১৫ অক্টোবর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইংল্যান্ডের জয় টেইলরের সেঞ্চুরিতে

  • তৃতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার হার ৯৩ রানে

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ জেমস টেইলরের দারুণ এক সেঞ্চুরির ওপর ভর করে তৃতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৯৩ রানের বড় জয় পেয়েছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে সিরিজ বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩০০ রান সংগ্রহ করে টস জিতে ব্যাটিং নেয়া ইংলিশরা। জবাবে ৪৪ ওভারে ২০৭ রানে অলআউট হয় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির সৌজন্যে ম্যাচসেরা টেইলর। হার সত্ত্বেও পাঁচ ওয়ানডের সিরিজে ২-১এ এগিয়ে অতিথিরা। লিডসে চতুর্থ ওয়ানডে শুক্রবার।

মূলত ব্যাটসম্যানরাই ইংল্যান্ডকে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে জয়ের মঞ্চ তৈরি করে দেন। যেখানে ফিনিশিং দেন বোলাররা। ছিল স্টিভেন ফিনের অসাধারণ এক ক্যাচে প্রতিপক্ষ অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথকে সাজঘরে ফেরানোর গল্প। সব মিলিয়ে তৃতীয় ওয়ানডেতে আকর্ষণীয় ক্রিকেট খেলে সিরিজে ঘুরে দাঁড়ায় ইংলিশরা। দলীয় ৫২ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ওপেনার এ্যালেক্স হেলেস ফেরেন ৯ রান করে। তৃতীয় উইকেটে টেইলর-মরগানের মধ্যে গড়ে ওঠে ১১৯ রানের সেরা জুটি। অধিনায়ক মরগান ৬২ রান করে আউট হন। তার আগে জেসন রয়ের ব্যাট থেকে আসে ৬৩।

তবে টেইলরের সেঞ্চুরিটি ছিল ব্যতিক্রম। ১১৪ বলে ১০১ রানের পথে ৫টি চার মারেন তিনি। ছিল না কোন ছক্কা! ওয়ানডে ইতিহাসে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সবচেয়ে কম চারের সাহায্যে সেঞ্চুরির নজির এটি। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গর্ডন গ্রিনিজ ও ইংল্যান্ডের জোনাথন ট্রট ৫টি করে চারের সাহায্যে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। তবে দুজনেরই ছিল ১টি করে ছক্কা। এক্ষেত্রে সবাইকে ছাড়িয়ে টেইলর! ২১তম ওয়ানডেতে ২৫ বছর বয়সী টেইলরের এটি প্রথম সেঞ্চুরি। সিরিজে তিন ওয়ানডেতে তার রান ৪৯, ৪৩ ও ১০১। ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন অধিনায়ক মরগানও। একমাত্র টি২০তে ৭৪Ñএর পর তিন ওয়ানডেতে তার রান ৩৮, ৮৫ ও ৬২।

শেষদিকে আর কেউ অবশ্য বড় স্কোর পাননি। তবু সমান ৩০০ রানে থামে ইংলিশদের সংগ্রহ। ১৯৮০ সালের পর ঘরের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এটিই ইংল্যান্ডের দলীয় সর্বোচ্চ রান। অসিদের হয়ে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও প্যাট কুমিন্স নেন ২টি করে উইকেট। বড় রানের জবাবে আশা জাগিয়েও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। দীর্ঘ সময় পর ফেরা এ্যারন ফিঞ্চ করেন ৫৩ রান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪২ সাত নম্বরে নামা ম্যাথু ওয়েডের। অস্ট্রেলিয়ার বড় ভরসা অধিনায়ক স্মিথকে (২৫) দুর্দান্ত এক ক্যাচে ফিরিয়ে দেন ফিন। ইংল্যান্ডের হয়ে মঈন আলি, লিয়াম প্ল্যাঙ্কেট ৩টি করে এবং স্টিভেন ফিন ও আদিল রশিদ নেন ২টি করে উইকেট।

২০১৫ সালে নিজেদের শেষ ১৮ ওয়ানডতে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় হার এটি। এর আগে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে সর্বশেষ হেরেছিল অসিরা। ঘুরে দাঁড়াতে পেরে সন্তুষ্ট ইংল্যান্ড অধিনায়ক মরগান সতীর্থ টেইলর-রয় এবং বোলারদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। অন্যদিকে ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে চতুর্থ ওয়ানডে জিতে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করতে চাইছেন অসি সেনাপতি স্মিথ।