২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

খেলার আরও খবর

জাতীয় এ্যাথলেটিক্স শুরু

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বৃহস্পতিবার থেকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ‘স্বাধীনতা পদক প্রাপ্ত ভাষা সৈনিক এ. কে. এম. শামসুজ্জোহা স্মৃতি জাতীয় এ্যাথলেটিক প্রতিযোগিতা।’

প্রতিযোগিতার প্রথম দিনেই সেরা হার্ডলারের খেতাব জিতে নিলেন সেনাবাহিনীর দুই দৌড়বিদ জেসমিন আক্তার ও মজিবুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা। এ সময় ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম চেঙ্গিস ও স্টেডিয়ামের প্রশাসক মোহাম্মদ ইয়াহিয়া উপস্থিত ছিলেন।

মেয়েদের ১০০ মিটার হার্ডলসে তৃতীয়বারের মতো স্বর্ণপদক জিতলেন সেনাবাহিনীর জেসমিন আক্তার। দেশসেরা অন্যতম হার্ডলার জেলের সুমিতা রানীকে পেছনে ফেলতে তিনি সময় নেন ১৪.৫০ সেকেন্ড। গত বছর সামার এ্যাথলেটিক্সে ১৫.১০ সেকেন্ড সময় নিয়েছিলেন জেসমিন। তবে ২০১০ সালে এসএ গেমসে ইলেক্ট্রনিক্স টাইমেই ছিল তার সেরা ১৪ সেকেন্ড সময়। ওই গেমসে ১০০ মিটার ও চার গুণিতক ১০০ মিটার হার্ডলসেও তাম্রপদক জিতেছিলেন জেসমিন। তিনি বলেন, ‘ক্যারিয়ারে আমি তিনবার সুমিতা রানীকে হারিয়েছি। দেশসেরা হার্ডলারকে হারানোর আনন্দই আলাদা। আগে অনেকেই বলতেন, সুমিতা অনুশীলন করে না বলে তাকে হারানো সহজ। তাই এবার আমরা দু’জনেই অনুশীলন করেছি। তারপরেই তাকে হারিয়েছি।’ অন্যদিকে পুরুষদের ১১০ মিটার হার্ডলসে ক্যারিয়ারে প্রথমবারে মতো স্বর্ণপদক জিতলেন সেনাবাহিনীর মজিবুর রহমান। তিনি সময় নেন ১৪.৪০ সেকেন্ড। স্বর্ণজয়ের পর মজিবুর বলেন, ‘গত চার বছর ধরেই আমি দ্বিতীয় হয়েছি। এবার লক্ষ্য ছিল স্বর্ণ জেতার। সে লক্ষ্যেই অনেক পরিশ্রম করেছি। আমার প্রচেষ্টার ফল হাতেনাতে পেলাম। আসন্ন এসএ গেমসে নিজের সেরাটা উজাড় করে খেলতে চাই ও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চাই।’ এর আগে পুরুষদের ২০ কিলোমিটার হাঁটা প্রতিযোগিতায় নৌবাহিনীর মিলন হোসেন এক ঘন্টা ৪৯.৫৭ মিনিট সময় নিয়ে স্বর্ণপদক জেতেন। মহিলাদের ১৫০০ মিটার দৌড়ে সেনাবাহিনীর সুমি আক্তার এবং একই ইভেন্টে পুরুষদের বিভাগে একই দলের শাহিনুর রহমান স্বর্ণপদক জেতেন।

আবেগাপ্লুত ক্রুইফ বিদায় বেলায়

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এসেছিলেন ৮ জানুয়ারি, ২০১৩ সালে। চলে গেলেন ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সালে ভোর ৬টায়। আসার সময় বিমানবন্দরে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়েছিল। আর বিদায়বেলায় কেউ পাশে নেই! আশা নিয়ে আগমন। হতাশা নিয়ে গমন। যার কথা বলা হচ্ছে, তিনি লোডভিক ডি ক্রুইফ। বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের এই হেড কোচের সঙ্গে আর নতুন করে চুক্তি নবাযন করেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

এভাবে বিদায় কাম্য ছিল না ক্রুইফের। বলেন, ‘আমার সঙ্গে বাফুফের সব সম্পর্ক শেষ। আমি চেয়েছি বাংলাদেশের ফুটবলকে ভাল একটা পর্যায়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু দুর্ভাগ্য, সেটা পারিনি। তবে যেখানেই থাকি না কেন বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য শুভকামনা থাকবে।’

ফেডারেশন কর্তাদের সঙ্গে মতের অমিল থাকলেও শিষ্যদের সঙ্গে ক্রুইফের সম্পর্ক ছিল মধুর। এ প্রসঙ্গে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন ক্রুইফ, ‘এখানে আমার অনেক সুখস্মৃতি আছে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা খুবই ভাল ছিল। আমি যখন হল্যান্ডে ছিলাম, তাদের সঙ্গে আমার ফেসবুকে যোগাযোগ হতো। তাদের সঙ্গে আমার আত্মার সম্পর্কের মতো ছিল। তাদের খুব মিস করব। এই দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, যারা কি না ভবিষ্যতে ভাল করবে।’

