১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মির্জাগঞ্জে এনজিওর প্রতারণার শিকার দুস্থ নারী

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ মির্জাগঞ্জে শুকতারা মহিলা সংস্থা নামে একটি এনজিওর প্রতারণার স্বীকার কয়েক শত নারী সদস্য বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। মঙ্গলবার সকালে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে ভুক্তভোগিরা এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। এ সময় বিক্ষোভকারী নারী সদস্যরা ওই এনজিওর কর্ণধার শফিকুল ইসলাম কায়সারের শাস্তি ও তাদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে নেয়া টাকা ফেরত চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। এর আগে শুকতারা মহিলা সংস্থার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগপত্র দায়ের করেন তারা, ওই অভিযোগে মির্জাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মোট ৬০ জন দুঃস্থ মহিলারা স্বাক্ষর করেন। অভিযোগে বলা হয়, শুকতারা মহিলা সংস্থার কর্ণধার মোঃ শফিকুল ইসলাম কায়সার ও তার স্ত্রী মোসাঃ এলিন মির্জাগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার দুস্থ মহিলাদের গরু ও ছাগল দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে ১৮শ’, ২ হাজার ও ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় সংগ্রহ করে।

যারা সঞ্চয় এক বছরের মধ্যে জমা দিবে তাদের ২৬ হাজার টাকা মূল্যের গরু দেয়া হবে বলে ওই এনজিওর পক্ষ থেকে বলা হয়। কিন্তু টাকা নেয়ার পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও শুকতারা মহিলা সংস্থা এসব দুস্থ মহিলাদের কোন গরু অথবা টাকা ফেরত দেয়নি। উল্টো বর্তমানে টাকা চাওয়ায় শফিকুল ইসলাম কায়সার সে সব নারীদের ভয়ভীতি ও হামলা, মামলার হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া টাকা নেয়ার সময় শুকতারা মহিলা সংস্থার অফিস ও সাইনবোর্ড থাকলেও বর্তমানে তার কিছুই নেই। এদিকে স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলাম কায়সার নিজেকে উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। এরই ধারবাহিকতায় তিনি প্রায় দুই হাজার মহিলার কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করেন। এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম কায়সার বলেন, ‘এনজিও ফাউন্ডেশন থেকে আমার কিছু গরু পাবার কথা ছিল, কিন্তু সেগুলো আমি এখনও পাইনি বলে তাদের দিতে পারিনি। আর গরু পাব-পাব বলে সদস্যদের সঞ্চয় টাকা ও ফেরত দেয়া হয়নি।’ তবে মির্জাগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৬০ জন ভুক্তভোগি নারী সদস্য শুকতার মহিলা সংস্থার শফিকুল ইসলাম কায়সার ও তার স্ত্রী এলিনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দিয়েছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

চাকরির খোঁজে ঢাকায় এসে যশোরের যুবক নিখোঁজ

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ চাকরির সন্ধানে ঢাকায় গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ফারুক আহম্মেদ। ফারুক আহম্মেদ যশোরের শার্শা উপজেলার বড় বসন্তপুর গ্রামের দিন মুজুর আব্দুল ওহাবের ছেলে। দরিদ্র বাবার আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনার জন্য এমবিএ পাস করে ২১ দিন পূর্বে বাড়ি থেকে চাকরির সন্ধানে ঢাকায় যান। ফারুক আহম্মেদ গাজীপুর জেলার টঙ্গী মডেল থানার মরকুল মধ্যপাড়ার রাজিয়া সুলতানার ৭৮০ নম্বর বাসার মেসে ওঠেন। টঙ্গী মডেল থানার সাধারণ ডায়রির বর্ণনা মতে ১১ সেপ্টেম্বর সকালে ফারুক আহম্মেদ মেস থেকে বাইরে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন।

এ ঘটনার পর রুমমেট সাইফুল্লাহ ব্যাপক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে দুই দিন পর টঙ্গী মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করেন। এদিকে ফারুক আহম্মেদের বৃদ্ধা পিতা-মাতাসহ আত্মীয়-স্বজনরা তার জন্য নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

কিশোরগঞ্জে নৌকাডুবি নিখোঁজ ৩

নিজস্ব সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ হাওড় অধ্যুষিত অষ্টগ্রামের কাকুরিয়া হাওড়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় ইঞ্জিনচালিত নৌকার ৯ জনের মধ্যে এখনও ৩ যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, অষ্টগ্রাম উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রামে উরস অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে মঙ্গলবার ভোরে একটি ছোট ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে ৯ যাত্রী পার্শ্ববর্তী মিঠামইন উপজেলার ঘাগড়া গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে অষ্টগ্রামের কাকুড়িয়া হাওড়ে প্রচ- ঢেউয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এ সময় অন্য যাত্রীরা সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ হয় তিন যাত্রী। নিখোঁজ যাত্রীরা হলো- মিঠামইনের ঘাগড়া ইউনিয়নের কলাপাড়া গ্রামের আঃ হাইয়ের ছেলে আফতাব মিয়া (৩৫), একই গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া (৩০) ও রজব আলী (৪২)।