১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গরু মোটাতাজা করার ওষুধ ফেরি করে বিক্রি

  • ডাইনোফেক ও হরমোন

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ ওষুধের নাম ডাইনোফেক সঙ্গে হরমোন জাতীয় একাধিক ব্রান্ড বা কোম্পানির ওষুধে সীমান্তের হাটবাজার ঠাসা। বিক্রি, মওজুদ, ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ার পরও এসব ভারতীয় ওষুধ সীমান্ত গলিয়ে প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। মুদিখানার দোকানেও এসব নিষিদ্ধ ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে। তিন মাস আগে থেকেই এসব ওষুধ বিক্রি হয়ে আসছে। ঈদ-উল-আযহা বা কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যাপক হারে মওজুদ ও বিক্রি বেড়েছে। এর বাইরেও পশু মোটা তাজাকরণে ব্যবহৃত ১৯ জাতের ওষুধ এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ, শিবগঞ্জ, নাচোল, রহনপুর পৌরসভাসহ সীমান্তের শাহাপাড়া, মনোহারপুর, লক্ষ্মীপুর, পাকা, নিপদ্মা, দক্ষিণপাকা, নারায়ণপুর, জোহরপুর, হাকিমপুর, বিদিরপুরসহ জেলার সবকটি ইউনিয়নের যত্রতত্র পাওয়া যাচ্ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৭৪ কিঃ মিঃ সীমান্তের একাধিক কর্ণার দিয়ে চোরাকারবারিরা এসব নিষিদ্ধ ওষুধ নিয়ে আসছে। শিবগঞ্জ, ভোলাহাট ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফেরি করে বিক্রি করছে এসব ওষুধ। চিৎকার করে ফেলিওয়ালারা গরু, ছাগাল, ভেড়া মোটা তাজাকরণের এসব ওষুধ বিক্রি করছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাছাকাছি গোদাগাড়ী সীমান্তের ২১টি পয়েন্ট দিয়ে এসব নিষিদ্ধ ওষুধ এনে মওজুদ করছে। মওজুদ ওষুধ চলে যাচ্ছে বিভিন্ন বড় বড় জেলা শহর, রাজধানী ও চট্টগ্রামে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের হাট বাজারে এসব নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি করছে তথাকথিত গ্রাম্য ডাক্তার ও নামধারী রাতারাতি গ্রামীণ পশু চিকিৎসকরা। তারা একেবারে নিশ্চয়তা দিয়ে কত ঘণ্টার মধ্যে পশু তার নির্ধারিত ওজনের চেয়ে অতিরিক্ত ওজনধারী পশুতে রূপান্তর হবে তার নিশ্চয়তা দিয়ে বিক্রি করছে এসব ওষুধ। এমনকি গ্রামগঞ্জের ফার্মেসি ও ওষুধের দোকানেও মিলছে এসব নিষিদ্ধ ভারতীয় মোটা তাজা করার পশু ওষুধ।

বিশেষ করে অধিক ক্ষতিকারক ও পরিবেশ ধ্বংসকারী ডাইনোফেক বিভিন্ন নামে বিক্রি হচ্ছে গ্রামীণ জনপদে। তাদের প্রচারের লক্ষ্য পশু সুস্থ ও ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক শক্তি হিসেবে দ্রুত কাজ করা। সীমান্ত হতে এসব নিষিদ্ধ ওষুধ দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে যাবার ব্যাপারে ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করছে এক শ্রেণীর নারী। অবিলম্বে এসব নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি ও প্রবেশ বন্ধ করতে না পারলে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ এসব ওষুধ খেয়ে মোটা পশুর মাংশ নানান ধরনের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইলে ডাকাত আতঙ্কে ঘুম হারাম গ্রামবাসীর

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ সখীপুরে ডাকাত আতঙ্কে মাইকে মাইকে সতর্কবার্তা প্রচার করে নির্ঘুম রাত কাটে উপজেলাবাসীর। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার পর থেকে সখীপুরে সশস্ত্র ডাকাত দল প্রবেশের একটি খবর মুহূর্তের মধ্যে মোবাইল ও ফেসবুকের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী উপজেলাসহ দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক দেখা দেয়। উপজেলার সর্বত্র হৈ-হুল্লোড় করে রাতব্যাপী দলবেঁধে নিজ নিজ এলাকা পাহারা দিচ্ছে। এ খবরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও উপজেলার প্রবেশদ্বারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশী তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে সখীপুর থানার সরকারী নম্বরে ফোন দিয়ে জানানো হয় যে প্রাইভেট কারযোগে একদল সশস্ত্র ডাকাত আপনার এলাকায় ঢুকেছে। এরা রাতে উপজেলার যে কোন স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটাবে। এ খবরটি পুলিশ উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশী তৎপরতা বাড়ায়। ফেসবুকেও প্রচার করা হয় নানা রকম সতর্কবার্তা।

পটুয়াখালীতে পুলিশের বাড়িতে ডাকাতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, পটুয়াখালী থেকে জানান, সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়ির তিন ঘরে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা এ সময় অস্ত্রের মুখে ওই সব পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে। সোমবার মধ্য রাতে এ ঘটনা ঘটে। সদর থানার সাব ইন্সপেক্টর মোঃ মোমিন জানান, সোমবার রাত ১টার দিকে কিছু অস্ত্রধারী বরগুনায় কর্মরত পুলিশ সদস্য বারেক সরদারের বাড়িতে হামলা চালায়।