২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সিরীয় লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে রুশ সৈন্যরা !

  • মস্কোর সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধিতে ন্যাটোর উদ্বেগ

রুশ বাহিনী সিরিয়ায় সরকারী সৈন্যদের সহায়তা করতে বাস্তব লড়াইয়ে অংশ নিতে শুরু করেছে। সেখানকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে ওয়াকিফহাল এমন তিন লেবাননী সূত্রে বুধবার একথা বলা হয়। এদিকে সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি করার খবরে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো উদ্বেগ ব্যক্ত করেছে। খবর বিবিসি ও ইয়াহু নিউজের।

দুই লেবাননী সূত্রে বলা হয়, রুশরা সিরিয়াতে দুটি ঘাঁটি তৈরি করছে একটি উপকূলের কাছে এবং অন্যটি আরও ভেতরে। শেষোক্তটি সামরিক অভিযান চালানোর ঘাঁটিই হবে। এক সূত্রে বলা হয়, রুশরা এখন আর কেবল উপদেষ্টা নয়। তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরেক লেবাননি সূত্রে বলা হয়, এখনও পর্যন্ত যুদ্ধ ক্ষেত্রে রুশদের ভূমিকা ক্ষুদ্রই রয়ে গেছে। তারা ক্ষুদ্র সংখ্যায় যোগ দিয়েছে। কিন্তু বৃহত্তর বাহিনীটি এখনও অংশ নেয়নি। রুশরা সিরিয়ায় সামরিক তৎপরতা চালাচ্ছে। কিন্তু তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এখনও জোরালোভাবে অংশ নেয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, রাশিয়া গত মঙ্গলবার বা কাছাকাছি কোন দিন সিরিয়াতে সামরিক যানবাহনবাহী দুটি জাহাজ বা আরও মালবাহী বিমান পাঠিয়েছে এবং সেখানে নৌবাহিনীর ক্ষুদ্র সংখ্যক পদাতিক সৈন্য মোতায়েন করেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, সিরিয়ায় রুশ সামরিক পদক্ষেপের অভিপ্রায় স্পষ্ট নয়। এক অভিমত হলো, রুশরা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের শক্তিশালী ঘাঁটি বন্দর শহর লাতাকিয়ার কাছে এক বিমান বন্দর প্রস্তুত করার দিকে দৃষ্টি দিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা এ সম্ভাবনা নাকচ করে দেননি যে, রুশরা বিমান যুদ্ধ চালানোর জন্য বিমানবন্দরটি ব্যবহার করতে চাইতে পারে। ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গ বলেন, সিরিয়ার যুদ্ধে রাশিয়ার জড়িত হওয়ার খবর সত্য হলে তা সংঘাত নিরসনে সহায়ক হবে না।

গ্রীসের জাতীয় নির্বাচনের তীব্র প্রতিদ্ব^ন্দ্বিতার মুখে সিপরাস

জাতীয় নির্বাচনের প্রচার উপলক্ষে গ্রীসের শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা পরস্পরের বিরুদ্ধে তীব্র বাকযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছেন। একে অপরের ওপর অর্থনৈতিক সঙ্কটের দায় চাপিয়ে সিদ্ধান্তহীন থাকা ভোটারদের জয় করতে চাচ্ছেন তারা। নির্বাচনী প্রচারণায় প্রথমবারের মতো বুধবার টেলিভিশন বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন দেশটির সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সিস সিপরাস ও তার বামপন্থী রক্ষণশীল প্রতিদ্বন্দ্বী এভানজেলোস মেইমারাকিস। খবর ইয়াহু নিউজের

এতে সিপরাস বলেছেন, জুলাইতে তিনি যে আন্তর্জাতিক বেইল আউটে রাজি হয়েছেন তা গ্রীসকে স্থিতিশীল করেছে। এর বিরোধিতা করে মেইমারাকিস বলেছেন, এই বেইল আউট গ্রীসের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

তিনি বলেন, একটি সমঝোতা সবসময় তার ফলাফল দিয়ে বিচার করতে হয়, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এর ফলাফল জানুয়ারির তুলনায় অনেক বেশি বেদনাদায়ক হয়ে উঠেছে। জানুয়ারিতে সিপরাসের নেতৃত্বাধীন সিরিজা পার্টি নির্বাচনে জিতে গ্রীসের ক্ষমতায় এসেছিল।