১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আরচার তামিমুল ও নন্দিনীকে সংবর্ধনা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ সামোয়াতে কমনওয়েলথ যুব গেমসের পঞ্চম আসরে আরচারিতে সোনা ও তাম্রপদক বিজয়ী দুই বাংলাদেশী আরচারকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রবিবার গভীর রাতে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ)’র কোষাধ্যক্ষ কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, বিওএর উপ-মহাসচিব আশিকুর রহমান মিকু, বাংলাদেশ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কামরুন নাহার ডানাসহ অন্য কর্মকর্তা ফুল দিয়ে বরণ করেন দেশের মুখ উজ্জ্বল করা দুই আরচার তামিমুল ইসলাম এবং নন্দিনী খান স্বপ্নাকে।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র সামোয়াতে দেশের বিজয়-পতাকা উড়িয়েছেন আরচার তামিমুল ইসলাম। যুব কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণ জিতেছেন তিনি। গেমসের আরচারির রিকার্ভ বো এককে তামিমুল স্বর্ণ জিতেছেন তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালে ভারতের নিশানাথ কুমাওয়াটকে হারিয়ে। তিনি সেমিফাইনালে হারিয়েছিলেন টোঙ্গার আরচারকে। বালিকা বিভাগে নন্দিনী খান স্বপ্না তাম্রপদক জিতেছেন মালয়েশিয়ার মাজলান নুরামনিয়া হানিসসাকে হারিয়ে।

উল্লেখ্য, যুব কমনওয়েলথ গেমসে এবারই প্রথম আরচারিতে অংশ নেয় বাংলাদেশ। প্রথম অংশগ্রহণেই বাজিমাত আচরারদের। দুজন অংশ নিয়ে দুটি পদক। দক্ষিণ এশিয়ার গ-ি পেড়িয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশের এমন সাফল্য বিরল। বিমানবন্দরে এ দুই বিজয়ী আরচার আগামী দিনে এ ধরনের বিজয় অব্যাহত রাখতে দেশবাসীর দোয়া কামনা করেন। ২০২০ অলিম্পিককে টার্গেট ধরেই আরচারির ক্ষেত্রে আরও ভাল করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করার কথা জানান বাংলাদেশ আরচারি ফেডারেশন কর্তৃপক্ষ। রবিবার রাত ১২টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তামিমুল-স্বপ্না। দুটো পদক পাওয়াকে বিরল ঘটনা উল্লেখ করে এ জয়কে দেশের জনগণের জন্য উৎসর্গ করেন চপল। আরচারি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আরও ভাল ফলের ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভব বলে মনে করেন চপল। আরচারি এই দলের প্রশিক্ষক ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন। এ প্রতিযোগিতায় আরচারির কল্যাণে বাংলাদেশ দলের অর্জন ১ স্বর্ণ ও ১ তাম্রপদক। কমনওয়েলথ ইয়ুথ গেমসে অংশ নিতে ১৪ সদস্যের বাংলাদেশ গিয়েছিল সামোয়ায়। গেমস শেষ হয় শুক্রবার। গেমসে আরচারি ছাড়াও বাংলাদেশ অংশ নেয় এ্যাথলেটিক্স, বক্সিং, সাঁতার এবং স্কোয়াশ ডিসিপ্লিনে। বাংলাদেশ দলের সেফ দ্য মিশন ছিলেন বাংলাদেশ অলিম্পিক এ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মানু।