২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভিঞ্চি-পেনেত্তার ইতিহাস

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিলেন রবার্টা ভিঞ্চি আর ফ্লাভিয়া পেনেত্তা। টেনিসের উন্মুক্ত যুগে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো গ্র্যান্ডসøাম টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠল ইতালির দুই খেলোয়াড়। বিশ্ব টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের ২৬ নাম্বারে থাকা ফ্লাভিয়া পেনেত্তা বুধবার চেকপ্রজাতন্ত্রের পেত্রা কেভিতোভাকে হারিয়ে শেষ চারের টিকেট নিশ্চিত করেন। এর ফলে গত তিন বছরের মধ্যে দুইবারই ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে উঠলেন পেনেত্তা। বছরের শেষ মেজর টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠার পথে এখন তার বড় বাধা রোমানিয়ার দ্বিতীয় বাছাই সিমোনা হ্যালেপ। অন্যদিকে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো শেষ চারে জায়গা করে নিলেন রবার্টা ভিঞ্চি। র‌্যাঙ্কিংয়ের ৪৩ নাম্বারে অবস্থান করছেন তিনি। মঙ্গলবার কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের ক্রিস্টিনা মাদেনোভিচকে পরাজিত করে ইতালির হয়ে অনন্য কীর্তি গড়লেন রবার্টা ভিঞ্চি। ইতিহাসের প্রথমবারের মতো একই গ্র্যান্ডসøামের শেষ চারে স্বদেশী দুই তারকা। স্বাভাবিকভাবেই তা গৌরবের। তা জানালেন ফ্লাভিয়া পেনেত্তাও। তার মতে, ‘অবশ্যই, এতে আমি গর্বিত। আমি মনে করি এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি যখন লকার রুমে রবার্টাকে দেখি তখনই আমি বলি এটা আসলেই বিস্ময়কর এক বিষয়।’ গত এক দশক ধরেই পেনেত্তা-ভিঞ্চিরা টেনিস কোর্টে লড়াই করে যাচ্ছেন। কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই পাদপ্রদীপের বাইরে অবস্থান করেছেন তারা। বার বারই ব্যর্থ হয়েছেন নিজেদের মেলে ধরতে। অবশেষে ক্যারিয়ারের গোধূলিবেলায় আলো ছড়ালেন টেনিসের এই দুই তারকা। তবে ইতালির হয়ে শুধু যে তারাই প্রতিনিধিত্ব করছেন তা না। বর্তমান বিশ্ব টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের সেরা চল্লিশের মধ্যে ছয়জনই রয়েছেন ইতালিয়ান। যা খুবই গৌরবের বিষয়। পেনেত্তার বর্তমান বয়স ৩৩। আর তার চেয়ে এক বছরের ছোট্ট হলেন ভিঞ্চি। তবে বয়স নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তারা। বরং দেশের জন্য এটা গৌরবময় এক অর্জন বলেই মন্তব্য করেছেন পেনেত্তা, ‘আমি মনে করি দেশের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়। গত দশ বছরে ইতালিকে আমরা অনেক ভাল সাফল্য উপহার দিয়েছি। এমন ভাল ভাল খেলোয়াড় থাকাটা ইতালিয়ান টেনিসের জন্য ভাল।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বয়স্ক আমি জানি। আমি এটা বলছি যে টেনিসে আমরা বয়স্ক খেলোয়াড় কিন্তু জীবনের জন্য এখনও তরুণী। অলিম্পিকের পর থেকেই অনেক তরুণ টেনিস খেলোয়াড় আসছে। আমি মনে করি এটা এই প্রজন্মেরই বড় একটা পরিবর্তনের ইঙ্গিত।’ পেনেত্তার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছেন রবার্টা ভিঞ্চিও। ৪৪তম প্রচেষ্টার পর প্রথমবারের মতো ইউএস ওপেনের সেমিতে উঠার স্বাদ পেলেন যিনি। কো. ফাইনালে ভিঞ্চি ৬-৩, ৫-৭, ৬-৪ গেমে ফ্রান্সের ক্রিস্টিনা মাদেনোভিচকে হারিয়ে অসামান্য কীর্তি গড়েন তিনি।