২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলার শিকার বেসামরিক লোক

  • এ পর্যন্ত নিহত সহস্রাধিক

ইয়েমেনের হাজ্জা আল-শাম পানি বোতলজাত করার কারখানার শ্রমিকরা রাতের পালায় কাজ শেষে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন আর ঠিক তখনই বিমান হামলা চালানো হয় কারখানাটির ওপর। এতে নিহত হয় ১৩ শ্রমিক। খবর নিউইয়র্ক টাইমস অনলাইনের।

হামলার কয়েকদিন পর ছড়িয়ে থাকা বোতল, জ্বলন্ত বাক্স ও গুঁড়িয়ে যাওয়া মেশিনের পাশে দাঁড়িয়ে কারখানার মালিক ইব্রাহিম আল-রাজুম সম্ভাব্য কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না যে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের যুদ্ধবিমান এখানটায় কেন বিমান হামলা চালিয়েছে। কারখানাটি বোমা তৈরির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল এ রকম কোন আভাস পাওয়া যায় না ধ্বংসাবশেষ থেকে। অথচ জোটের এক মুখপাত্র দাবি করেছিলেন, কারখানাটিতে বোমা তৈরি করা হতো। কারখানাটি কোন সামরিক স্থাপনা থেকেও বেশ দূরে ছিল। এতে ব্যাখ্যা মেলে যে, জোটের বিমান হামলা এক দুঃখজনক ভুল। কারখানাটির চারপাশে কয়েক মাইল এলাকাজুড়ে মরুভূমির গুল্মজাত গাছ ছাড়া কিছুই নেই। রাজুম বলেন, আমার কখনও মনে হয়নি যে, কারখানাটি বিমান হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ছয় মাস ধরে চলে আসা এ যুদ্ধের কারণে ইয়েমেনের বেসামরিক মানুষকে জীবনের অসংখ্য ঝুঁকি ও বিপদের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তারা অনশনে থাকছে। তাদের শহরগুলো ধূলিসাত হচ্ছে। কিন্তু জোটের বিমান হামলার মতো এতটা দুর্ভোগ তাদের জন্য দ্বিতীয়টি নেই। বিদ্রোহী হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি জোটের যে বিমান হামলা শুরু হয় তা এতটা ব্যাপক ও অনৈতিক হয়ে পড়েছে যে হুতিদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বসবাসকারী জনগণ জোটের যৌথ শাস্তির শিকার হচ্ছে বলে সমালোচকরা অভিযোগ করেছেন। জোটের এ বিভ্রান্ত হামলা চালানো হচ্ছে মার্কেট এ্যাপার্টমেন্ট ভবন ও শরণার্থী শিবিরগুলোতে। কিছু বোমা বর্ষণ করা হচ্ছে সামর্কি লক্ষ্যবস্তু থেকে দূরবর্তী কোন লক্ষ্যস্থলে। এ রকম এক হামলায় বিধ্বস্ত হয়েছে রাজুমের কারখানাটি। মানবাধিকার গ্রুপগুলো বলেছে, এ ধরনের বিমান হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত।