২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘন করলে ৭ বছরের জেল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ সংশোধিত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন পরিপালনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন লংঘন করলে আর্থিক দন্ডের পাশাপাশি সর্বোচ্চ শাস্তি হবে ৭ বছরের জেল। এর আগে আইন লংঘঘনের সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ৪ বছর। তবে আর্থিক জরিমানার কোন বিধান ছিল না। একইসঙ্গে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকের বিদেশস্থ স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব চাওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংককে।

জানা গেছে, গত ৬ সেপ্টেম্বর সংসদে পাশ হওয়া সংশোধিত ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট বা বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫-তে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সংশোধিত আইন পরিপালনের জন্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা ও সিকিউরিটিজ ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৪৭ সালে এ আইন করা হয়। পরে ১৯৭৬ ও ২০০৩ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়েছিল। এখন আরও যগোপযোগী করা হল। সংশোধিত আইনের আওতায় আইন লংঘনকারীর বিরুদ্ধে আর্থিক দন্ড দিতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে দন্ডের পরিমাণ কি হবে তা আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্ধারণ করে দিতে বলা হয়েছে। সময়ে-সময়ে যা পরিবর্তন করা যাবে। এতে বলা হয়েছে, এ আইন বাংলাদেশের সব নাগরিক ও বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনে বাংলাদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি ও অন্য দেশের নাগরিকদের হাতে থাকা বিদেশি মুদ্রা বা বৈদেশিক সিকিউরিটিজ সম্পর্কিত তথ্য এবং বিদেশে তাদের স্থাবর বা অন্য সম্পত্তির তথ্য চাইতে পারবে। এছাড়া সেবা খাতের ক্রয়-বিক্রয়ের বিষয়টি নতুন আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আইন সংশোধনের ফলে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হিসাবে কাজ করতে এখন থেকে আর বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে না। একইসঙ্গে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের শাখা বা লিঁয়াজো অফিস খুলতে শুধু বিনিয়োগ বোর্ডের অনুমোদন নিলে চলবে। তবে ব্যবসা শুরুর বিষয়টি সঙ্গে-সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকে রিপোর্ট করতে হবে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ‘কারেন্সি, ‘সিকিউরিটিজ, ‘এক্সচেঞ্জ, ‘অ্যাকাউন্ট, ‘ট্রানজেকশস, ‘সার্ভিসেস, ‘ক্যাপিটাল অ্যাকাউন্ট ট্রানজেকশনস’, ‘গুডস- এসব শব্দের সংজ্ঞাও হালনাগাদ করা হচ্ছে।