২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জঙ্গীবাদ দমনে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগ চান শেখ হাসিনা

  • গার্ডিয়ানের রিপোর্ট

বিডিনিউজ ॥ বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রপন্থীদের উত্থান এবং এতে ইউরোপ-আমেরিকা থেকে ফেরত আসা ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে বুধবার ব্রিটেনের গার্ডিয়ান পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও রাজনীতিবিদ, মৌলবাদবিরোধী আন্দোলনের কর্মী ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জঙ্গীবাদ দমনে ব্রিটিশ সরকারের উদ্যোগ প্রত্যাশা করেছেন জানিয়ে তাঁকে উদ্ধৃত করে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, মাঠ পর্যায়ে ব্রিটিশ সরকারের আরও উদ্যোগ নেয়া উচিত। পূর্ব লন্ডনে জামায়াতের বড় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটা সত্য। তারা অর্থ সংগ্রহ ও প্রেরণ করছে।

ঢাকার নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ জিহাদীরা বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থানের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। তারা তরুণ ধর্মীয় মৌলবাদীদের আইএসের প্রতি সহানুভূতিশীল করে তুলছে। কিছু লোক স্থানীয়দের আন্তর্জাতিক জিহাদে অংশ নিতে উৎসাহ যোগাচ্ছে এবং সালাফি গোষ্ঠীগুলোতে বাংলাদেশীদের সংখ্যা বাড়ছে। উগ্রবাদে অর্থায়নকারী গোষ্ঠী ও লোক সংগ্রহকারীরা ব্রিটেনের বাঙালী কমিউনিটির তরুণদের আন্তর্জাতিক জিহাদে অংশ নিতে উৎসাহ যোগাতে। এভাবেই সালাফি গোষ্ঠীগুলোতে বাংলাদেশীদের সংখ্যা বাড়ছে।

সম্প্রতি এক ব্লগার হত্যায় ব্রিটিশ নাগরিক তৌহিদুর রহমানকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তৌহিদুর নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলাটিমের অর্থের যোগানদাতা এবং অভিজিত ও অনন্ত হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এছাড়া জেএমবি, আইএস ও একিউআইএসসহ (আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখা) কয়েক ব্রিটিশ বাংলাদেশীর কর্মকা-ের কথা সম্প্রতি গণমাধ্যমে এসেছে। সর্বশেষ গত মাসে সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ড্রোন হামলায় নিহত আইএস সদস্য রুহুল আমিন ও রিয়াদ খান ব্রিটিশ বাংলাদেশী বলে গণমাধ্যমে খবর বের হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক এক সেনা গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞকে উদ্ধৃত করে এতে বলা হয়, বাংলাদেশের ওপর আইএসআইএসের নজর রয়েছে। সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের পক্ষে লড়াই করতে যাওয়া বাংলাদেশীর সংখ্যা ৩০ জনের মতো।

নির্বাচিত সংবাদ