১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বরগুনায় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে পারাপার ॥ দুর্ঘটনার শঙ্কা

নিজস্ব সংবাদদাতা, বরগুনা, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ বরগুনার খাকদন নদীর ওপর ব্যস্ততম লাকুরতলা সেতুটি দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত পারাপার হচ্ছে মানুষ। বিকল্প কোন পথ না থাকায় আঁকাবাঁকা কয়েকটি লোহার পিলারের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ভাঙ্গাচোরা সেতুটি দিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে লাখ লাখ পথচারী। সেতুটির অবস্থা এতটাই নড়বড়ে যখন তখন ভেঙ্গে ঘটতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতু দিয়ে জেলা শহরের সঙ্গে গৌরীচন্না, ফুলঝুঁড়ি ও বদরখালীর ইউনিয়নের পারাপার হচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী বামনা ও বেতাগী উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষও ব্যবহার করছে সেতুটি। এর মধ্যে চার থেকে পাঁচ হাজার বিদ্যালয় ও কলেজগামী শিক্ষার্থীকেও পার হতে হচ্ছে জীবনাশঙ্কা নিয়ে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) বরগুনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের শেষ দিকে প্রায় আট লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি সংস্কার করা হয়। কিন্তু মাস যেতে না যেতে এটি পুনরায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সম্প্রতি নাগরিক সমাজের চাপে যেনতেনভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে সেতুটির মাঝের অংশ ভেঙ্গে রেখে কাজ বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়রা বলেন, আমরা প্রতিদিন নানা প্রয়োজনে জেলা শহরের আসার জন্য এ সেতু ব্যবহার করছি। সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলের চাপের ফলে সেতুটি মেরামতের উদ্যোগ নিলেও কোন কারণ ছাড়াই কাজ অসমাপ্ত রেখে বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে সাধারণ মানুষসহ বিদ্যালয় ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরা পড়েছে চরম দুর্ভোগ।

২নং গৌরীচন্না ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বলেন, জেলা শহরের সঙ্গে খাকদোন নদীর উত্তর পাড়ের কয়েক লাখ মানুষের দ্রুততম যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু। সেতুটি সংস্কারের জন্য বারবার আবেদন করা হলেও কোন ফল পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি কাজ শুরু হলেও কি কারণে বন্ধ রয়েছে তা বলতে পারছি না। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ লাখো মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি খুব দ্রুত পূর্ণ নির্মাণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় ভুক্তভোগীদের। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সেতুটি সাময়িকভাবে মেরামত শুরু করলে সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় এটা পূর্ণ নির্মাণ করার জন্য একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়। প্রস্তাবনার প্রেক্ষিতে একটি বিশেষজ্ঞ দল ইতোমধ্যে এসে এখানকার মাটি পরীক্ষা করে গেছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করা যাবে।

কক্সবাজারে চাঁদা না দেয়ায় কোরবানির পশু বিক্রিতে বাধা

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ সরকারীভাবে রাজস্ব দেয়ার পরেও অস্থায়ী গরু বাজারে চাঁদা না পেয়ে পুলিশ বাঁধা প্রদান করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কক্সবাজার সদর ঈদগাঁওর কালিরছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অস্থায়ীভাবে কোরবানির পশুর হাট বসে আসছে। কিন্তু রবিবার বিকেলে এলাকার গরু ব্যবসায়ীরা অস্থায়ী ওই বাজারে গরু বিকিকিনির জন্য নিয়ে গেলে ঈদগাঁও পুলিশ গরু ব্যবসায়ীদের বাঁধা প্রদান করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। মঙ্গলবার পর্যন্ত হাটে কোরবানির পশু বিকিকিনি বন্ধ রয়েছে। এদিকে চাঁদা দাবির অভিযোগ সত্য নয় দাবি করে ঈদগাঁও পুলিশ বলেন, ঈদগাঁও বাজারের ইজারাদারের অভিযোগে বাজারে গরু বিকিকিনিতে বাঁধা প্রদান করা হয়েছে।

লালমনিরহাটে গৃহবধূর অশ্লীল ভিডিও বাজারে

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ জেলা সদরের মোগলহাট ইউনিয়নের কুরুল গ্রামে দুই সন্তানের জননী গৃহবধূকে ব্ল্যাকমেইল করে নীল ছবি তৈরি করেছে স্বামীর ধর্ম ভাই। সেই ভিডিও দেখিয়ে দেড় বছর ধরে দৈহিক সম্পর্ক রেখে চলেছে। বিষয়টি স্বামী জেনে যায়। ভিডিওটি নষ্ট করতে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। অর্থ না পেয়ে বাজারে ভিডিওচিত্রটি ছড়িয়ে দেয়। তথ্যপ্রযুক্তির এমএমএস মেসেজের মাধ্যমে মোগলহাটের উড়তি বয়সের প্রায় যুবকের মোবাইল ফোনে নীল ছবি ভিডিওচিত্রটি ছড়িয়ে পড়েছে। এখন লোকলজ্জার ভয়ে স্বামী তার ক্ষুদ্র গালামালের দোকান বন্ধ রেখেছে। স্ত্রী লোকলজ্জার ভয়ে কোণঠাসা হয়ে রয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে মোগলহাট ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ব্ল্যাকমেইলের শিকার গৃহবধূ ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠক হয়। সালিশে এই ভিডিওচিত্র বাজারে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য আপোস মীমাংসা করে দেয়। স্ত্রীকে স্বামী সংসারে তুলে নেয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে লম্পট যুবক লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আরোপ হয়নি। ভিডিওচিত্র ধারণকারীকে বাঁচাতে প্রভাবশালী মহল অপতৎপরতা চালাচ্ছে। গৃহবধূ ও তার স্বামী জানান, আমাদের সুখের সংসারে আগুন দিয়েছে। সমাজে হেয় করেছে। মুখ দেখানো দায়। এই লম্পটের বিচার চাই। প্রভাবশালী মহলটি থানায় যেতে দিচ্ছে না। সব সময় বাড়ির আশপাশে তাদের পাহারা দিতে কয়েকজন যুবক ঘুর ঘুর করছে।

জেলা সদরের মোগলহাট ইউনিয়নের কুরুল গ্রামের মুদি দোকানদার মমিনুলের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত শহীদের ছেলে লুৎফর রহমানের দুই বছর পূর্বে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লুৎফর রহমান মমিনুলকে ধর্ম ভাই মানে। এই সুবাদে মমিনুলের বাড়িতে অবাধ যাতায়াত ছিল। লম্পট লুৎফর মমিনুলের স্ত্রীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে।

কাজীর কারাদ-

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা, ১৫ সেপ্টেম্বর ॥ বাল্যবিয়ে পড়ানের দায়ে পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের হুমায়ুন কবির নামের এক কাজীকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত এই রায় প্রদান করে।

জানা যায়, গত ১ মাস আগে ভোলা সদরের পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের কালু মোল্লার মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী মমতাজের সঙ্গে একই এলাকার বজলুর রহমান হাওলাদারের ছেলের তাকবির হাওলাদারের সঙ্গে ভুয়া জন্ম-নিবন্ধনের মাধ্যমে কাজী হুমায়ুন কবির বিয়ে পড়ায়।