১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিন প্রধান প্রার্থীর দু’জনই নারী

তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারীদের রাজনীতিতে উত্থান ঘটছে বলে প্রতীয়মান হয়। দেশের জনগণ জানুয়ারিতে তাদের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে মনে হয়। নির্বাচনে দুটি বড় দলের মনোনীত প্রার্থীসহ তিন প্রধান প্রার্থীর দু’জনই নারী। বিশ্লেষকরা বলেছেন, তাইওয়ানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নারীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যে বিষয়টি প্রতিফলিত হচ্ছে তা হলো বিশ্বের প্রায় যে কোন দেশের চেয়ে তাইওয়ানে রাজনৈতিক ক্ষমতায় আসার ক্ষেত্রে নারীরা ভাল অবস্থানে রয়েছেন। নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটির এমিরিটাস প্রফেসর জয়েস জেলব বলেছেন, দ্বীপটির এ বিষয়টি যখন আমি পর্যবেক্ষণ শুরু করি তখন বিস্মিত হই। রাজনীতিতে নারী বিষয়ের গবেষক এই অধ্যাপক বলেন, এদিক থেকে তাইওয়ান স্ক্যান্ডিনেভীয় দেশগুলোর মতোই। ওই দেশগুলোতে নারীর প্রতিনিধিত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। তাইওয়ানে রাজনীতিতে নারীদের এ উত্থানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, তাদের জন্য বিভিন্ন কোটা ব্যবস্থা। দেশটিতে এ নীতিগ্রহণ করা হয় কয়েক দশক আগে ১৯৮০-এর দশকে যখন বহুদেশীয় রাজনীতি শুরু হয়। নারীরা এখন থেকে এ অবস্থানে আসার জন্য চেষ্টা শুরু করেন।

প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থানে রয়েছেন বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির মনোনীত প্রার্থী সাই ইং-ওয়েন (৫৯)। তিনি ২০১২ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রথম পরাজিত হন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে তিনি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছেন দীর্ঘ সময়ের শক্তিশালী দল কুওমিংটাংয়ের (ন্যাশনালিস্ট পার্টি) প্রার্থী হুং হি সিউ-চু (৬৭)। তিনি বর্তমানে তাইওয়ানের আইন পরিষদের সহসভাপতি। তাইওয়ানের এ পরিস্থিতির সঙ্গে ১শ’ মাইলের বেশি দূরে মূল চীনের পরিস্থিতির বৈসদৃশ্য ব্যাপক। মূল চীনে সমাজতান্ত্রিক শাসন থাকা সত্ত্বেও নেতৃত্বে নারী সংখ্যা বিরল। অথচ সমাজতান্ত্রিক আদর্শে সমাজে নারীদের গুরুত্বের ওপর জোর দেয়া হয়। দেশটির ২৫ জন পলিটব্যুরো সদস্যের মধ্যে মাত্র ২ জন নারী রয়েছেন এবং রাজনীতির শীর্ষ পর্যায় পলিটব্যুরো স্ট্যান্ডিং কমিটিতেও পৌঁছতে পারেননি কেউ। -ইন্টারন্যাশনাল নিউইয়র্ক টাইমস