২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্রিটেনে সন্ত্রাসী হামলা চালাতে ফরাসী শিবিরে আইএস!

  • আগস্টে সিরিয়া ছেড়ে ঢুকে পড়া সন্ত্রাসীকে পাকড়াও করার নির্দেশ

সিরিয়া থেকে আগত ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একজন জঙ্গী ‘সন্ত্রাসী হামলা’ চালানোর জন্য অবৈধভাবে ব্রিটেনে প্রবেশের লক্ষ্য নিয়ে ফরাসী সীমান্ত ক্যালে’র অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি শিবিরে লুকিয়ে আছে। স্থানীয় ফরাসী গণমাধ্যমের খবরে একথা বলা হয়। আঞ্চলিক ফরাসী সংবাদপত্র লা ভোয়া দুনর্দ জানায়, ওই ব্যক্তিকে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করার জন্য ফরাসী পুলিশকে বলা হয়েছে। ওই জঙ্গী গত আগস্টে সিরিয়া ত্যাগ করে এবং সে ‘ফিশ এস’ নামে পরিচিত একটি ফরাসী সন্দেহভাজন নজরদারি তালিকায় আছে। পত্রিকাটি সূত্র উল্লেখ না করে বলেছে, তার উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসী হামলা চালানোর জন্য ব্রিটেনে প্রবেশ করা। খবর টেলিগ্রাফের।

উত্তরাঞ্চলীয় ফরাসী দৈনিকটি বলেছে, পুলিশের ধারণা লোকটি ‘জঙ্গল’ বলে পরিচিত একটি অস্থায়ী শিবিরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অভিবাসন প্রত্যাশীর সঙ্গে বসবাস করছে। ফরাসী সরকার ঘোষণা করেছে, ওই শিবির আগামী বছরের গোড়ার দিকে দেড় হাজার আশ্রয়স্থলের সঙ্গে একটি সরকারী শরণার্থী শিবির হিসেবে গণ্য হবে। সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের নজরদারির তালিকায় প্রায় ৫ হাজার লোকের নাম অন্তর্ভুক্ত, পরিচয় পরীক্ষা করার সময় কর্তৃপক্ষের কাছে, যেমন বিমানবন্দরের পাসপোর্ট নিয়ন্ত্রণ বিভাগে যাদের নাম বিশেষভাবে চিহ্নিত। ওই নথিতে ব্যক্তির পরিচয়, ফটো, তালিকাভুক্ত থাকার কারণ এবং পরিচয় শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কিভাবে মোকাবেলা করা হবে সে সব তথ্য অন্তর্ভুক্ত। আইএস জঙ্গীর উপস্থিতির বিষয় কর্তৃপক্ষকে কিভাবে প্রথম অবহিত করা হলো সেটা জানা যায়নি। লা ভোয়া দুনর্দ জানায়, পুলিশের প্রতি ‘তাকে গ্রেফতার এগিয়ে যাওয়ার’ নির্দেশ দেয়া হয়েছে, স্থানীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে মন্তব্য করতে অসম্মত হলেও পূর্ববর্তী একটি খবর অস্বীকার করেছে যে, প্রায় ৪০ জন গোয়েন্দা কোন সম্ভাব্য আইএস জঙ্গী আছে কিনা তা শনাক্ত করতে ক্যালের অভিবাসন প্রত্যাশীদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করেছে। একটি স্থানীয় পুলিশ সূত্রও এ খবরের সত্যতা সমর্থন করতে অস্বীকার করেছে। তবে, সূত্রটি টেলিগ্রাফকে বলেছে, ইউরোপে আগমনকারী হাজার হাজার সিরীয়দের মধ্যে কোন জিহাদপন্থী নেই তার গ্যারান্টি কে দিতে পারে? বুধবার ক্যালেতে অভিবাসীদের সাহায্যদানকারী দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো বলেছে, ক্যালেতে অভিবাসীদের মধ্যে একজন জিহাদপন্থী জঙ্গীর উপস্থিতি ‘পুরোপুরি সম্ভব’ কারণ এটি একজন এক অঞ্চল যেখানে পরিচয় পরীক্ষা করা হয় না।