২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুখোমুখি অনন্ত জলিল

জনকণ্ঠ : ট্যালেন্ট হান্ট নিয়ে কি পরিকল্পনা করছেন এবং দ্য স্পাই সিনেমার শুটিং কবে শুরু হবে?

উত্তর : ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে আমরা ১৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ২৫ জন অভিনয়শিল্পী নির্বাচন করব, যারা আমার এবং বর্ষার সঙ্গে আপকামিং দ্য স্পাই মুভিতে অভিনয়ের সুযোগ পাবে। আর এই ট্যালেন্ট হান্টের মাধ্যমে আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি পাবে অনেকগুলো প্রতিভাবান অভিনয়শিল্পী। অডিশনের এখন পূর্ণ প্রস্তুতি চলছে। আমরা ঈদের পরপরই বিভাগীয় শহরগুলোতে অডিশন নেয়া শুরু করব। ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামটি পর্ব আকারে মোট ২৬ পর্ব এটিএন বাংলায় সম্প্রচারিত হবে আগামী মাস থেকে।

জনকণ্ঠ : শুনেছি আপনি সম্প্রতি একটি সেলফোন কোম্পানির মডেল হয়েছেন?

উত্তর : টিভিসি খুব শীঘ্রই করব। সম্প্রতি যেটা করেছি সেটা ছিল ট্যালেন্ট হান্টের প্রোমো শ্যুট। আর পার্টেক্স স্টার গ্রুপের জেলটা মোবাইলের ব্র্যান্ড এ্যাম্বাসেডর হিসাবে একটা ফটো শ্যুট করেছি, যার টিভিসি খুব শীঘ্রই হবে।

ট্যালেন্ট কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এখান থেকে নির্বাচিত অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে দ্য স্পাই চলচ্চিত্রের কাজ শুরু করব। আশা করি আমার দর্শকদের আগামী বছর দ্য স্পাই মুভিটি উপহার দিতে পারব।

জনকণ্ঠ : আপনার প্রতিদিনের লাইফস্টাইল কিভাবে কাটে?

উত্তর : নিজের ডেইলি লাইফ স্টাইল মানে তো এক্সট্রিম বিজি একটা লাইফ স্টাইল। ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা জিম করা, মার্শাল আর্ট প্র্যাকটিস করা। তারপর ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে রেডি হয়ে ফ্যাক্টরি। সারাদিন কাজের মধ্যদিয়ে এমনভাবে ব্যস্ত সময় পার হয় যেন মাঝে মাঝে দুপুরের খাবারের কথাও খেয়াল থাকে না। এর মাঝেই সময় বের করে মিডিয়াতে সময় দেয়া, সামাজিক কর্মকা-ে সময় দেয়া। সব মিলিয়ে নিজের জন্য আলাদাভাবে একটু সময় বের করা আমার জন্য অনেক কঠিন একটা ব্যাপার।

জনকণ্ঠ : ঈদে আপনার ছবি নেই, খারাপ লাগছে কিনা?

উত্তর : হ্যাঁ, এবারের ঈদে আমার কোন ছবি নেই, কারণ আমরা ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম শেষ না করে আমাদের মুভির কাজে হাত দিতে পারছি না। আমার দর্শক ভক্তরা যেন মন খারাপ না করেন তাই টেলিভিশনের পর্দায় উপভোগ করতে পারবেন আমার অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত আগের চলচ্চিত্রগুলো।

জনকণ্ঠ : ঈদ কিভাবে কাটাবেন?

উত্তর : ঈদ মানেই তো হাসি-খুশি আর আনন্দ। যেহেতু এই ঈদ কোরবানির ঈদ, তাই মোটামুটি ঈদের সারাটা দিন কোরবানি নিয়েই ব্যস্ত থাকতে হবে।

জনকণ্ঠ : ছোটবেলার ঈদের কোন মজার স্মৃতি?

উত্তর : ছোটবেলার ঈদের তো আসলে তেমন মজার কোন স্মৃতি নেই, কারণ আমার বয়স যখন পাঁচ বছর তখন আমি আমার মাকে হারাই। ছোটবেলায় মা বিহীন একটি সন্তানের প্রতিটি ঈদ শুধুমাত্র মাকে মিস করা ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট থাকে বলে আমার মনে হয় না।

জনকণ্ঠ : আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আপনার কোন পরিকল্পনা?

উত্তর : আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে আসলে প্রকৃত অর্থে আন্তর্জাতিক অবস্থানে দেখতে চাই। এর জন্য যা কিছু করার আমি চেষ্টা করছি। তবে দর্শকদের বলতে চাই আপনারা বাংলাদেশের সিনেমা দেখুন। আমাদের সিনেমার সুদিন আসবেই একদিন।