১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চাঁপাই সীমান্ত ও চরাঞ্চলের গ্রাম গরুতে ঠাসা

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ মাত্র এক শ’ থেকে দেড় শ’ টাকার বিনিময়ে ভারতীয় একটি গরুকে মুহূর্তের মধ্যে বাড়ির পোষা গরুতে রূপান্তর করা হচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের চরাঞ্চল ও সীমান্তের গ্রামগুলো ছোট ও মাঝারি আকারের গরুতে ঠাসা/পদ্মা সাঁতরিয়ে ও সীমান্ত পেরিয়ে এসব গরু আনা হলেও বেশকিছু ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বাণিজ্যের কারণে হয়ে যাচ্ছে বাড়ির পোষা গরু। এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে হাটে- বাজারে নামানো হচ্ছে এসব ভারতীয় গরু। ফলে এই নতুন কৌশলে সরকার হারাচ্ছে বিশাল অঙ্কের রাজস্ব। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ভারতীয় গরুকে বাড়িতে পোষা দেশী গরুতে রূপান্তর করার বাণিজ্যে নেমেছে এসব ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার। গত এক মাস ধরে শিবগঞ্জ, দুর্লভপুর, মনোহরপুর, মাসুদপুর বিভীষণ, রোকনপুর, চাড়ালডাঙ্গা আর ভোলাহাটের চামুশা, চান্দশিকারীসহ ১১ পয়েন্ট দিয়ে দেদার গরু ও মহিষ ঢুকছে। এ ছাড়াও চর বাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখর আলী বিওপি সংলগ্ন এলাকায় একটি অবৈধ করিডর স্থাপন করে প্রতিদিন পদ্মা পেরিয়ে মুর্শিদাবাদ থেকে শত শত মহিষ ও গরু এনে হাঁটা পথে অভ্যন্তর ভাগে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মনোহরপুর, দুর্লভপুর ও মাসুদপুর দিয়ে পদ্মায় ভাসিয়ে গরু আনা হচ্ছে। তবে অন্য বছরের তুলনায় কম।

ইদানীংকালে মাসুদপুর সীমান্তে প্রভাবশালীদের তদ্বিরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি করিডর করার অনুমতি দিয়েছে। আর এই করিডর করার সুযোগে দুই পারের আইন প্রয়োগকারীদের ম্যানেজ করে গরু মহিষ দেদার আসছে। এসব গরু-মহিষের সিংহভাগ রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চলে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। রোকনপুর, বিভিষণ ও চান্দশিকারী সীমান্ত পথে প্রতিদিন শতাধিক গরু আসছে। জুলাই আগস্টে এসব সীমান্ত পথে প্রায় ১৫ হাজার গরু এলেও ভোলাহাট ক্যাটেল করিডর রাজস্ব পেয়েছে মাত্র চার হাজার ৬৭ গরুর। বাকি গরু ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বদৌলতে দেশী পোষা গরুতে রূপান্তর হয়ে বিভিন্ন হাট দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।