১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শরণার্থী স্রোত ঠেকাতে সীমান্তে সৈন্য মোতায়েন করবে হাঙ্গেরি

  • আরও শরণার্থী নেবে যুক্তরাষ্ট্র

হাঙ্গেরির সেনাবাহিনী শরণার্থীর ঢল মোকাবেলায় ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্তে পাহারা দেয়ার লক্ষ্যে মহড়া শুরু করেছে। সীমান্তে পুলিশকে সহায়তার জন্য সৈন্য পাঠানোরও পরিকল্পনা করেছে বুদাপেস্ট। এই সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন সার্বিয়া থেকে হাজার হাজার শরণার্থী পৌঁছায়। এদিকে শরণার্থীদের উত্তর দিক থেকে সুইডেনমুখী স্রোত ঠেকাতে ডেনমার্ক জার্মানির সঙ্গে একটি সড়কপথ ও সব ধরনের রেল যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তবে ডেনমার্কের ট্রেন অপারেটর বৃহস্পতিবার সকালে বলেন, জার্মান সীমান্তবর্তী সব ধরনের রেল যোগাযোগ শীঘ্রই খুলে দেয়া হতে পারে। ইউরোপের শরণার্থী সঙ্কট এখন উত্তর দিকেও ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বুধবার কংগ্রেস সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরও শরণার্থী গ্রহণের বিষয়টি তিনি সমর্থন করেন। আগামী বছরে দেশটিতে শরণার্থীদের সংখ্যা এক লাখ হতে পারে বলে কংগ্রেস সদস্য ও ওবামা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। হাঙ্গেরি সম্প্রতি সার্বিয়াসংলগ্ন সীমান্তে ১৭৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কাঁটাতারের নতুন বেড়া নির্মাণ করেছে। এছাড়াও হাঙ্গেরি আরও একটি অতিরিক্ত বেড়া নির্মাণ করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবান চলতি সপ্তাহে নতুন বেড়া নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ করার আহ্বান জানান। সীমান্তে আরও কড়াকড়ি আরোপের জন্য চলতি মাসের শেষের দিকে দেশটির পার্লামেন্টে ভোট হতে পারে। দেশটির সেনাবাহিনী ভবিষ্যতের সীমান্ত রক্ষায় প্রস্তুত হতে বুধবার এক মহড়ার আয়োজন করে।

এদিকে ডেনমার্কের দক্ষিণাঞ্চল থেকে জার্মানির উদ্দেশে শিশুসহ প্রায় ৩০০ শরণার্থী হেঁটে রওনা হলে একটি সড়কপথ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, পুলিশ তাদের চলে যাওয়ার জন্য রাজি করাতে চেষ্টা করে। তবে তারা শরণার্থীদের ওপর বল প্রয়োগ করেনি। পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, আমরা তাদের বলার চেষ্টা করি যে সড়ক পথে হেঁটে যাওয়া ঠিক হবে না। -বিবিসি, টেলিগ্রাফ ও নিউইয়র্ক টাইমস।

শরণার্থী প্রবেশ রোধে ইইউকে সহায়তা দেবে জাতিসংঘ

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অভিবাসীদের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে ইউরোপীয় নৌবাহিনীকে গভীর সমুদ্রে জাহাজ তল্লাশির অনুমতি দেয়ার বিষয়টি ভেবে দেখছে। বুধবার কূটনীতিকরা একথা জানান।

খসড়া প্রস্তাবটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ রাষ্ট্র ও ইউরোপের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে লিবিয়া থেকে যে জাহাজগুলো ছাড়ে সেগুলোর কথাই মূলত তুলে ধরা হয়।

কূটনীতিকরা জানান, এখনও খসড়া এই প্রস্তাবটি নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের সকলের মাঝে বিতরণ করা হয়নি। জাতিসংঘে নিযুক্ত রুশ রাষ্ট্রদূত ভিতালি চুরকিন বলেন, সেপ্টেম্বর মাসে প্রস্তাবটি গৃহীত হতে পারে। -এএফপি