১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পশ্চিমাঞ্চলের নয়টি স্টেশন চালু হওয়ায় অতিরিক্ত রাজস্ব আয়

পশ্চিমাঞ্চলের নয়টি স্টেশন চালু হওয়ায়  অতিরিক্ত রাজস্ব আয়

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ যাত্রীর সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে রেলওয়ের অতিরিক্ত রাজস্ব আয়, ব্লক সেকশনের দুরুত্ব কমানো, ট্্েরন ক্রসিং, সমানুবর্তিতা, ভ্রমন সুবিধা, তথ্য সংগ্রহ সুবিধা ও জন কষ্ট দূর করতে রেলওয়ে পাকশী বিভাগের ব্যবস্থাপক আফজাল হোসেন ও ডিআরএম নাজমুল ইসলাম দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকা ৯টি স্টেশন চালু করেছেন। পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম খায়রুল আলমের সঠিক তদারকি ও নির্দেশে এসব স্টেশন চালু করা হয়েছে। এতে রেলওয়ে’র পাকশী ও লালমনিরহাট বিভাগে রাজস্ব আয় ও যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধির কাজ শুরু হয়েছে । ফলে এ বিভাগে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। পশ্চিমাঞল রেলওয়ের দু’ বিভাগের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে এসব জানা গেছে।

মঙ্গলবার পাওয়া সূত্র মতে পাকশী ও লালমনিরহাট বিভাগ নিয়ে পশ্চিমাঞল রেলওয়ে গঠিত ।এর মধ্যে দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও পুরাতন রেলওয়ে’র বিভাগীয় অফিস পাকশী। দেশস্বধীনের পর লালমনিরহটি বিভগ গঠিত । এ দুটি বিভাগের অধিনে মোট রেলওয়ে স্টেশন ১’শ ৫১ টি। এসব স্টেশন চালু থাকার কারণে পশ্চিমাঞল রেলওয়ের যাত্রী সেবার মান ও ট্্েরন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু কালের পরিবর্তনের সাথে সাথে রাজনৈতিক, গোল্ডেন হ্যান্ডসেক দেওয়া ও অবসরজনিত কারণে লোকবল কমে যাওয়ায় যাত্রী সেবার মান ঠিক রেখে ট্্েরন চলাচল স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। দিন গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে এ অঞ্চলে লোকবলের সংকট প্রকট আকার ধারণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে লোকবলের অভাবে মোট ১’শ ৫১ টি স্টেশনের মধ্যে ৯৮ টি স্টেশন পর্যায়ক্রমে বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এতে করে রেলওয়ে’র সংকট আরও বৃদ্ধি পায়। এ অবস্থায় পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহা ব্যবস্থাপক খায়রুল আলম ,পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আফজাল ুহোসেন ও সকল বিভাগের প্রধানদের সমন্বয়ে সংকট মোকাবেলার সিদ্ধান্ত নেন। সেই মোতাবেক কর্মকর্তারা এক বছরের মধ্যে জরুরি ভিত্তিতে স্টেশন মাস্টার নিয়োগের প্রক্রিয়া মাথায় রেখে এক বছরের জন্য চুক্তি ভিত্তিক মাস্টার নিয়োগের মাধ্যমে প্রথম বারের মতো গত কয়েকদিনে নয়টি স্টেশন পুনরায় চালু করা হয়েছে। চালুকৃত স্টেশনগুলো হলো আজিমনগর, শরৎনগর, রানীনগর, মাধনগর, বারো বাজার, সবদারপুর, বেজের ডাঙ্গা, হিলি ও শীতলাই। এ স্টেশনগুলো চালুর ফলে আন্তঃনগর এক্সপ্্েরসসহ সকল প্রকার ট্্েরনের ব্লক সেকশনের দুরুত্ব কমে ট্্েরন ক্রসিংয়ের সুবিধা বৃদ্ধি পেয়েছে। ট্্েরনের সময়নুবর্তিতা, ভ্রমন, তথ্য সংগ্রহ সুবিধা বৃদ্ধি এবং জনকষ্ট কমে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।