১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শনির সবচেয়ে তরুণ বলয় ‘এফ রিং’

শনি গ্রহের সব বলয় বা ‘রিং’ একই সময়ে জন্মায়নি। এ সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহটির সবচেয়ে দূরের বলয় ‘এফ রিং’ আর তার ভেতর-বাইরে থাকা দুটি উপগ্রহ জন্মেছে একেবারে শেষধাপে। এর অর্থ হলো অন্য বলয়গুলোর তুলনায় শনির ‘এফ রিং’-ই সবচেয়ে ‘তরুণ’। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

যদিও চেহারার বিচারে তা শনির অন্য বলয়গুলোর তুলনায় সবচেয়ে সরু। চওড়া বড়জোড় কয়েক শ’ কিলোমিটার। নাসার দুই মহাকাশযান ‘ভয়েজার’ ও ‘ক্যাসিনি’র পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে জাপানের ‘ন্যাশনাল এ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি’ (এনএও বা ‘নাও’)। শনির সবচেয়ে দূরের এই বলয়টিকে প্রথম খুঁজে পেয়েছিল ‘পাইওনিয়ার ১১’ মহাকাশযান, ১৯৭৯ সালে। শনির লাখ-লাখ কিলোমিটার চওড়া আদিতম বলয়গুলোর চেয়ে অনেক-অনেক দূরে থাকা এই ‘এফ রিং’-এর ভেতর ও বাইরে রয়েছে দুটি উপগ্রহ। ‘প্রমিথিউস’ আর ‘প্যান্ডোরা’ যথাক্রমে- নাসার দুই মহাকাশযান ‘ভয়েজার’ ও ‘ক্যাসিনি’র পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি জানাচ্ছে, শনির আদিতম চওড়া বলয়গুলোতে কয়েক লাখ-কোটি বছর আগে যে পরিমাণ কণা বা কণিকা ছিল, এখন আর তা নেই। হারিয়ে যাওয়া ওই সব কণা বা কণিকাই সুদূর অতীতে বানিয়েছিল ‘এফ রিং’। গড়ে তুলেছিল দুটি উপগ্রহ- ‘প্রমিথিউস’ আর ‘প্যান্ডোরা’র শরীর। ‘প্রমিথিউস’র জন্ম হয়েছিল আগে। একেবারে শেষধাপে জন্মেছিল ‘প্যান্ডোরা’। শনির সবচেয়ে তরুণ বলয় ‘এফ রিং’-এর বাইরে।