গত এক বছর ফেডারেশনের সঙ্গে ক্রুইফের সম্পর্কটা টিক স্বাভাবিক ছিল না। সময় মতো বেতন না পাওয়ায় একাধিকবার মিডিয়ার কাছে সেটা তুলে ধরেছেন। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচের ২৪ ঘণ্টা আগে ফুটবলারদের অনুশীলন করাতে রাজি হননি! তার দাবি ছিল বেতন দিলে অনুশীলন করাবেন। ক্রুইফের এমন আচরণ ভালভাবে নেয়নি বাফুফে। তবে যাওয়ার আগে বাফুফের কর্তাদের আরও পেশাদারী হওয়ার পরামর্শ জানিয়ে গেছেন ক্রুইফ। বলেছেন, ‘এখানে কাজ করা অনেক চ্যালেঞ্জ। এই দেশে কোচ নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেন। বাফুফেতে অনেক অপেশাদার ব্যক্তি আছেন। বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নের স্বার্থে ফেডারেশনকে আরও পেশাদার হতে হবে।’ একই সঙ্গে নতুন কোচ লোপেজকে অভিনন্দন জানাতে ভুল করেননি ক্রুইফ, ‘তার জন্য আমার শুভকামনা রইল। আশা করি বাংলাদেশের ফুটবলের স্বার্থে তিনি কাজ করে যাবেন।

রানার্সআপ হয়েও তৃপ্ত মেসি!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এক বছরের ব্যবধানে দু’ দুটি বড় আসরের ফাইনালে হেরেছে আর্জেন্টিনা। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে ও ২০১৫ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে হার। যে কারণে সমালোচনায় জেরবার আর্জেন্টাইন অধিনায়ক মেসি। বুধবার দেয়া এক সাক্ষাতকারে বার্সিলোনা তারকা জানিয়েছেন, ফাইনালে হারের কষ্টের কথা। তিনি আপসোসের সুরে বলেছেন, ফাইনালে ওঠার কৃতিত্বটা কেউ দেয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্লিংটনে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচ শেষের এক মিনিট আগে জাদুকরী গোল করে দলের হার এড়ান মেসি। ম্যাচ শেষে সাক্ষাতকারে আবারও বিশ্বকাপ প্রসঙ্গ উঠে আসে। আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বলেন, বিশ্বকাপ ফাইনালের সেই দুঃস্বপ্ন সবাই কাটিয়ে উঠেছিল। কোপা আমেরিকায় আমরা মাঠে নেমেছিলাম নতুন উদ্যমে। লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের ট্রফিটা দেশে নিয়ে যাওয়ার। আসরের শুরু থেকেই দারুণ আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। কিন্তু ফাইনালের হারটা আমাদের জন্য ছিল বজ্রপাতের মতো। এই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে অবশ্যই সময় লাগছে।

মেসি একটি কষ্টের কথাও জানান। তার মতে, এক বছরের ব্যবধানে দুটি এত বড় আসরের ফাইনালে যাওয়ার পরও সমালোচনা বড্ড কষ্ট দেয়। মেসি বলেন, কেউ এই কথাটা নিয়ে ভাবে না। আর্জেন্টিনা গত এক বছরে দুটি বড় আসরে ফাইনালে খেলেছে। এর একটি বিশ্বকাপ। ফাইনালে আমরা জিততে পারিনি। কিন্তু ফাইনালে ওঠার বিষয়টা তো সবার মনে রাখা উচিত।

বিকেএসপিতে সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সাভার জিরানীর বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সাবেক ছাত্রছাত্রীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হবে। সাবেক ছাত্রছাত্রীদের সংগঠন এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশন অব বিকেএসপির (এ্যাব) আয়োজনে এ পুনর্মিলনী আয়োজিত হবে। এ পুনর্মিলনীতে সকালে র‌্যালি বের হবে। প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ ও র‌্যাফেল ড্র শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আছে।

লায়লা আলম দাবায় ইভা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ‘বেগম লায়লা আলম আন্তর্জাতিক রেটিং মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায়’ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফিদেমাস্টার নাজরানা খান ইভা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ইভা ৫ খেলায় ৪ পয়েন্ট পেয়ে শিরোপা জয় করেন। চূড়ান্ত রাউন্ড শেষে ৪ দাবাড়ু ৪ পয়েন্ট করে পান। টাইব্রেকিং পদ্ধতিতে ইভা চ্যাম্পিয়ন, আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার রানী হামিদ রানারআপ, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফিদেমাস্টার শারমীন সুলতানা শিরিন তৃতীয় স্থান লাভ করেন। শেষ রাউন্ডের খেলায় ইভা জাকিয়ার সঙ্গে ড্র করেন। রানী হামিদ রুনুকে, শিরিন দেবজানাকে, এ্যানি জোহরাতুলকে, জান্নাত সাফিয়াকে ও নওশিন শাহনিমাকে হারান। বিজয়ীদের নগদ চল্লিশ হাজার টাকার অর্থ পুরস্কার দেয়া হয়।

এশিয়ান অনুর্ধ ১৪ টেনিস দ্বৈতে পপি-ইতি জুটি চ্যাম্পিয়ন

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এশিয়ান অনুর্ধ ১৪ সিরিজ টেনিসে বৃহস্পতিবার বালক বিভাগের সেমিফাইনাল ও বালিকা বিভাগের দ্বৈতের ফাইনাল খেলাসহ উভয় ইভেন্টের স্থান নির্ধারণী খেলাসমূহ অনুষ্ঠিত হয়। বালিকা দ্বৈতের ফাইনালে বাংলাদেশের ইতি আক্তার ও পপি আক্তার জুটি ৬-১, ৬-১ গেমে প্রতিপক্ষ সাদিয়া আক্তার ও শ্রাবস্তী দেব জুটিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। বালক এককের সেমিফাইনালে বাংলাদেশের মোহাম্মদ ইসতিয়াক ৬-৩, ৬-০ গেমে স্বদেশী স্বাধীন হোসেনকে এবং বাংলাদেশের জুবিন ওমর ২-৬, ৭-৫, ৬-২ গেমে তামিম বিন জাহিদকে হারিয়ে ফাইনালে উন্নীত হয়।