১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হারাতে যাচ্ছে যাত্রাপালা, আগে হারিয়েছে নকশী কাঁথা

 ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হারাতে যাচ্ছে যাত্রাপালা, আগে হারিয়েছে নকশী কাঁথা

মোরসালিন মিজান ॥ নকশীকাঁথার পর এবার ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশের মৌলিক সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী অংশ যাত্রাপালা। সকল সম্ভাবনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক সংস্থাটির মর্যাদাপূর্ণ ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ তালিকায় নাম লেখাতে পারছে না লোকনাট্যের জনপ্রিয় এই শাখা। অনভিজ্ঞ ও অদক্ষ ব্যক্তিদের দিয়ে তৈরি ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন ফাইল জমা দেয়ার কারণে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বঞ্চিত হচ্ছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি ইউনেস্কো প্রকাশিত মনোনয়ন ফাইল পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাংলাদেশের কোন কোন ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজের অস্তিত্ব আছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও। এগুলো নিজেদের করে নিতে তৎপর রয়েছে দেশটি। এ অবস্থায় বাংলাদেশী ঐতিহ্যের কোন কোন অনুষঙ্গ ওই দেশের হয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজের অসংখ্য উপাদান। সংশ্লিষ্ট দেশের আবেদনের প্রেক্ষিতে এসব উপাদান যাচাই-বাছাই ও সুনির্দিষ্ট করে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তুলে ধরার কাজ করছে ইউনেস্কো। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির স্বীকৃতি লাভের মধ্য দিয়ে একটি দেশ ওই উপাদানের আঁতুড়ঘর হিসেবে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপিত হয়। মর্যাদা লাভ করে। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি সূচিশিল্প সর্বশেষ এই স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হয়। প্রতি বছর একটি দেশ নিজেদের যে কোন একটি উপাদান ইউনেস্কোতে পাঠাতে পারে। সে হিসেবে গত বছর নকশীকাঁথা ও এ বছর যাত্রাপালার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়ে আবেদন করে বাংলাদেশ। কিন্তু নকশীকাঁথার পর স্বীকৃতি লাভে ব্যর্থ হলো যাত্রাপালাও।

জানা যায়, আগামী ৩০ নবেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আফ্রিকার নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ‘ইন্টারগবর্নমেন্টাল কমিটি ফর দ্য সেফগার্ডিং অব দ্য ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’-এর দশম সম্মেলন। সম্মেলন থেকে ২০১৫ সালের ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজের ষোষণা দেয়া হবে। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও মনোনয়ন ফাইল জমা দিয়েছে। এবার ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালার স্বীকৃতি চাওয়া হয়। আবেদন করা হয় গত বছরের ডিসেম্বরে। লম্বা প্রস্তুতি শেষে ইউনেস্কোতে মনোনয়ন ফাইল প্রেরণ করা হয়। এরপরও সংশোধনীর একটি সুযোগ ছিল চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু সংশোধনও করা হয়। সম্প্রতি ইউনেস্কোর ওয়েবসাইটে যাত্রাপালার ফাইলটি প্রকাশ করা হয়েছে মাত্র ১৩ পৃষ্ঠা। অথচ এত ভুল যে, বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। নিম্নমানের ইংরেজী ও ভুল ব্যাকরণে লেখা ফাইল রীতিমতো জাতীয় লজ্জার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইউনেস্কোর নির্দেশনা মানা তো দূূরের কথা, সংশ্লিষ্টরা নির্দেশনা একটিবারও পড়েছেন বলে মনে হয় না।

ইউনেস্কোর নির্দেশনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যায়, ফাইলটি মারাত্মক ত্রুটিযুক্ত। অজ্ঞানতা, অনভিজ্ঞতা ও খামখেয়ালিপনার ছাপ এখানে-ওখানে স্পষ্ট। ফাইলের নামকরণেই খুঁজে পাওয়া যায় ভুল। ব্যাকরণের ঠিক নেই। আনাড়িপনা স্পষ্ট। ইউনেস্কোর নির্দেশনা অনুযায়ী, যাত্রাপালায় যারা পারফর্ম করেন নামকরণটি তাদের ভাষায়, তাদের স্ক্রিপ্টের ভাষায় হওয়ার কথা। এক্ষেত্রে ভাষাটি বাংলা হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। অথচ সেখানে ইংরেজীতে ‘লধঃৎধ’ লেখা হয়। ১৩ পৃষ্ঠার মনোনয়ন ফাইলে যে ক’লাইন ইংরেজী লেখা হয়েছে তাতে ভুল গুনে শেষ করা যায় না। বিশেষ করে ইংরেজী গ্রামারের জ্ঞান দেখে ফাইলটিকে কোন স্কুলের শিক্ষার্থীর পরীক্ষার খাতা বলে মনে হয়। কমপক্ষে ৩৫ বাক্যে আছে হাস্যকর রকমের ভুল।

