১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

টাকা আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় মামলা ॥ বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল ॥ মহাজোটের শরিকদল ওয়াকার্স পার্টির প্রভাবশালী নেতাকর্মীদের ৩০ লাখ টাকার আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় হয়রানির উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে দুদকে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রবিবার সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কথাগুলো বলেছেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক সরদার খালিদ হোসেন স্বপন।

উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যানদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে স্কপন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে দেওয়া অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবী করে বলেন, দুদক তাকে তলব করেনি। আঞ্চলিক কার্যালয়ে অনুসন্ধানের প্রয়োজনে এডিবি’র বরাদ্ধের আড়াই কোটি টাকার কাজের কাগজপত্র চেয়েছে। যেসব কাগজপত্র দুদক চেয়েছেন তার সব কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে উপজেলা চেয়ারম্যান আরও বলেন, সম্প্রতি বাবুগঞ্জ উপজেলার কাবিটা প্রকল্পের কোন কাজ না করেই ৩০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন স্থানীয় ওয়াকার্স পার্টির কতিপয় প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা। উপজেলা পরিষদের সভায় বিষয়টি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করেছি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ণ কর্মকর্তাকে (পিআইও) প্রকল্পের কোন কাজ বিন্দুমাত্র না করা সত্বেও কেন টাকা ছাড় দেয়া হয়েছে তার কারন জানতে চেয়েছি। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে আমি সরকারের বরাদ্ধের ওই টাকার অনূকুলে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য পিআইওকে তাগিদ দিয়েছি। ফলে যাদের হাতে টাকা চলে গেছে তারা আমার ওপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আড়াই কোটি টাকার এডিবি’র প্রকল্প নিয়ে দুদকে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন। অথচ তারা জানেন না, এডিবি’র কাজ উপজেলা প্রকৌশলী স্বচ্ছ টেন্ডারের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করেন। স্বচ্ছ এ টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যাপারে সরকারি কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সরাসরি যুক্ত ছিলেন। এডিবি’র বরাদ্দকৃত টাকায় সকল কাজ স্বচ্ছভাবেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে স্বপন অভিযোগ করেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদ করার কারণেই ওয়াকার্স পার্টির প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা আমাকে হয়রানী ও অপপ্রচারের মুখে ফেলে রাজনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চাইছে। সাংবাদিক সম্মেলনে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিফাত জাহান তাপসী, কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, মাধবপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম, রহমতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল হক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান মিলনসহ আ’লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।