২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নাটোরে চাঁদা না দেয়ায় ব্যবসায়ীকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন ॥ মোটরপার্টস নেয়ার অভিযোগ

সংবাদদাতা, নাটোর, ১২ সেপ্টেম্বর ॥ নাটোরে চাঁদা না দেয়ায় মিজানুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীকে হাত-পা বেঁধে মারপিট করে সাত লাখ টাকার মোটরপার্টস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শহরের কাদিভিটা এলাকার আয়েজ উদ্দিনের ছেলে গিয়াস উদ্দিনসহ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনকে অভিযুক্ত করে সদর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, হরিশপুর এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে মোটরপার্টসের ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের কাছে অভিযুক্তরা চাঁদা দাবি করে আসছিল। কিন্তু চাঁদা না দেয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর বেলা দুইটার দিকে গিয়াস উদ্দিন তার এক সঙ্গীসহ প্রাইভেটকার নিয়ে মিজানের বাসায় যায়। তারা কৌশলে মিজানকে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নেয়। পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরার সময় অভিযুক্তরা তার কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা তাঁর হাত-পা বেঁধে মুখ টেপ দিয়ে আটকে বেদম মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। এ সময় তারা তার কাছে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও সোনার আংটি ছিনিয়ে নেয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাদিভিটা চৌধুরীদের পেয়ারা ও ঘৃতকাঞ্চন বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে পুনরায় তাকে মারপিট করা হয়। এ সময় তাকে বলা হয়, চাঁদা দাও, নইলে মোটরগাড়ির পার্টস দাও। নতুবা তোমাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে। প্রাণভয়ে মিজানুর টাকার পরিবর্তে মোটরপার্টস দিতে রাজি হয়। তখন অভিযুক্ত গিয়াস তার লোকজন পাঠিয়ে মিজানের বাড়ি থেকে সাত লাখ টাকার মোটর পার্টস তুলে নিয়ে যায়। এরপর অভিযুক্তরা গিয়াসের বাড়ির পেছনে একটি বাড়ির ছাদে নিয়ে গিয়ে ফেলে রাখে। ১০ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে পুলিশকে জানালে তাকে ও তার পরিবারের সকলকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।