উপাদানের পুরো নামটি লেখা হয়েছে এভাবেÑ ঔধঃৎধ ঃৎধফরঃরড়হধষ ষরারহম ধৎঃং. অথচ যথার্থ হতে পারত ‘ঔধঃৎধ : ধ ঃৎধফরঃরড়হধষ ঢ়বৎভড়ৎসরহম ধৎঃ’ লিখলে। ইউনেস্কোর পক্ষ থেকে উপাদানের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণী চাওয়া হয়। যে বা যিনি যাত্রা কোনদিন দেখেননি বা এ ধরনের কোন অভিজ্ঞতা নেই, তার বোঝার মতো করে সহজবোধ্য ভাষায় বিবরণটি ১৫০ শব্দের মধ্যে লেখার নির্দেশনা দেয়া আছে। কিন্তু ফাইলের এ অংশ পড়ে যাত্রা সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোন ধারণা পাওয়া যায় না। কনটেন্টও খুব নিম্নমানের। রয়েছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। একটি প্যারায় যাত্রাকে গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি বিশেষ উপাদান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যাত্রাপালা গ্রামে হয়। পরবর্তী অংশে উল্টো তথ্য দিয়ে বলা হয়েছে, যাত্রাপালা এখন শহর থেকে গ্রামের দিকে যাচ্ছে। এ পর্যায়ে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নÑ যাত্রাপালা শহরে কখন গেল? আর শহরে যদি যায় তাহলে শুধু গ্রামে যাত্রাপালা হয় বলার কী অর্থ? এমন নানা প্রশ্ন সহজ পাঠে উঠে আসে।

জানা যায়, ফাইলটি তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল শিল্পকলা একাডেমিকে। সে হিসেবে মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ছিলেন কন্টাক্ট পার্সন। ফাইলে তাঁর একটি সই থাকার কথা। কিন্তু ফাইল ঘেঁটে দেখা যায়, তিনি একাই দুটি সই করেছেন। অথচ স্টেট পার্টি হিসেবে ফাইলে অপর সইটি করার কথা সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের। এর আগে জামদানির ফাইলে সচিব সই করেন। রিক্সা ও রিক্সা আর্ট, মঙ্গল শোভাযাত্রার ফাইলেও সরকারের পক্ষে সংশ্লিষ্ট সচিব সই করেন। কিন্তু আগের শুদ্ধটিও এবার ভুলে পর্যবসিত হয়।

জানা যায়, প্রাথমিক আবেদনগুলোর যৌক্তিকতা যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করে ইউনেস্কোর একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি। পাঁচটি ক্যাটাগরির সবকটিতে শতভাগ নম্বর পেলে পরেই ফাইলের পক্ষে মত দেন তাঁরা। এই কমিটির অনুমোদন না পেলে কোন উপাদান আর আলোর মুখ দেখে না। অথচ যাত্রাপালা ফাইলের পাতায় পাতায় ভুল। এ অবস্থায় প্রাথমিক তালিকাতেও যাত্রাপালার নাম উঠবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছিল। বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরে ইউনেস্কো থেকে যাত্রাপালার মনোনয়ন ফাইল প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত বছর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ হিসেবে ‘ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা সূচিশিল্প’র স্বীকৃতি চেয়ে ২০১২ সালে ইউনেস্কোতে আবেদন করে বাংলাদেশ। ফাইলটি প্রকাশের পর বিভিন্ন ত্রুটি ধরা পড়ে সবার চোখে। ‘ঐতিহ্যবাহী নকশীকাঁথা সূচিশিল্প’ ইউনেস্কোর বিশেষজ্ঞ কমিটির অনুমোদন লাভে ব্যর্থ হয়। এ অবস্থায় ভবিষ্যতের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে শেষ মুহূর্তে ফাইলটি প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। গত বছর ত্রুটিপূর্ণ মনোনয়ন ফাইল জমা দিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর এ বছর বিষয়টি নিয়ে কোন কাজই হয়নি। এবার পুনঃ আবেদন করতে পারেনি বাংলাদেশ। নকশীকাঁথার অস্তিত্ব আছে ভারতেও। সঙ্গত কারণে উপাদানটি নিজেদের করতে তৎপর রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশটি। ফলে নকশীকাঁথার ভবিষ্যত নিয়েও দেখা দিয়েছে শঙ্কা। বাংলাদেশের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই ঐতিহ্য।

এদিকে, একটি মনোনয়ন ফাইল তৈরির মুরোদ না থাকলেও সরকারী অর্থ অপচয়ের উৎসব চলছে। প্রতি বছর উপাদান ইউনেস্কোতে পাঠানোর নাম করে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করা হচ্ছে। তার চেয়ে বড় কথা, সকল সম্ভাবনা থাকার পরও দু-দুটি বছর ইউনেস্কো থেকে শূন্যহাতে ফিরতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

