্মাতা তাকাউকি তোদো। অনুষ্ঠানে মানুষ এবং রোবট মিলিয়ে অতিথি ছিল প্রায় ১০০। পিপার নামের একটি রোবট বিয়ের অনুষ্ঠানে যাজকের ভূমিকা পালন করেছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ৮১ ইউএস ডলারের টিকেট কিনতে হয়েছে অতিথিদের।

কাঁদাতে পারলেই পুরস্কার!

জাপানের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘এ্যানুয়াল ক্রাইং কনটেস্ট’, যেখানে একটি গোল বড় রিংয়ের মধ্যে এ খেলার আয়োজন করা হয়। দু’জন প্রতিযোগী দুটি শিশুকে নিয়ে রিংয়ের মধ্যে এসে তাদের কাঁদাবেন। যে সুমো শিশুকে যত তাড়াতাড়ি এবং যত জোরে কাঁদাতে পারবেন পুরস্কারের বিচারে তিনিই এগিয়ে যাবেন। এটাই খেলা, এটাই ঐতিহ্য আর এটাই প্রতিযোগিতা। শিশুদের কাঁদানোর জন্য কখনও রঙিন, কখনও বা ভয়ঙ্কর মুখোশও ব্যবহার করেন পালোয়ানরা। জাপানীরা মনে করেন, শিশুর শরীরের জন্য এ কান্না খুবই উপকারী। এটা জাপানের ৪০০ বছরের প্রাচীন খেলা। আয়োজন হয় দেশজুড়ে। এবার টোকিওর আসাকুসা জেলায় সেনসোজি মন্দিরে এ আসর বসে।

এবার ফেসবুক ফেসলিফট!

অবিশ্বাস্য হলেও ঘটনা সত্য। ফেসবুকে সুন্দর ও আকর্ষণীয় ছবি প্রোফাইলে দেয়ার জন্য অনেকেই কসমেটিক সার্জারি করছেন। ভারতের চিকিৎসকরা এই প্রবণতাকে ‘ফেসবুক ফেসলিফট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছেই। দিল্লীর এ্যাপোলো হাসপাতালের কসমেটিক ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অনুপ ধীর বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এ সময়ে সবাই চায় নিজেকে তরুণ ও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে। নেটিজেনদের মধ্যে সুন্দর প্রোফাইল পিকচার ও সেলফির দারুণ কদর রয়েছে। এ জন্য অনেকেই ফেসলিফট করছে।’ ছেলে নাকি মেয়েরা ফেসলিফট করতে আসে- জানতে চাইলে ধীর জানান, ‘ছেলে ও মেয়ে উভয়েই আসছে। তবে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশি।’