১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শুরু হচ্ছে ইতালিয়ান কোচ ফ্যাবিও লোপেজের পালা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ ফিফা বিশ্বকাপ ও এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী ম্যাচ (এ্যাওয়ে) ১৩ অক্টোবর কিরগিজস্তানের বিপক্ষে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের ৪১ জনের প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) সোমবার। এদের নিয়ে একটি আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আজ মঙ্গলবার থেকে মতিঝিলে অবস্থিত বাফুফে ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। ডাক পাওয়া খেলোয়াড়দের আজ মঙ্গলবার বাফুফে ভবনে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জামাদিসহ দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু এবং সহকারী প্রশিক্ষক একেএম সাইফুল বারী টিটুর কাছে রিপোর্ট করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কোচ টিটু বলেন, ‘নতুন কোচ ফ্যাবিও লোপেজ এই দল নিয়ে ঢাকায় পাঁচদিন পর্যবেক্ষণ করবেন। তারপর আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দল নিয়ে চলে যাবেন সাভারের জিরানির বিকেএসপিতে। পরে যথাসময়ে সেখান থেকে ২৩ খেলোয়াড়কে চূড়ান্ত করবেন তিনি।’ পরে চূড়ান্ত দল নিয়ে আগামী ৯ অক্টোবর কিরগিজস্তানের উদ্দেশে রওনা হবে বাংলাদেশ দল। লোপেজ দায়িত্ব নিয়ে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ দলের নতুন দুই কোচ (সহকারী কোচ কস্তানতিনো জুকারিনি এবং ফিটনেস কোচ এ্যাঞ্জেলো পাভিয়া। দুজনেই ইতালিয়ান) বাংলাদেশে আসবেন ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। কিন্তু টিকেট সংক্রান্ত সমস্যার কারণে তারা সময়মতো আসতে পারেননি। অবশেষে সে সমস্যার সমাধান হওয়ায় তারা আসছেন আগামী বুধবার। টিটু জানান, ‘এই তালিকায় আরও দুটি নাম যোগ হতে পারে। এরা হলেন দুই ফরোয়ার্ড মোহামেডানের ইব্রাহিম এবং রহমতগঞ্জের মান্নাফ রাব্বি।’ এ দুজনই আপাতত আছেন অনুর্ধ ১৯ দলের ক্যাম্পে। টিটু আরও জানান, ‘এটা বিশ্বকাপ বাছাইয়ের স্কোয়াড হলেও আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আগামী জানুয়ারিতে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ।’ ৪১ জনের প্রাথমিক স্কোয়াডে নতুন মুখ হিসেবে ডাক পেয়েছেন ছয় ফুটবলার। এরা হলেনÑ শেখ রাসেলের ফরোয়ার্ড রুম্মন হোসেন, মোহামেডানের ফরোয়ার্ড মাসুক মিয়া জনি, আবাহনীর মিডফিল্ডার শাকিল আহমেদ, ব্রাদার্সের রাশেদুল আলম মনি, টিম বিজেএমসির ফরোয়ার্ড নাবিব নেওয়াজ জীবন এবং ফেনী সকারের ফরোয়ার্ড সোহেল মিয়া। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিন ফুটবলার। শেখ রাসেলের লেফটব্যাক ওয়ালী ফয়সাল, মুক্তিযোদ্ধার লেফটউইঙ্গার ফয়সাল মাহমুদ এবং শেখ রাসেলের স্টপারব্যাক রেজাউল করিম। প্রাথমিক দলে গোলরক্ষক চারজন। তারা হলেনÑ শহীদুল আলম, মাজহারুল ইসলাম, রাসেল মাহমুদ এবং আশরাফুল ইসলাম রানা। দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ফুটবলার হচ্ছেন শেখ জামাল ধানম-ির, ১৪ জন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯ জন, শেখ রাসেলের। এছাড়া ঢাকা আবাহনীর ৮, মোহামেডানের ৪, ব্রাদার্স ও মুক্তিযোদ্ধার ২ জন করে, বিজেএমসির ও ফেনী সকারের ১ জন করে।

বাংলাদেশ প্রাথমিক স্কোয়াড ॥ রাসেল মাহমুদ লিটন, আশরাফুল ইসলাম রানা, শহীদুল আলম সোহেল, মাজহারুল ইসলাম, মামুনুল ইসলাম, রায়হান হাসান, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, ইয়ামিন মুন্না, ইয়াসিন খান, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোনায়েম খান রাজু, মোহাম্মদ শাহেদুল আলম শাহেদ, তকলিস আহমেদ, কেষ্ট কুমার বোস, মোহাম্মদ লিঙ্কন, শাখাওয়াত হোসেন রনি, আতিকুর রহমান মিশু, তপু বর্মণ, হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস, জাহিদ হোসেন, জাহিদ হাসান এমিলি, ওয়ালী ফয়সাল, রেজাউল করিম, রুম্মন হোসেন, জুয়েল রানা, তৌাহিদুল আলম সবুজ, মাসুক মিয়া জনি, নাসিরুল ইসলাম নাসির, ওয়াহেদ আহমেদ, আবদুল বাতেন মজুমদার কোমল, শাহেদুল আলম শাহেদ, ইমন বাবু, শাকিল আহমেদ, রাশেদুল আলম মনি, ইমতিয়াজ সুলতান জিতু, আমিনুর রহমান সজীব, ফয়সাল মাহমুদ, এনামুল হক, নাবিব নেওয়াজ জীবন এবং সোহেল মিয়া।