১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

এরশাদের অন্ধকার যুগ!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কখন কী বলবেন তার কোন ঠিক ঠিকানা নেই। সকালে তাল বললে বিকেলে যে সেটা বেতাল হবে না সেটা তিনি নিজেই জানেন না! দিন দিন তার দল জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে একবার এক প্রশ্নে তিনি নিজেই তৃণমূল নেতাদের কাছে জানতে চাইলেন। সবাই বললেন, নির্ভয়ে বলব? কিছু বলবেন নাতো স্যার। তিনি আশ্বাস দিলেন, না কিছু বলব না। যার যা মনে আছে তা বলতে পার। প্রায় সকলেই বললেন, স্যার আপনার জিহ্বার কোন ঠিক ঠিকানা নেই, সকালে যা বলেন বিকেলে ঠিক তার উল্টোটা আওড়ান। তিনি কথা রাখেননি। তালিকা ধরে সেইসব তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এই নেতার দল থেকে। তিনি এইচ এম এরশাদ। দেশের এককালের জীবিত সেনা শাসক। সম্প্রতি তিনি বলেছেন, দেশে নাকি অন্ধকার যুগ চলছে। সাম্প্রতিক কিছু প্রসঙ্গ টেনে এরশাদ মূলত এককালে এ দেশে হিরো ছিলন তারই বর্ণনা শুরু করেন। দেশে সব থেকে বেশি সময় গণতন্ত্রহীন সেনাশাসক ছিলেন তিনি। একটু বেশিই বয়স বাড়ায় তিনি কী এখন সে সব ভুলে গেছেন? এরশাদ বলেন, ‘১৯৯০ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিলাম। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে, মানুষ সুখে থাকবে। কিন্তু ছয় দিনের মধ্যে যে সাহাবুদ্দিনকে আমি শপথ পড়িয়েছি তিনি আমাকে জেলে পাঠিয়ে দিলেন। আমার স্ত্রী, ছেলেসহ তিন বছর জেলে ছিলাম। ছেলের পড়াশোনার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষমতা ছেড়ে এ প্রতিদান পেলাম।’ বিশ্ববেহায়া এরশাদের ভাবখানা এমন তিনি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনিই গণতন্ত্রের নায়ক।

পয়সা দিলেই জরিপ মেলে ॥ হান্নান শাহ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গবেষণা সংস্থা আইআরআই এক জরিপে বলেছে, বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের প্রতি সাধারণ মানুষের সমর্থন বেড়েছে। অধিকাংশ মানুষই মনে করে, বাংলাদেশ সঠিক পথে এগোচ্ছে। আর সরকারের চেয়ে বেশি জনসমর্থন রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) জরিপের ফলাফলে জাতীয়তাবাদী বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। এটা বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অত্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। কিন্তু জরিপ নিয়ে মন্তব্যর ক্ষেত্রে শালিনতাটুকুও ভুলে যাচ্ছেন কেউ কেউ। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হান্নান শাহ বলেছেন, পয়সা হলে এই রকম জরিপ করানো যায়। এর অর্থ কী এর আগে যেসব জরিপে বিএনপির জনপ্রিয়তার কথা বলা হয়েছে তার সবগুলোতেই বিএনপি টাকা ঢেলেছে। সম্প্রতি দেশের পত্রপত্রিকায় বিদেশের মাটিতে বিএনপির লবিস্ট ফার্ম নিয়োগের খবর বেরিয়েছে। এছাড়া মাঝে মধ্যে বিদেশী বিভিন্ন পত্রিকায় বড্ড একপেশে খবর ছাপা হয়। যা পড়তে অনেকটা বিজ্ঞাপনের মতোই মনে হয়, এর সব কিছু কি অর্থেই হয়?

খালেদা-তারেককে বাদ দিয়ে হলেও নির্বাচন চাই ॥ গয়েশ্বর

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বেগম খালেদা জিয়া এমনকি তারেক রহমানও বিএনপিতে কোন ফ্যাক্টর নন? বিএনপি নেতাদের ইঙ্গিত বলছে এ দল, বি দল, অনুর্ধ ১৮Ñ এ রকম অনেক স্তর তৈরি করছেন তারা। এখন অপেক্ষা শুধু মাত্র একটি নির্বাচনের। আর নির্বাচন হলে বিএনপিকে কুরসিতে বসা থেকে ঠেকিয়ে রাখে এমন সাধ্য কারও নেই। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েশ্বর চন্দ্র রায় সম্প্রতি বলেছেন, তারেক রহমানসহ আমাদের মতো ৫০ অথবা ১০০ জন নেতাকে জেলে দিয়ে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করেন, তারপরও বলব, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, ক্ষমতাসীন দল প্রধান বিরোধী দলের আসনে বসতে পারবে না। আমাদের নির্বাচন করতে হবে না। আমাদের ‘শিষ্য সামন্তরাই’ যথেষ্ট। আর ২০১৯ সালে যদি নির্বাচন দিতে চান তাহলে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে লাগবে না, তার মেয়ে জাইমা-ই যথেষ্ট শেখ হাসিনাকে কাইত করার জন্য। সম্প্রতি রাজপথের আন্দোলনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে বিএনপি। বছরের শুরুর দিকে নির্বিচারে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করায় ব্যাপকভাবে জনসমর্থনও হারিয়েছে দলটি। সঙ্গত কারণেই বিএনপি নিজেদের নানা রকম ঘরোয়া সভা সেমিনার আর বিদেশী লবিস্টদের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। গয়েশ্বরও বুঝতে পেরেছেন বিষয়টি একেবারেই ঠিক হচ্ছে না। যুবদল নেতাকর্মীদের তিনি বলেন, কেবল রুমের ভেতরে সেøøাগান দিলে চলবে না। আপনাদের আন্দোলনের জন্য কঠিন ও কঠোর প্রস্তুতি নিতে হবে। আঘাত আসলে পাল্টা আঘাত করতে হবে। যে কোন আঘাতকে মোকাবেলা ও প্রতিরোধ করতে হবে।