২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্রিটেনে লাগাতার ধর্মঘটের হুমকি ইউনিয়ন নেতাদের

  • লেবার নেতা হিসেবে করবিনের বিজয়ে অভিনন্দন

রবিবার ব্রিটেনের ট্রেড ইউনিয়ন নেতারা লেবার পার্টির নেতা হিসেবে জেরেমি করবিনের বিজয়কে অবিরাম ধর্মঘট ডেকে এবং নাগরিক অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটেনকে অচল করে দেখার হুমকি দিয়েছেন। যুক্তরাজ্যের বৃহত্তম ট্রেড ইউনিয়নগুলোর প্রধানগণ লেবার নেতা হিসেবে করবিনের বিজয়কে অভিনন্দিত করেছেন। তারা ‘সমন্বিত ধর্মঘট’ এবং বিক্ষোভ অনুষ্ঠান দ্বারা সরকার পতনের হুমকি দেন। খবর টেলিগ্রাফের।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ট্রাইডেন্ট পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ও ন্যাটোতে ব্রিটেনের সদস্যপদ প্রশ্নে বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির কারণে করবিন যখন একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন লেবার পার্টির জন্য সেই বিশৃঙ্খলার দিনেই এ হুমকি এলো। রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি অবশেষে তার ঘনিষ্ঠতম রাজনৈতিক মিত্র জন ম্যাকডোনেলকে ছায়া অর্থমন্ত্রী নিয়োগ করেন। যদিও তাকে অর্থমন্ত্রীর পদ দেয়াতে এমপিরা তার অধীনে কাজ না করার জন্য হুমকি দিয়েছেন।

এদিকে রবিবার রাতে চুকা উমুন্না ছিলেন ছায়া মন্ত্রিসভা ছেড়ে যাওয়া সবচেয়ে বহুল পরিচিত ব্যক্তিত্ব। ইউরোপবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে তিনি করবিনের অধীনে কাজ করতে পারবেন না বলে জানিয়ে দেন। ট্রাইডেন্ট পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নবায়ন প্রশ্নে করবিন ও নতুন উপনেতা টম ওয়াটসনের মধ্যে তাৎক্ষণিক মতবিরোধের বিষয় প্রকাশ হয়ে পড়ার সময় তার ছায়া মন্ত্রিসভা ত্যাগের ঘটনা ঘটল। ওয়ালটন এটাও পরিষ্কার করে দেন যে, তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো প্রশ্নে করবিনের অবস্থানের বিরোধিতা করবেন। এতে এই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে, নতুন নেতৃত্ব সামনের সপ্তাহগুলোতে প্রধান প্রধান নীতি অবস্থানের প্রশ্নে হয়ত একমত হতে পারবে না।

লেবার পার্টির বৃহত্তম ব্যক্তি দাতা জন মিলস্্ বলেছেন, করবিন নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পার্টিকে অর্থ প্রদান বন্ধ করে দেবেন এবং এর পরিবর্তে তাকে সরিয়ে দেয়ার যারা গোপন পরিকল্পনা করছেন তাদের অর্থায়ন করবেন। করবিন বিবিসির এ্যান্ডু মারের অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে অস্বীকার করেন। এর পরিবর্তে তিনি উত্তর লন্ডনে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি ছোটখাটো সমাবেশে যোগ দেয়ার মনস্থ করেন।

তিনি দিবসের অধিকাংশ সময় পার্লামেন্টে অতিবাহিত করেন। শনিবার লেবার নেতা ঘোষিত হওয়ার পরবর্তী সময়ে ১০ জনেরও বেশি ছায়ামন্ত্রীর পদত্যাগের পর করবিন একটি ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রচেষ্টা চালান। তিনি ট্রাইডেন্টের মতো প্রশ্নে সম্ভাব্য ছায়া ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের স্বাধীনভাবে ভোটদানের প্রস্তাব দিতে বাধ্য হন, কারণ অনেক মধ্যপন্থী এমপি সামরিক বাহিনী ও ইইউ প্রশ্নে তার দৃষ্টিভঙ্গির বিরোধিতা করছেন।