বিষয় কালচারাল হেরিটেজ হওয়ায় পুরো কাজটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে। মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর নিজে এ ব্যাপারে বেশ আন্তরিক। মন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে। কিন্তু এর পরও কেন ব্যর্থতা? কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বিষয়ে কাজ করার মতো স্কলারের অভাব রয়েছে দেশে। যারা আছেন, হাতে গোনা। তদুপরি, মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত কমিটি আবার তাঁদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না। কমিটির মূল দায়িত্বে রয়েছেন আলতাফ হোসেন। আর্ট কালচার বা হেরিটেজের সঙ্গে তাঁর কোন ধরনের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি একজন প্রকৌশলী। সম্প্রতি প্রতœতত্ত্ব অধিদফতরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। এমন একজন ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বিষয়ে গঠিত কমিটির প্রধান হওয়ায় সমস্যাটি ঘোরতর হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, আলতাফ হোসেন নিজের যাকে পছন্দ তাঁকে দিয়ে ফাইল তৈরি করাতে আগ্রহী। তাঁর সঙ্গে যোগ্য কারও দ্বিমত হলে, সে-ই তিনিও বাদ পড়ে যান। যথার্থ মানুষটি খুঁজে নেয়ার বিষয়েও আগ্রহ নেই তাঁর। এসব কারণেই বার বার ভুলে ভরা ফাইল। এ কারণেই অপার সম্ভাবনা সত্ত্বেও ইউনেস্কো থেকে ব্যর্থ হয়ে ফিরতে হচ্ছে যাত্রাপালাকে।

ফাইল তৈরিতে ব্যর্থতা সম্পর্কে জানতে কথা হয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কমিটির প্রধান আলতাফ হোসেনের সঙ্গে। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবারও ব্যর্থ হচ্ছে কিনা তা এখনই বলা যাবে না। যাত্রাপালার ফাইলে কিছু ভুল ধরা পড়ায় সেটি প্রত্যাহার করে মঙ্গল শোভাযাত্রা উপস্থাপন করার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এ পর্যায়ে কাজটি কতটা সম্ভবÑ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ্যাম্বাসেডর শহীদুল ইসলাম চেষ্টা করছেন বলে জানি আমি। মন্ত্রণালয়ের কমিটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একটি কর্মসূচী ছিল। আমি সে কর্মসূচীর প্রধান হিসেবে কাজ করেছি। এখন আর সেটি নেই। একটি কমিটির মতো আছে। নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের দিয়ে ফাইল তৈরি করানোর অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ফাইল তৈরির কাজ কাকে বা কাদের দিয়ে করানো হবে তা দেখে মন্ত্রণালয়। যে উপাদানটি মন্ত্রণালয়ের যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেই প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয়। সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কাজ ভাগ করে দেয়া হয়ে থাকে। কিছু উপাদান বাংলা একাডেমি ও জাতীয় জাদুঘরের মাধ্যমে করানো হয়েছে। একই ভাবে শিল্পকলা একাডেমির কাছে যাত্রাপালা ফাইল তৈরির কাজ যায় বলে জানান তিনি।

ফাইলের কন্টাক্ট পার্সন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সঙ্গে কথা হলেও তিনি যাত্রাপালা মনোনয়ন ফাইলের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে কোন তথ্য দিতে পারেননি। জনকণ্ঠকে তিনি বলেন, যাত্রাপালা তো এবার উঠছে ইউনেস্কোতে। প্রথম দিকে কিছু ভুল ধরা পড়েছিল। আমরা পরে সেগুলো শুধরে দিয়েছি। আর তো কোন সমস্যা নেই। ইউনেস্কোর সদয় বিবেচনায় আছে। সমস্যার কথা তাঁকে জানানো হলে তিনি কিছুটা সময় নিয়ে বলেন, আসলে ফরম্যাটটা বুঝতে আমাদের একটু দেরি হয়েছিল। তাছাড়া সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে একটি কমিটি আছে। সেই কমিটিই সব দেখে। ইউনেস্কোতে থাকা বাংলাদেশের প্রতিনিধি সব ঠিকঠাক থাকার কথা জানিয়েছেন বলে দাবি করেন লাকী।

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছিলেন। তবে তিনি বলেন, যাত্রাপালা বাদ হয়ে যায়নি। ফাইলে সমস্যা ধরা পড়ায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। পরবর্তী বছর আবার পাঠানো হবে। পাইপলাইনে আরও কয়েকটি উপাদান রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এগুলো একটি একটি করে ইউনেস্কোর স্বীকৃতির জন্য পাঠানো হবে। সেভাবেই কাজ হচ্ছে। কিন্তু এ নিয়ে পর পর দুই বছর ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে হলো। সরকারী অর্থেরও অপচয় হচ্ছেÑ কেন? জানতে চাইলে ব্যর্থতার কিছুটা দায় নিয়েই মন্ত্রী বলেন, আসলে এক্সপার্টের অভাব। ফাইল তৈরির কাজটা টেকনিক্যালও বটে। অনেক খুঁটিনাটি জানতে হয়। এমন স্কলার ঠিক পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে ভাল ফল আসবে।