১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রতারনার শিকার কেশবপুরের ১৮ জন হজ পালন করতে পারেননি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কেশবপুর॥ প্রতারনার শিকার কেশবপুরের ১৮ হজযাত্রী এবার হজ পালন করতে পারলেন না। ভুয়া এজেন্সীর খপ্পরে পড়ে তাঁর প্রতারনার শিকার হয়ে হজ্জ্ব পালন করতে তো পারলেনই না সাথে লাখ লাখ টাকা হারিয়েছেন তারা। এসব হজযাত্রী টাকা ফিরে পেতে ছুটে বেড়াচ্ছেন।

জানা গেছে কেশবপুর হাসপাতাল জামে মসজিদের ঈমাম ও কেশবপুর আলিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সামাদ ভূয়া হজ্জ্ব এজেন্সীর পরিচয় দিয়ে ১৮ হজযাত্রীর প্রত্যেকের কাছ থেকে ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি প্রতারনার মাধ্যমে ১৮ জনকে ভূয়া আইডি কার্ড প্রদান করেছেন। গত বুধবার ১৮ জনের হজ ফ্লাইটের দিন জানানো হয়। সেভাবে সকলেই হজযাত্রী যাবার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। ফ্লাইটের আগের রাতে মাওলানা আব্দুস সামাদ জানান, এজেন্সীর তাঁদের দেয়া টাকায় জমা না দিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে এবং তাঁদের দেওয়া কাগজপত্র ভূয়া। হজ গমনে ব্যর্থ হয়ে টাকা দেয়া ব্যক্তিরা মাওলানা সামাদ পরিচালিত কওমি মাদরাসায় তার কাছে যান এবং ভিসা না পাওয়ায় কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। ক্ষতিগ্রস্থরা টাকা ফেরত চাইলে মাওলানা সামাদ তখন প্রত্যেককে সোনালী ব্যাংক কেশবপুর শাখায় তার ০০২০১৮৯৫১ হিসাব নম্বরের ২০/১১/২০১৫ তারিখের চেক প্রদান করেছেন।

টাকা দেয়া ১৮ ব্যক্তি হলেন, আব্দুল বারিক সরদার ও তার স্ত্রী, আব্দুল হামিদ মাষ্টার ও তার স্ত্রী, আব্দুল ওয়াদুদ, আব্দুল মজিদ গাজী, মাওলানা আসাদুজ্জামান ও তার মা-বোন, মাষ্টার আশরাফ আলী, শামসুর রহমান, হাফেজ আতাউর রহমান, বাচ্চু রহমান ও তার মা, বোন, বোনজামাই এবং আহম্মদ আলী ও তার স্ত্রী ফাতিমা আহম্মেদ। এ ব্যাপারে মাওলানা আব্দুস সামাদ সাংবাদিকদের বলেন, দেশে বিদেশে আমার অনেক বন্ধু রয়েছে। আমি যশোরের এ.কে ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলসের মাধ্যমে এসব টাকা জমা দিয়েছি। কেন ভিসা হয়নি তা বলতে পারব না।