১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের ৮০ ফুট ভেঙে গেছে

গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধের ৮০ ফুট ভেঙে গেছে

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাইবান্ধা॥ ঘাঘট নদীর বন্যার পানির তোড়ে গোদারহাট সংলগ্ন গাইবান্ধা শহর রক্ষা সোনাইল বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধের প্রায় ৮০ ফুট এলাকা মঙ্গলবার সকালে আকস্মিকভাবে ভেঙে যায়। এতে গাইবান্ধা পৌর এলাকাসহ সদর উপজেলার খোলাহাটি, বোয়ালী, বাদিয়াখালী, রামচন্দ্রপুর, ফুলছড়ির উদাখালী, কঞ্চিপাড়া গজারিয়া এবং উড়িয়া ইউনিয়নের ৩২টি গ্রাম ব্যাপকভাবে বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে।

ওইসব এলাকার কয়েক হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন, বীজতলা, শাকসবজি ক্ষেত তলিয়ে গেছে এবং মাছের খামারের পুকুরগুলো উসলে চাষকৃত সব মাছ পানিতে ভেসে গেছে। এই অসময়ে বাঁধ ভাঙা পানিতে আমন ধান ও বীজতলা তলিয়ে যাওয়ায় আর কোন চাষের সুযোগ না থাকায় কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছে। মাছ চাষিরাও পড়েছে চরম বিপাকে। বন্যা কবলিত অসহায় মানুষ ধান, চাল বা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগল নিয়ে দ্রুত বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে আশ্রয় নিয়ে খোলা আকাশের নিচে এখন মানবেতর জীবন যাপন করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল আউয়াল বলেন, সোনাইল বাঁধ অন্যান্য বাধের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। বাঁধটি দিয়ে পানি চুইয়ে পড়ছিল। কিন্তু বিষয়টি তাকে না জানানোর ফলে আকস্মিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। এদিকে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধারে বা জরুরী ত্রাণ সহায়তা প্রদানে তাৎক্ষনিক সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা সমূহের কোন ত্রাণ তৎপরতা পরিলক্ষিত হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও জানায়, মঙ্গলবার ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীর পানি কিছুটা হ্রাস পেলেও এখনও ব্রহ্মপুত্র বিপদসীমার ৪৬ সে.মি. এবং ঘাঘট বিপদসীমার ৩৪ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে করতোয়া ও তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেলেও বিপদসীমার সামান্য নিচে রয়েছে।